সব ওষুধ কিনতে হয় রোগীর, দুঃখ প্রকাশ করে টাকা দিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী
1-Click Audio Report (Universal Voice)

ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যমজ সন্তানের জন্ম দিয়েছেন শিউলি আক্তার নামের এক নারী। সন্তান জন্মের পর চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় ওষুধ, স্যালাইন এমনকি গ্লাভসও কিনতে হয়েছে তাঁকে।
- ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যমজ সন্তানের জন্ম দিয়েছেন শিউলি আক্তার নামের এক নারী।
- সন্তান জন্মের পর চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় ওষুধ, স্যালাইন এমনকি গ্লাভসও কিনতে হয়েছে তাঁকে।
- আজ শনিবার স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন হাসপাতাল পরিদর্শনে গেলে তাঁর কাছে এ অভিযোগ করেন শিউলি আক্তার।
National Investment & Sovereign Savings Bond Scheme
Secure high guaranteed yields backed by official treasury securities.
ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যমজ সন্তানের জন্ম দিয়েছেন শিউলি আক্তার নামের এক নারী। সন্তান জন্মের পর চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় ওষুধ, স্যালাইন এমনকি গ্লাভসও কিনতে হয়েছে তাঁকে। আজ শনিবার স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন হাসপাতাল পরিদর্শনে গেলে তাঁর কাছে এ অভিযোগ করেন শিউলি আক্তার। এ সময় দুঃখ প্রকাশ করে মন্ত্রী স্যালাইন কেনার জন্য শিউলির হাতে এক হাজার টাকা দেন। আজ দুপুরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ঝটিকা পরিদর্শনে যান স্বাস্থ্যমন্ত্রী।
শিউলি আক্তার ময়মনসিংহ সদর উপজেলার শিকারিকান্দা গ্রামের বাসিন্দা। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, গতকাল হাসপাতালে ভর্তির পর অস্ত্রোপচারে তাঁর যমজ ছেলে হয়েছে। হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর প্রয়োজনীয় সব ওষুধ নিজেদের টাকায় কিনতে হয়েছে। সরকারিভাবে কোনো ওষুধ পাননি। এমনকি গ্লাভসও কিনতে হয়েছে তাঁকে।
মন্ত্রীকে বলার পর স্যালাইন কেনার জন্য ১ হাজার টাকা তাঁকে দেওয়া হয়েছে। তবে হাসপাতালের সেবা আরও উন্নত করার পাশাপাশি সব রোগী যেন যথাযথ চিকিৎসা পান, সেই প্রত্যাশার কথাও জানান তিনি। এর আগে সকাল থেকে ফুলপুর ও তারাকান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শন করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। ফুলপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঁচজন চিকিৎসককে অনুপস্থিত পেয়ে তাঁদের এক দিনের বেতন কাটার নির্দেশ দেন তিনি। বেলা ১১টা ৫২ মিনিটে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পৌঁছে প্রথমে হাসপাতালের নতুন ভবনে গত ১৪ সেপ্টেম্বর অগ্নিকাণ্ডের স্থান পরিদর্শন করেন মন্ত্রী।
পরে হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. জাকির হোসেনের কক্ষে গিয়ে চিকিৎসকদের ডিজিটাল ও ম্যানুয়াল হাজিরা খতিয়ে দেখেন। এ সময় নির্ধারিত সময়ে উপস্থিত না হওয়া এবং বিনা কারণে অনুপস্থিত থাকার ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি। পরে হাসপাতালের প্রসূতি, ডেঙ্গু ও হাম ওয়ার্ড ঘুরে রোগীদের সঙ্গে কথা বলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। চিকিৎসাসেবা পেতে কোনো ধরনের হয়রানি হচ্ছে কি না, তা জানতে চান। হাসপাতালের খাবারের মান যাচাইয়ের পাশাপাশি শৌচাগারগুলোর অবস্থাও দেখেন তিনি।
“In evaluating developments in Dhaka, institutional accountability and long-term public welfare must remain the guiding benchmarks for sustainable progress.”
Digital Innovation Summit 2026
Join South Asia's leading tech and AI entrepreneurship summit.
