সাজেকে আটকে পড়া ২৩০০ পর্যটক উদ্ধার, পরিস্থিতি স্বাভাবিক: পুলিশ
1-Click Audio Report (Universal Voice)

রাঙ্গামাটির সাজেকে অবরোধের মধ্যে উজোবাজার এলাকায় আটকে পড়া ২ হাজার ৩০০ পর্যটককে উদ্ধার করা হয়েছে। এ সময় অবরোধকারীদের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে।
- রাঙ্গামাটির সাজেকে অবরোধের মধ্যে উজোবাজার এলাকায় আটকে পড়া ২ হাজার ৩০০ পর্যটককে উদ্ধার করা হয়েছে।
- এ সময় অবরোধকারীদের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে।
- এতে সেনাবাহিনীর পাঁচ সদস্য ও পুলিশের দুই সদস্য আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন রাঙ্গামাটির পুলিশ সুপার (এসপি) মুহাম্মদ আব্দুর রকিব।
National Investment & Sovereign Savings Bond Scheme
Secure high guaranteed yields backed by official treasury securities.
রাঙ্গামাটির সাজেকে অবরোধের মধ্যে উজোবাজার এলাকায় আটকে পড়া ২ হাজার ৩০০ পর্যটককে উদ্ধার করা হয়েছে। এ সময় অবরোধকারীদের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে। এতে সেনাবাহিনীর পাঁচ সদস্য ও পুলিশের দুই সদস্য আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন রাঙ্গামাটির পুলিশ সুপার (এসপি) মুহাম্মদ আব্দুর রকিব। সাজেক কার্বারি অ্যাসোসিয়েশন ও সাজেক গণঅধিকার রক্ষা কমিটির ডাকে আজ বৃহস্পতিবার সকাল ৬টা থেকে সাজেক সড়কের উজোবাজারসহ বিভিন্ন স্থানে গাছের গুঁড়ি ফেলে সড়ক আটকে দেন অবরোধকারীরা। সকাল সাড়ে ৮টার দিকে সাজেক ভ্যালি থেকে ফেরার পথে উজোবাজার এলাকায় পর্যটকদের আটকে দেন অবরোধকারীরা।
এতে ২ হাজার ৩০০ পর্যটক আটকা পড়েন। পরে অবরোধকারীদের সঙ্গে পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার পর আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাদের সড়ক থেকে সরিয়ে দেয় এবং পর্যটকদের খাগড়াছড়ির দিকে নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করে। এদিকে, আজ দুপুর আড়াইটায় নিজ কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার আব্দুর রকিব বলেন, সকালে সাজেক ভ্যালি থেকে ফেরার পথে উজোবাজারে পৌঁছালে পর্যটকদের আটকে দেন অবরোধকারীরা। সেনাবাহিনী ও পুলিশের সদস্যরা কথা বলতে গেলে অবরোধকারীরা ইটপাটকেল নিক্ষেপ করেন। পর্যটকবাহী গাড়িগুলো এগিয়ে যাওয়ার সময় পর্যটক ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের লক্ষ্য করে গুলি চালায় ইউপিডিএফ।
পর্যটকদের নিরাপত্তায় পরে সেনাবাহিনী ও পুলিশ পাল্টা গুলি চালায়। তিনি আরও বলেন, পর্যটকরা নিরাপদে চলে যাওয়ার পর সকাল ১১টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও সশস্ত্র দলটির মধ্যে থেমে থেমে গোলাগুলি চলে। দুপুর ১টার পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। বর্তমানে সাজেকের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক। এ ঘটনায় কোনো পর্যটক আহত হননি।
তবে অবরোধকারীদের ছোড়া ইটের আঘাতে সেনাবাহিনীর চার থেকে পাঁচজন সদস্য এবং পুলিশের দুই সদস্য আহত হয়েছেন। এদিকে, সাজেকে সেনাবাহিনী ও একটি সশস্ত্র দলের মধ্যে গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে বলে প্রকাশিত খবরটি ‘সম্পূর্ণ মিথ্যা’ ও ‘বানোয়াট’ বলে দাবি করেছে ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট (ইউপিডিএফ)। বিকেলে এক বিবৃতিতে ইউপিডিএফের মুখপাত্র অংগ্য মারমা বলেন, স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে নিরাপত্তা বাহিনী ও একটি সশস্ত্র দলের মধ্যে গোলাগুলির ঘটনা ঘটার খবরের পক্ষে কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। বরং সাজেক থেকে জেএসএস সন্তু গ্রুপের একটি সশস্ত্র দলের সদস্যদের প্রত্যাহারের দাবিতে স্থানীয় বাসিন্দারা শান্তিপূর্ণভাবে সড়ক অবরোধ করলে তা বানচাল করতে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা নিজেরাই বিভিন্ন দিকে গুলি ছোড়েন। শান্তিপূর্ণ অবরোধকারীদের ওপর নৃশংস হামলা, লাঠিপেটা, বাড়িঘর ভাঙচুর ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের ঘটনারও নিন্দা জানান অংগ্য মারমা। সাজেকের মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তাদের যৌক্তিক দাবিগুলো অবিলম্বে মেনে নেওয়া, এলাকা থেকে জেএসএস সন্তু গ্রুপের সশস্ত্র সদস্যদের প্রত্যাহার এবং তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য কর্তৃপক্ষের প্রতি দাবি জানান তিনি।
“In evaluating developments in Dhaka, institutional accountability and long-term public welfare must remain the guiding benchmarks for sustainable progress.”
Digital Innovation Summit 2026
Join South Asia's leading tech and AI entrepreneurship summit.
