কাজে ঢিলেমি মানা হবে না: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
১-ক্লিকে সম্পূর্ণ খবর শুনুন (অনলাইন অডিও)

নরসিংদীর মনোহরদীতে দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, দুর্নীতি ও প্রশাসনিক কাজে অযথা দেরি কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না। আগামী দুই বছরের মধ্যে ইউনিয়ন পর্যায়ে এমবিবিএস চিকিৎসকের মাধ্যমে গ্রামের মানুষের চিকিৎসা নিশ্চিত করা হবে।
- প্রশাসনিক কাজে অযথা কালক্ষেপণ বা অবহেলা শক্ত হাতে বন্ধ করার হুঁশিয়ারি স্বাস্থ্যমন্ত্রীর।
- আগামী দুই বছরের মধ্যে দেশের প্রতিটি ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রে এমবিবিএস চিকিৎসক নিয়োগের বড় পরিকল্পনা।
- নরসিংদীর মনোহরদীর পূজামণ্ডপগুলোতে আর্থিক অনুদান ও উপহার বিতরণ করেন মন্ত্রী।
আধুনিক ফুল-স্ট্যাক ও এআই ডেভেলপমেন্ট বুটক্যাম্প
ঘরে বসেই ক্যারিয়ার গড়ুন বিশ্বমানের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে। সীমিত আসন!
সরকারি কাজে কোনো ধরনের ঢিলেমি বা অযথা দেরি বরদাস্ত করা হবে না বলে কড়া বার্তা দিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল। বুধবার রাতে নরসিংদীর মনোহরদী হিন্দুপাড়া সার্বজনীন দুর্গাবাড়ি পূজামণ্ডপে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। সেখানে স্থানীয় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় ও পূজামণ্ডপে আর্থিক অনুদান দেন তিনি। দুর্নীতির বিরুদ্ধে বর্তমান সরকারের 'জিরো টলারেন্স' নীতি বজায় থাকবে বলেও স্পষ্ট জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত জনতার উদ্দেশে মন্ত্রী বলেন, দেশের সাধারণ মানুষের করের টাকা এবং প্রবাসীদের ঘাম ঝরানো উপার্জনেই সরকারি কর্মকর্তাদের সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত হয়। তাই সেবা নিতে এসে কেউ যেন প্রশাসনিক জটিলতায় ভোগান্তিতে না পড়েন, সেদিকে সবাইকে খেয়াল রাখতে হবে। সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন সেবা পাওয়া সহজ করতে যেকোনো গাফিলতি কঠোরভাবে দেখা হবে। জনগণের শান্তি ও সেবা নিশ্চিত করাই বর্তমান প্রশাসনের মূল লক্ষ্য।
স্বাস্থ্য খাতের সংস্কার নিয়ে কথা বলতে গিয়ে সাখাওয়াত হোসেন বকুল জানান, আগামী দুই বছরের মধ্যে দেশের চিকিৎসা ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তন আনা হবে। গ্রামের সাধারণ মা-বোনদের প্রাথমিক চিকিৎসা নিশ্চিত করতে প্রতিটি ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নতুন ভবন তৈরি করে সেখানে এমবিবিএস চিকিৎসক বসানো হবে। এর ফলে উপজেলা বা জেলা সদরে না গিয়েও গ্রামের মানুষ আধুনিক স্বাস্থ্যসেবা পাবেন। এবারের শারদীয় দুর্গোৎসব ঘিরে সারা দেশে নেওয়া সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থার কথাও তুলে ধরেন তিনি।
মনোহরদী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার এবং স্থানীয় প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। আলোচনা শেষে স্বাস্থ্যমন্ত্রী মনোহরদী পৌরসভার পাঁচটি পূজামণ্ডপে আর্থিক অনুদান পৌঁছে দেন এবং উপহার হিসেবে শাড়ি বিতরণ করেন। প্রত্যন্ত অঞ্চলের সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করতে সরকারের এমন উদ্যোগ দ্রুত বাস্তবায়িত হবে বলে স্থানীয়রা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
“সরকারি দপ্তরে কাজের দীর্ঘসূত্রতা রোধ ও মাঠপর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়ার এই ঘোষণা অত্যন্ত ইতিবাচক। তবে ইউনিয়ন পর্যায়ে এমবিবিএস চিকিৎসকদের সার্বক্ষণিক উপস্থিতি নিশ্চিত করতে অতীতের অনেক উদ্যোগই ব্যর্থ হয়েছে। ফলে নতুন অবকাঠামো তৈরির পাশাপাশি ডাক্তারদের গ্রামে থাকা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করাই এখন বড় চ্যালেঞ্জ।”
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ স্টার্টআপ ও এআই কনফারেন্স
রেজিস্ট্রেশন চলছে। এখনই আপনার আসন নিশ্চিত করুন।



