বিসিএস অনশন থেকে ছাত্রলীগের চার নেতাকে পুলিশে দিল ছাত্রদল
১-ক্লিকে সম্পূর্ণ খবর শুনুন (অনলাইন অডিও)

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের সামনে ৪৫তম বিসিএসে গেজেটবঞ্চিতদের অনশন কর্মসূচি থেকে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের চার নেতাকে আটক করে পুলিশে দিয়েছে ছাত্রদল। বৃহস্পতিবার গভীর রাতে প্রক্টরিয়াল টিমের উপস্থিতিতে তাঁদের শাহবাগ থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।
- রাজু ভাস্কর্যের সামনে ৪৫তম বিসিএসের অনশন কর্মসূচি থেকে ছাত্রলীগের চার নেতাকে আটক করা হয়েছে।
- বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টরিয়াল টিমের উপস্থিতিতে তাঁদের শাহবাগ থানা পুলিশের কাছে তুলে দেয় ছাত্রদল।
- আটক ব্যক্তিরা ছাত্রলীগ সংশ্লিষ্টতার বিষয়টি স্বীকার করেছেন এবং পুলিশ বিষয়টি যাচাই-বাছাই করছে।
আধুনিক ফুল-স্ট্যাক ও এআই ডেভেলপমেন্ট বুটক্যাম্প
ঘরে বসেই ক্যারিয়ার গড়ুন বিশ্বমানের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে। সীমিত আসন!
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সন্ত্রাসবিরোধী রাজু ভাস্কর্যের সামনে ৪৫তম বিসিএসে গেজেটবঞ্চিতদের অনশন কর্মসূচি চলছিল। সেই কর্মসূচি থেকে নিষিদ্ধ সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের চার নেতাকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল। বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত সোয়া ১২টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টরিয়াল টিমের সহযোগিতায় তাঁদের শাহবাগ থানায় নিয়ে যায় পুলিশ। ঘটনাস্থলেই আটক ব্যক্তিরা নিজেদের বিভিন্ন হলের সাবেক পদধারী নেতা হিসেবে স্বীকার করেন।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত বুধবার বিকেল থেকে রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে বিসিএস পরীক্ষার্থীরা অবস্থান নিয়ে অনশন শুরু করেন। একপর্যায়ে ওই কর্মসূচিতে নিষিদ্ধ সংগঠনের সক্রিয় নেতা-কর্মীরা অংশ নিয়েছেন বলে খবর পায় ছাত্রদল। এরপর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দিন শাওনের নেতৃত্বে একদল নেতা-কর্মী সেখানে উপস্থিত হন। তাঁরা চারজনকে চিহ্নিত করে প্রক্টরিয়াল টিমকে অবহিত করেন এবং পরে পুলিশ তাঁদের হেফাজতে নেয়।
আটককৃতদের মধ্যে রয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শেখ মুজিবুর রহমান হল ছাত্রলীগের সাবেক সহসম্পাদক ফেরদৌস খান ও অমর একুশে হলের সাবেক সহসভাপতি একরাম গাজী হৃদয়। এ ছাড়া বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের আশরাফুল হক হল ছাত্রলীগের সাবেক উপসাধারণ সম্পাদক হাবিবুল ইসলাম এবং একই হলের সাবেক শিক্ষা ও পাঠচক্র সম্পাদক মনিরুজ্জামান মনিরকেও আটক করা হয়। ছাত্রদল নেতারা জানান, নিষিদ্ধ সংগঠনের সদস্যদের সাধারণ শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে অনুপ্রবেশ ঠেকাতেই তাঁদের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে।
নীলক্ষেত পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ কামাল উদ্দিন জানান, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সহায়তায় চারজনকে শাহবাগ থানায় নেওয়া হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তাঁরা নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের বিভিন্ন দায়িত্বে থাকার বিষয়টি স্বীকার করেছেন। তাঁদের রাজনৈতিক অতীত ও কোনো ধরনের নাশকতার পরিকল্পনা ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
“সরকারি চাকরিতে নিয়োগবঞ্চিতদের যৌক্তিক আন্দোলনগুলোর সুযোগ নিয়ে কোনো রাজনৈতিক গোষ্ঠী বা নিষিদ্ধ সংগঠনের অনুপ্রবেশ যাতে অস্থিরতা তৈরি করতে না পারে, সে বিষয়ে ক্যাম্পাস প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সতর্ক থাকতে হবে। একই সঙ্গে আইন নিজের হাতে তুলে না নিয়ে প্রশাসনের মাধ্যমে যাচাই-বাছাইয়ের প্রক্রিয়া বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি।”
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ স্টার্টআপ ও এআই কনফারেন্স
রেজিস্ট্রেশন চলছে। এখনই আপনার আসন নিশ্চিত করুন।



