Read in English
পাঠক সুবিধা:
আন্তর্জাতিকঢাকা

বিসর্জনে প্রতিমা ছোঁয়ায় বিধিনিষেধ, পশ্চিমবঙ্গে রাজনৈতিক বিতর্ক

চলতি ডেস্কআজ
১০ বার পঠিতপড়ার সময়: ২ মিনিট
এআই নিউরাল অডিও সংবাদ

১-ক্লিকে সম্পূর্ণ খবর শুনুন (অনলাইন অডিও)

০০:০০গুগল নিউরাল অডিও ভয়েস০০:০০
বিসর্জনে প্রতিমা ছোঁয়ায় বিধিনিষেধ, পশ্চিমবঙ্গে রাজনৈতিক বিতর্ক
পূর্ণাঙ্গ ভিউ
ছবি: সংগৃহীত • চলতি নিউজ স্পেশাল কাভারেজ
একনজরে মূল বিষয় ও সারসংক্ষেপ

পশ্চিমবঙ্গে দুর্গা প্রতিমা বিসর্জনের সময় কেবল সনাতন ধর্মের অনুসারীরাই প্রতিমা স্পর্শ করতে পারবেন বলে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। প্রশাসনের এই নির্দেশের বিরুদ্ধে বিরোধীরা বৈষম্য ছড়ানোর অভিযোগ তুললেও আয়োজকরা এটিকে ধর্মীয় আচার রক্ষার অংশ বলে দাবি করছেন।

গুরুত্বপূর্ণ ৩টি তথ্য
  • বিসর্জনের কাজে যুক্ত থাকা ব্যক্তিদের পরিচয় যাচাইয়ের নির্দেশ দিয়েছে পুলিশ প্রশাসন।
  • ঘাটে প্রতিমা বহন ও তোলার কাজে যুক্ত বহু অমুসলিম ও প্রান্তিক দিনমজুরের আয়ের ওপর এর প্রভাব পড়ার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।
  • বিরোধীদের দাবি এই নির্দেশ সমাজে বিভেদ ও অস্পৃশ্যতার মানসিকতা তৈরি করছে, যদিও কর্তৃপক্ষ সাম্প্রদায়িকতার অভিযোগ অস্বীকার করেছে।
বিজ্ঞাপনটেক একাডেমি বাংলাদেশ

আধুনিক ফুল-স্ট্যাক ও এআই ডেভেলপমেন্ট বুটক্যাম্প

ঘরে বসেই ক্যারিয়ার গড়ুন বিশ্বমানের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে। সীমিত আসন!

ভর্তি হতে ক্লিক করুন

কলকাতায় শুরু হওয়া দুর্গা প্রতিমা বিসর্জনে এবার প্রতিমা বহন ও স্পর্শ করার ক্ষেত্রে ধর্মীয় পরিচয় যাচাইয়ের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি হুগলি নদীর তীরে বাবুঘাটের নিরাপত্তা প্রস্তুতি পরিদর্শনের সময় জানানো হয়, প্রতিমা বিসর্জনের কাজে শুধু সনাতন ধর্মের অনুসারীরাই হাত দিতে পারবেন। এমনকি প্রতিমা নিয়ে যাওয়ার দায়িত্বে কারা থাকছেন, পুলিশ কমিশনারের মাধ্যমে তাদের নাম-পরিচয় নিশ্চিত করার কথাও বলা হয়েছে। এই নির্দেশনার পরই রাজ্যের রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক সমালোচনা ও প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে।

কলকাতা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার বিসর্জনঘাটগুলোতে বহু বছর ধরে বিভিন্ন ধর্ম ও সম্প্রদায়ের খেটে খাওয়া মানুষ প্রতিমা ওঠানামার কাজ করে আসছেন। এদের মধ্যে দরিদ্র মুসলিম সম্প্রদায়সহ সমাজের পিছিয়ে পড়া প্রান্তিক শ্রমিকেরা রয়েছেন, যারা দৈনিক মজুরির ভিত্তিতে ভারী প্রতিমা বয়ে নদীতে নামিয়ে দেন। আয়োজকরা এই নিয়ম কঠোরভাবে পালন করতে গেলে অনেক দিনমজুর সরাসরি কাজ হারাবেন। কলকাতা পৌর করপোরেশনের বিভিন্ন ঘাটে প্রতি বছর হাজারো প্রতিমা নিরঞ্জনে যে জনবল লাগে, সেখানে হঠাৎ এমন নিয়মে সংকট সৃষ্টির ঝুঁকি দেখা দিয়েছে।

বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলো এই নির্দেশের তীব্র বিরোধিতা করে জানিয়েছে, এর মাধ্যমে সমাজে পুরোনো দিনের অস্পৃশ্যতা বা সামাজিক বিভেদ ফিরিয়ে আনা হচ্ছে। দুর্গাপূজা সার্বজনীন উৎসব হিসেবে পরিচিত হলেও সেখানে শ্রমিকদের কাজের সুযোগ ধর্মীয় পরিচয়ের ভিত্তিতে আটকে দেওয়া অনাকাঙ্ক্ষিত বলে তারা মনে করছে। তবে কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এটি কোনো সাম্প্রদায়িক সিদ্ধান্ত নয়। ধর্মীয় উৎসবকে ঘিরে আচার-রীতি ঠিকভাবে পালন করতেই এমন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে দাবি করা হয়।

ঘাটে কাজ করা শ্রমিকদের বিকল্প ব্যবস্থা কী হবে কিংবা আয়োজক কমিটিগুলো শেষ পর্যন্ত এই নির্দেশ পুরোপুরি মানবে কি না, তা নিয়ে এখনো নিশ্চিত কোনো রূপরেখা পাওয়া যায়নি। বহু মণ্ডপ কর্তৃপক্ষ মনে করছে, হঠাৎ করে কাজের লোক বাদ দিলে প্রতিমা বিসর্জনের শৃঙ্খলায় বিঘ্ন ঘটতে পারে। ঐতিহ্য রক্ষা আর সাধারণ মানুষের জীবন-জীবিকার ভারসাম্য প্রশাসন কীভাবে সামাল দেয়, তা দেখতে বিসর্জনের বাকি দিনগুলোর পরিস্থিতির দিকে নজর রাখছেন সংশ্লিষ্টরা।

চলতি নিউজ দৃষ্টিভঙ্গি ও বিশ্লেষণ • নিরপেক্ষ এআই মতামত

“উৎসবের সর্বজনীন চরিত্রের সঙ্গে ধর্মীয় আচারের সংঘাত এই বিতর্কে নতুন করে সামনে এসেছে। বিসর্জনের মতো জটিল কার্যক্রমে যুগ যুগ ধরে খেটে খাওয়া সব ধর্মের মানুষের শ্রম যুক্ত ছিল। সেখানে আচমকা ধর্মীয় বিধিনিষেধ আরোপ শ্রমজীবী মানুষের রুটি-রুজির ওপর আঘাত হানার পাশাপাশি সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির পরিবেশেও নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।”

প্রতিবেদনটি বস্তুনিষ্ঠ সম্পাদকীয় নীতি ও মাঠপর্যায়ের তথ্য যাচাই করে প্রকাশিত।
চলতি ডিজিটাল নিউজরুম

জনপ্রিয় সংবাদTrending

৪

সাজেক আবারও উত্তাল সশস্ত্র বাহিনী ইউ পি ডি এফ এর তাণ্ডব অনির্দিষ্টকালের জন্য অবরোধ খাগড়াছড়ি জেলা প্রতিনিধি মোঃ জাহাঙ্গীর আলম সুজন রাঙ্গামাটি জেলার বাঘাইছড়ি উপজেলার সাজেক ইউনিয়ন পর্যটন কেন্দ্র এখানে প্রতিদিন সারা বাংলাদেশ থেকে আশা পর্যটকের বির হয় সাজেকে প্রকৃতির সৌন্দর্যে ঘেরা এই পর্যটন কেন্দ্র মনমুগ্ধকর পরিবেশ তবে আইন-শৃঙ্খলার অবনীতির কারণে বর্তমানে পর্যটকদের নেই কোন নিরাপত্তা সুরক্ষা তিন পার্বত্য অঞ্চলে বসবাস করা ক্ষুদ্র নিগোষ্ঠী থেকে উৎপত্তি অস্ত্রধারী সংগঠন ইউ পি ডি এফ, জেএসএস, সংস্কার এবং গণতান্ত্রিক এই অস্ত্রধারী সংগঠনগুলো চাঁদাবাজি, ঘুম, খুন সাধারণ মানুষের মাঝে আতঙ্ক তৈরি করে প্রতিদিনই বন্দুকযুদ্ধ হয় একে অপরের সাথে এতে করে সাজেক পর্যটন কেন্দ্রে বৃহস্পতিবার হতে শুরু হয়েছে অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধের ঘোষণা সাধারণ মানুষকে নিরাপত্তা দিতে দিন রাত পরিশ্রম করে যাচ্ছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও আনসার বাহিনী।

এইমাত্র • জাতীয়