ইশরাক পোষ্যকোটায় রাজনীতিতে এসেছেন, বললেন নিলোফার চৌধুরী মনি
১-ক্লিকে সম্পূর্ণ খবর শুনুন (অনলাইন অডিও)

সদ্য পদত্যাগ করা প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেনকে নিয়ে কড়া মন্তব্য করেছেন সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য নিলোফার চৌধুরী মনি। একটি বেসরকারি টেলিভিশনের টকশোতে তিনি বলেন, বাবার পরিচয়ের কারণেই ইশরাক রাজনীতিতে এসেছেন এবং তার বয়স ও অভিজ্ঞতার ঘাটতির কারণে সাম্প্রতিক বিতর্কিত ঘটনা ঘটেছে।
- টেলিভিশন টকশোতে ইশরাক হোসেনের রাজনৈতিক পরিপক্বতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন নিলোফার চৌধুরী মনি।
- তিনি দাবি করেন, সাদেক হোসেন খোকার ছেলে হওয়ায় ইশরাক রাজনীতিতে বিশেষ সুবিধা পেয়েছেন।
- মাদকবিরোধী অভিযানের নামে নাটকীয় প্রচারণা ভুল উপদেষ্টাদের পরামর্শে হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
আধুনিক ফুল-স্ট্যাক ও এআই ডেভেলপমেন্ট বুটক্যাম্প
ঘরে বসেই ক্যারিয়ার গড়ুন বিশ্বমানের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে। সীমিত আসন!
মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করা ইশরাক হোসেনকে নিয়ে তীব্র রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন সংরক্ষিত সংসদ সদস্য নিলোফার চৌধুরী মনি। মঙ্গলবার রাতে একটি বেসরকারি টেলিভিশনের সমসাময়িক বিষয়ভিত্তিক টকশোতে অংশ নিয়ে তিনি বলেন, ইশরাক মূলত ‘পোষ্যকোটায়’ রাজনীতিতে জায়গা পেয়েছেন। বাবার পরিচিতির বাইরে রাজনীতিতে তার নিজস্ব অভিজ্ঞতা ও বয়সের যথেষ্ট ঘাটতি রয়েছে বলে দাবি করেন এই সংসদ সদস্য।
নিলোফার চৌধুরী মনি জানান, ঢাকা সিটির সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকার ছেলে হিসেবে রাজধানীতে ইশরাকের একটি রাজনৈতিক পরিচিতি তৈরি হয়েছে। কিন্তু তার প্রধান লক্ষ্য ছিল সিটি করপোরেশনের দায়িত্ব নেওয়া। তিনি অভিযোগ করেন, রাজনৈতিক পরিপক্বতা না থাকার কারণে আশপাশের কিছু মানুষের পরামর্শে ইশরাক সম্প্রতি বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়েন। বিশেষ করে ক্যামেরার সামনে নাটকীয় কায়দায় মাদকবিরোধী অভিযান চালানো কোনো দায়িত্বশীল রাজনৈতিক নেতার আচরণ হতে পারে না।
টকশোতে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ও সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পট পরিবর্তন নিয়েও খোলামেলা কথা বলেন নিলোফার মনি। তিনি বলেন, পরপর দুই সপ্তাহে দুজন এমপি ও প্রতিমন্ত্রীর পদত্যাগের ঘটনা দেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতির একটি বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেয়। একই সঙ্গে মাদক সিন্ডিকেট ও মূল গডফাদারদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিয়ে সাধারণ মাদকসেবীদের নিয়ে সংবাদমাধ্যমে নাটক তৈরি করার কঠোর সমালোচনা করেন তিনি। তার মতে, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শুধু নীতিগত নির্দেশনা দেন, মাঠে অভিযান পরিচালনা করা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিয়মিত দায়িত্ব।
ইশরাকের সাম্প্রতিক ভূমিকা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা-সমালোচনা এখন তুঙ্গে। নিলোফার মনির মতো অভিজ্ঞ রাজনীতিকদের মতে, সস্তা প্রচারণার পেছনে না ছুটে জনবান্ধব ও বাস্তবমুখী রাজনীতি করাই একজন ভবিষ্যৎ নেতার মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, অভিজ্ঞতার অভাবে অতি-উৎসাহী সিদ্ধান্ত যেকোনো নেতার সম্ভাবনাময় ভবিষ্যৎকে শুরুতেই সংকটে ফেলে দিতে পারে।
“ইশরাক হোসেনের প্রতি নিলোফার চৌধুরী মনির এই মন্তব্য বংশপরম্পরায় রাজনীতিতে আসা তরুণ নেতাদের কার্যকারিতা ও কৌশলগত সীমাবদ্ধতাকে সামনে নিয়ে এসেছে। সস্তা প্রচারমুখী অভিযানের বদলে প্রাতিষ্ঠানিক জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠার দিকে রাজনৈতিক নেতৃত্বের নজর দেওয়া কতটা জরুরি, তা এই বিতর্কে স্পষ্ট হয়েছে।”
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ স্টার্টআপ ও এআই কনফারেন্স
রেজিস্ট্রেশন চলছে। এখনই আপনার আসন নিশ্চিত করুন।



