শ্রীপুরে যুবলীগের মিছিলে বিএনপির ধাওয়া, ৮ জনকে পুলিশে সোপর্দ
১-ক্লিকে সম্পূর্ণ খবর শুনুন (অনলাইন অডিও)

গাজীপুরের শ্রীপুরে জুমার নামাজের পর ঝটিকা মিছিল বের করে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের অঙ্গসংগঠন যুবলীগ। এ সময় বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা ধাওয়া দিয়ে তাদের মধ্যবাজার এলাকা থেকে আটজনকে আটক করে থানায় সোপর্দ করেন। পুলিশ আটকদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিচ্ছে।
- শ্রীপুরে জুমার নামাজের পর যুবলীগের নেতাকর্মীরা হঠাৎ মিছিল বের করার চেষ্টা করেন।
- বিএনপি নেতাকর্মীদের ধাওয়ায় মিছিল ছত্রভঙ্গ হয়ে যায় এবং আটজনকে আটক করা হয়।
- আটককৃতদের শ্রীপুর থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়েছে এবং মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
আধুনিক ফুল-স্ট্যাক ও এআই ডেভেলপমেন্ট বুটক্যাম্প
ঘরে বসেই ক্যারিয়ার গড়ুন বিশ্বমানের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে। সীমিত আসন!
গাজীপুরের শ্রীপুরে কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত যুবলীগের মিছিলে ধাওয়া দিয়েছেন স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা। শুক্রবার জুমার নামাজের পর শ্রীপুর থানা ফটকসংলগ্ন এলাকা থেকে হঠাৎ যুবলীগের নেতাকর্মীরা একটি মিছিল বের করেন। মিছিলটি কিছু দূর এগোতেই বিএনপির নেতাকর্মীরা তাদের ধাওয়া দেন। এতে মিছিলকারীরা ছত্রভঙ্গ হয়ে শ্রীপুর মধ্যবাজারের দিকে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে সেখান থেকে আটজনকে হাতেনাতে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, আটক ব্যক্তিদের মধ্যে তাৎক্ষণিকভাবে চারজনের পরিচয় পাওয়া গেছে। তারা হলেন আতিকুর রহমান, আরিফুল ইসলাম, জুনাইদ মিয়া ও মোমেন। বাকি চারজনের পরিচয় নিশ্চিত করার চেষ্টা চলছে। তবে আটক ব্যক্তিদের মধ্যে দলীয় পদধারী কোনো শীর্ষ নেতা আছেন কি না, তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত করতে পারেনি স্থানীয় প্রশাসন বা দলটির দায়িত্বশীল কেউ।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শাহীনুর আলম জানান, থানা ফটকের সামনে নয়, বরং মধ্যবাজার এলাকায় মিছিলটি বের করা হয়েছিল। স্থানীয়রা আটজনকে ধরে পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছেন। আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। একই সঙ্গে এলাকায় যেকোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা বা নিষিদ্ধ সংগঠনের তৎপরতা রুখতে পুলিশ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।
রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর থেকেই স্থানীয় পর্যায়ে নিষিদ্ধ ঘোষিত ও কোণঠাসা হয়ে পড়া সংগঠনগুলোর যেকোনো প্রকাশ্য তৎপরতা ঘিরে চরম উত্তেজনা তৈরি হচ্ছে। শ্রীপুরের এই ঘটনার পর পুরো বাজার এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে নজরদারি বাড়িয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
“শ্রীপুরের ঘটনাটি প্রমাণ করে যে তৃণমূল পর্যায়ে রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং মুখোমুখি অবস্থান এখনো তীব্র। নিষিদ্ধ ঘোষিত রাজনৈতিক সংগঠনগুলোর মাঠের তৎপরতা ঠেকাতে বিরোধী শক্তির সরাসরি মাঠে নেমে পড়া সংঘাতের ঝুঁকি বাড়াচ্ছে, যা কঠোর প্রশাসনিক নজরদারির প্রয়োজনীয়তাকে সামনে এনেছে।”
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ স্টার্টআপ ও এআই কনফারেন্স
রেজিস্ট্রেশন চলছে। এখনই আপনার আসন নিশ্চিত করুন।



