Read in English
পাঠক সুবিধা:
জাতীয়ঢাকা

কোরআনের গভীর অর্থ বুঝতে ইমাম গাজালির বিশেষ পরামর্শ

চলতি ডেস্কআজ
১০ বার পঠিতপড়ার সময়: ২ মিনিট
এআই নিউরাল অডিও সংবাদ

১-ক্লিকে সম্পূর্ণ খবর শুনুন (অনলাইন অডিও)

০০:০০গুগল নিউরাল অডিও ভয়েস০০:০০
কোরআনের গভীর অর্থ বুঝতে ইমাম গাজালির বিশেষ পরামর্শ
পূর্ণাঙ্গ ভিউ
ছবি: সংগৃহীত • চলতি নিউজ স্পেশাল কাভারেজ
একনজরে মূল বিষয় ও সারসংক্ষেপ

পবিত্র কোরআন কেবল মুখে পাঠ করলেই চলবে না, এর মর্মার্থ অনুধাবনে হৃদয়ের প্রস্তুতি জরুরি বলে মত দিয়েছেন প্রখ্যাত ইসলামি চিন্তাবিদ ইমাম আবু হামিদ গাজালি। তিনি কোরআন উপলব্ধির ক্ষেত্রে বাণীর মহান বক্তা মহান আল্লাহর মহত্ত্ব অন্তরে ধারণসহ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ অভ্যন্তরীণ বিষয়ের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেছেন।

গুরুত্বপূর্ণ ৩টি তথ্য
  • কোরআন পাঠের বাহ্যিক নিয়মের পাশাপাশি অন্তরের বিশুদ্ধতা অর্জন করা জরুরি।
  • তেলাওয়াতের শুরুতে আল্লাহর অসীম ক্ষমতা ও প্রজ্ঞাকে মনে ধারণ করার আহ্বান জানিয়েছেন ইমাম গাজালি।
  • অন্তরের কলুষতা দূর না হলে পবিত্র বাণীর আসল বার্তা মানুষের কাছে পরিষ্কার হয় না।
বিজ্ঞাপনটেক একাডেমি বাংলাদেশ

আধুনিক ফুল-স্ট্যাক ও এআই ডেভেলপমেন্ট বুটক্যাম্প

ঘরে বসেই ক্যারিয়ার গড়ুন বিশ্বমানের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে। সীমিত আসন!

ভর্তি হতে ক্লিক করুন

পবিত্র কোরআন পাঠ ও এর সঠিক মর্ম অনুধাবনে কেবল বাহ্যিক নিয়মকানুন মানাই যথেষ্ট নয়, বরং হৃদয়ের গভীর মনোযোগ জরুরি। ইসলামি চিন্তাবিদ ইমাম আবু হামিদ গাজালি তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থে কোরআন সঠিকভাবে উপলব্ধি করার জন্য পাঠকদের বেশ কিছু বিশেষ দিকনির্দেশনা দিয়েছেন। তিনি মনে করেন, মুখে শুদ্ধ উচ্চারণে পড়ার পাশাপাশি অন্তরে আল্লাহর মহত্ত্ব অনুভব করা কোরআন পাঠের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

সাধারণত কোরআন পাঠ করার ক্ষেত্রে অজু করা এবং সহিহ তাজবিদ মেনে তেলাওয়াত করায় বেশি নজর দেওয়া হয়। তবে ইমাম গাজালির মতে, পবিত্র অজুর পানি যেমন মানুষের শরীরের বাহ্যিক ময়লা দূর করে, তেমনি মনের কলুষতা দূর না হলে কোরআনের গভীর অর্থ মানুষের চিন্তায় ধরা দেয় না। তাই পাঠের শুরুতেই নিজেকে প্রস্তুত করে মনের ভেতর থেকে সব পার্থিব চিন্তা দূর করা প্রয়োজন।

ইমাম গাজালি স্মরণ করিয়ে দেন যে, কোরআনের বাণী কোনো সাধারণ মানুষের সৃষ্টি নয়। এটি আসমান, জমিন এবং পুরো সৃষ্টিজগতের একচ্ছত্র অধিপতি মহান আল্লাহর নিজের কথা। যাঁর নিয়ন্ত্রণে সব কিছু পরিচালিত হচ্ছে, সেই পরম স্রষ্টার জ্ঞান ও প্রজ্ঞাই তাঁর বাণীর মধ্যে প্রতিফলিত হয়েছে। এই ভাবনাটি তেলাওয়াতকারীর অন্তরে এলে কোরআনের প্রতিটি আয়াতের ওজন ও গভীরতা সহজেই অনুভব করা যায়।

ধর্মীয় পণ্ডিতরা বলছেন, বর্তমান সময়ে নিয়মমাফিক কোরআন পড়া হলেও এর অন্তর্নিহিত শিক্ষা ব্যক্তিজীবনে খুব কমই প্রভাব ফেলছে। ইমাম গাজালির এই বিশ্লেষণ মানুষকে কোরআনের নির্দেশগুলো হৃদয় দিয়ে বোঝার এবং বাস্তব জীবনে প্রয়োগ করার নতুন পথ দেখায়। কোরআনের বাণীর সঙ্গে আত্মিক সংযোগ গড়ে তোলার মাধ্যমে একজন মানুষ সত্যিকার অর্থে পথনির্দেশ পেতে পারে।

চলতি নিউজ দৃষ্টিভঙ্গি ও বিশ্লেষণ • নিরপেক্ষ এআই মতামত

“ইমাম গাজালির এই দর্শন ধর্মগ্রন্থ পাঠকে যান্ত্রিক আচার থেকে বের করে একটি আত্মিক ও মানসিক উপলব্ধির পর্যায়ে নিয়ে যায়। শুধু বাহ্যিক আচার-অনুষ্ঠানের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে অর্থ বুঝে পড়ার গুরুত্ব তুলে ধরা হয়েছে এখানে।”

প্রতিবেদনটি বস্তুনিষ্ঠ সম্পাদকীয় নীতি ও মাঠপর্যায়ের তথ্য যাচাই করে প্রকাশিত।
চলতি ডিজিটাল নিউজরুম