পাবনায় দুই মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ২
১-ক্লিকে সম্পূর্ণ খবর শুনুন (অনলাইন অডিও)

পাবনা সদর উপজেলার জালালপুরে বেপরোয়া গতির দুটি মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে নয়ন মিয়া ও সেলিম মাহমুদ নামের দুই আরোহী প্রাণ হারিয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও দুইজন, যাদের মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় রাজশাহী মেডিকেলে পাঠানো হয়েছে।
- পাবনার জালালপুর বাজারে দুই মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে ঘটনাস্থলেই দুজনের মৃত্যু হয়।
- নিহতরা হলেন স্থানীয় মাছ ব্যবসায়ী সেলিম মাহমুদ ও তরুণ নয়ন মিয়া।
- আহতদের মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় রাজশাহীতে স্থানান্তর করা হয়েছে।
আধুনিক ফুল-স্ট্যাক ও এআই ডেভেলপমেন্ট বুটক্যাম্প
ঘরে বসেই ক্যারিয়ার গড়ুন বিশ্বমানের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে। সীমিত আসন!
পাবনা সদর উপজেলায় দ্রুতগতির দুটি মোটরসাইকেলের মুখোমুখি ধাক্কায় দুইজন চালক নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার রাত আনুমানিক আটটার দিকে গয়েশপুর ইউনিয়নের জালালপুর বাজার এলাকায় এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনাটি ঘটে। দুর্ঘটনায় আরও দুজন গুরুতর আহত হয়েছেন। তাদের উদ্ধার করে তাৎক্ষণিকভাবে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
নিহত ব্যক্তিরা হলেন জালালপুর গ্রামের প্রয়াত মোজাফফর হোসেনের ছেলে ও স্থানীয় মাছ ব্যবসায়ী সেলিম মাহমুদ (৪০) এবং শালাইপুর গ্রামের আব্দুল মতিন মৃধার ছেলে নয়ন মিয়া (২০)। প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ জানায়, জালালপুর থেকে গয়েশপুরগামী সড়কে চলাচলের সময় উভয় বাইকের গতি বেশি থাকায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সরাসরি এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। তীব্র আঘাতে ঘটনাস্থলেই তাদের মৃত্যু হয়।
সংঘর্ষের বিকট শব্দ শুনে স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত এগিয়ে আসেন এবং আহতদের উদ্ধার করে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। কর্তব্যরত চিকিৎসকরা আহতদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেন। তবে এদের মধ্যে একজনের শারীরিক অবস্থার মারাত্মক অবনতি ঘটলে রাতেই তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।
পাবনা সদর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মনিরুল ইসলাম দুর্ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, খবর পাওয়ার পরপরই পুলিশ দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে দুজনের মরদেহ উদ্ধার করে সুরতহাল তৈরি করে। এই ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে মরদেহ দুটি পরিবারের কাছে হস্তান্তরের ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে তিনি জানান।
“গ্রামীণ ও আঞ্চলিক সড়কগুলোতে বেপরোয়া গতিতে মোটরসাইকেল চালানো এবং হেলমেট ব্যবহারের উদাসীনতা নিয়মিত প্রাণহানির প্রধান কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। স্থানীয় সংযোগ সড়কগুলোতে ট্রাফিক সচেতনতা ও গতি নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত না করলে এ ধরনের মর্মান্তিক দুর্ঘটনা রোধ করা অসম্ভব হয়ে পড়বে।”
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ স্টার্টআপ ও এআই কনফারেন্স
রেজিস্ট্রেশন চলছে। এখনই আপনার আসন নিশ্চিত করুন।



