দাকোপে নদীভাঙনের সামনে দাঁড়িয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে টেকসই বেড়িবাঁধের দাবি
1-Click Audio Report (Universal Voice)

খুলনার দাকোপে বটবুনিয়া এলাকার নদীভাঙনের পাশে দাঁড়িয়েই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সকাল ১০টা ২৮ মিনিটে প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী হেলিকপ্টার দাকোপের নলিয়ান মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে নির্মিত হেলিপ্যাডে অবতরণ করে।
- খুলনার দাকোপে বটবুনিয়া এলাকার নদীভাঙনের পাশে দাঁড়িয়েই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
- বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সকাল ১০টা ২৮ মিনিটে প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী হেলিকপ্টার দাকোপের নলিয়ান মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে নির্মিত হেলিপ্যাডে অবতরণ করে।
- পরে পায়ে হেঁটে নলিয়ান কোস্টগার্ডের পল্টুনে যান তিনি।
National Investment & Sovereign Savings Bond Scheme
Secure high guaranteed yields backed by official treasury securities.
খুলনার দাকোপে বটবুনিয়া এলাকার নদীভাঙনের পাশে দাঁড়িয়েই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সকাল ১০টা ২৮ মিনিটে প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী হেলিকপ্টার দাকোপের নলিয়ান মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে নির্মিত হেলিপ্যাডে অবতরণ করে। পরে পায়ে হেঁটে নলিয়ান কোস্টগার্ডের পল্টুনে যান তিনি। সকাল ১০টা ৪৮ মিনিটে সেখান থেকে নৌপথে মোংলার উদ্দেশে রওনা হন প্রধানমন্ত্রী।
এর আগে, নলিয়ান বাজার মোড়ে অপেক্ষমাণ শত শত মানুষের সঙ্গে হাত নেড়ে শুভেচ্ছা বিনিময় ও করমর্দন করেন তারেক রহমান। তাকে একনজর দেখতে সকাল থেকেই সেখানে ভিড় করেন স্থানীয় বাসিন্দারা। সরকারপ্রধানের আগমন ঘিরে দুর্গম এ উপকূলীয় জনপদে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রোববার (১১ অক্টোবর) সকাল ৮টার দিকে ঢাকী নদীর প্রবল জোয়ার ও স্রোতের চাপে তিলডাঙা ইউনিয়নের বটবুনিয়া গ্রামে পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) ৩১ নম্বর পোল্ডারের বাঁধের প্রায় ৪০ মিটার অংশ ধসে যায়।
এ ঘটনায় আশপাশের ১৩টি পরিবার তাৎক্ষণিক প্লাবিত হয়। সেদিন নদীতে ভাটা চলায় লোকালয়ে পানি প্রবেশ করতে পারেনি। বটবুনিয়া ভাঙনকবলিত জায়গায় দাঁড়িয়ে প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণে ‘মানুষ বাঁচলে উপকূল বাঁচবে, টেকসই বাঁধেই নিরাপত্তা আসবে’, ‘ত্রাণ নায়, টেকসই বেড়িবাঁধ উপকূলবাসির প্রাণের দাবি’- এসব স্লোগান সম্বলিত প্লাকার্ড হাতে নিয়ে জড়ো হন স্থানীয়রা। তিলডাঙা ইউনিয়নের তরুণ সমাজসেবক মঈনুর রহমান মঈন বলেন, প্রতি বছর এই সময়ে আমাদের এলাকার বেড়িবাঁধ ভেঙে নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়।
ভাঙনে হাজার হাজার বিঘা ফসলি জমি, বসতবাড়িসহ ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান বিলীন হয়ে প্রায় নিঃস্ব এখানকার মানুষ। টেকসই বেড়িবাঁধ না হলে এ অঞ্চল নদীগর্ভে প্লাবিত হয়ে মানুষ হাহাকার করবে। প্রধানমন্ত্রীর আগমনে আমাদের দাবি টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণ করে উপকূলের মানুষের জন্য নিরাপদ বাসস্থান গড়ে তোলা ও উন্নত যোগাযোগব্যবস্থার নিশ্চিত করা। জানতে চাইলে খুলনা পাউবোর (বিভাগ-২) নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রাশিদুর রহমান কালবেলাকে বলেন, ভাঙনরোধে তাৎক্ষণিক জিও ব্যাগের মাধ্যমে বালু ফেলে পানি আটকানো হয়। ভাঙন জায়গায় ঠিকাদারের মাধ্যমে বর্তমান কাজ চলমান রয়েছে। নকশা পরিবর্তনের মাধ্যমে নতুন করে টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণ করা হবে জানান এই প্রকৌশলী।
“In evaluating developments in Dhaka, institutional accountability and long-term public welfare must remain the guiding benchmarks for sustainable progress.”
Digital Innovation Summit 2026
Join South Asia's leading tech and AI entrepreneurship summit.
