Read in English
পাঠক সুবিধা:
রাজনীতিঢাকানারায়ণগঞ্জ

হেফাজতের ‘মুরব্বিয়ানায়’ কওমি ঘরানার সাত দলের জোট

চলতি ডেস্কআজ
১০ বার পঠিতপড়ার সময়: ২ মিনিট
এআই নিউরাল অডিও সংবাদ

১-ক্লিকে সম্পূর্ণ খবর শুনুন (অনলাইন অডিও)

০০:০০গুগল নিউরাল অডিও ভয়েস০০:০০
হেফাজতের ‘মুরব্বিয়ানায়’ কওমি ঘরানার সাত দলের জোট
পূর্ণাঙ্গ ভিউ
ছবি: সংগৃহীত • চলতি নিউজ স্পেশাল কাভারেজ
একনজরে মূল বিষয় ও সারসংক্ষেপ

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে জোটবদ্ধ হয়ে অংশ নেওয়া যায় কি না, তা নিয়ে আলোচনা করেছে কওমি ঘরানার সাতটি ইসলামি রাজনৈতিক দল। তবে এ বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। আগামী ৫ ডিসেম্বর পরবর্তী বৈঠকে বিষয়টি নিয়ে আরও আলোচনা হবে। এর মধ্যে অনানুষ্ঠানিক আলোচনাও চলবে। আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর খিলগাঁওয়ের আল-জামিয়াতুল ইসলামিয়া মাখজানুল উলুম (ঢাকা) মাদ্রাসায় সাত দলের লিয়াজোঁ কমিটির বৈঠকে এ আলোচনা হয়। সাত দলের এই ঐক্য প্রক্রিয়ায় রয়েছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ, খেলাফত মজলিস, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, ইসলামী ঐক্যজোট ও বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টি। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের মহাসচিব মাওলানা সাজিদুর রহমান। সকাল সাড়ে ১০টায় শুরু হয়ে বেলা একটা পর্যন্ত চলা বৈঠকে সাত দলের লিয়াজোঁ কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। হেফাজতের সাংগঠনিক সম্পাদক মুফতি বশির উল্লাহ, নারায়ণগঞ্জ জেলার সভাপতি মাওলানা আবদুল আউয়াল ও হেফাজত আমিরের ছেলে মুফতি আইয়ুব বাবুনগরীও বৈঠকে ছিলেন। স্থানীয় সরকার নির্বাচনে জোটবদ্ধ হয়ে অংশ নেওয়া যায় কি না, তা নিয়ে আলোচনা করেছে কওমি ঘরানার সাতটি ইসলামি রাজনৈতিক দল। তবে এ বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। আগামী ৫ ডিসেম্বর পরবর্তী বৈঠকে বিষয়টি নিয়ে আরও আলোচনা হবে। এর মধ্যে অনানুষ্ঠানিক আলোচনাও চলবে। আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর খিলগাঁওয়ের আল-জামিয়াতুল ইসলামিয়া মাখজানুল উলুম (ঢাকা) মাদ্রাসায় সাত দলের লিয়াজোঁ কমিটির বৈঠকে এ আলোচনা হয়। সাত দলের এই ঐক্য প্রক্রিয়ায় রয়েছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ, খেলাফত মজলিস, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, ইসলামী ঐক্যজোট ও বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টি। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের মহাসচিব মাওলানা সাজিদুর রহমান। সকাল সাড়ে ১০টায় শুরু হয়ে বেলা একটা পর্যন্ত চলা বৈঠকে সাত দলের লিয়াজোঁ কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। হেফাজতের সাংগঠনিক সম্পাদক মুফতি বশির উল্লাহ, নারায়ণগঞ্জ জেলার সভাপতি মাওলানা আবদুল আউয়াল ও হেফাজত আমিরের ছেলে মুফতি আইয়ুব বাবুনগরীও বৈঠকে ছিলেন। বৈঠক সূত্র জানায়, বৈঠকে সাতদলীয় ঐক্যের কাঠামো, অভিন্ন ব্যানারে কার্যক্রম পরিচালনা, রাজনৈতিক জোটের সঙ্গে সম্পর্ক এবং পরবর্তী কর্মপন্থা নিয়ে আলোচনা হয়। আগামী ৫ ডিসেম্বর পরবর্তী বৈঠকে ঐক্যের নীতিমালা ও কর্মপদ্ধতি নিয়ে আরও আলোচনা হবে। বৈঠকে অংশ নেওয়া নেতারা জানান, জামায়াতে ইসলামী এককভাবে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ নিতে চায়। এ পরিস্থিতিতে জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১–দলীয় নির্বাচনী ঐক্যে থাকা দলগুলো কীভাবে স্থানীয় নির্বাচনে অংশ নেবে, তা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। কওমি ঘরানার সাত দলের ঐক্যপ্রক্রিয়া এগোতে থাকায় ওই ঐক্যে থাকা দলগুলো নতুন এই ব্যানারে নির্বাচনে অংশ নিতে পারে কি না, তা নিয়েও কথা হয়েছে। বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির মহাসচিব মুসা বিন ইযহার প্রথম আলোকে বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে সাত দল একসঙ্গে অংশ নিতে পারে কি না, সে বিষয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়েছে। এ আলোচনাকে তাঁরা ইতিবাচকভাবে দেখছেন এবং স্থানীয় নির্বাচনে সাত দল জোটবদ্ধ হয়ে নির্বাচন করলে তাঁরা এতে থাকবেন। সাত দল স্থানীয় সরকার নির্বাচনে জোটবদ্ধ হয়ে অংশ নিতে পারে কি না, সে বিষয়ে প্রাথমিক আলোচনা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব গাজী আতাউর রহমানও। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, এ বিষয়ে আগামী ৫ ডিসেম্বরের বৈঠকে আরও আলোচনা হবে। এর মাঝে অনানুষ্ঠানিক আলোচনাও হতে পারে। বৈঠক সূত্র জানায়, বৈঠকে সাতদলীয় ঐক্যের কাঠামো, অভিন্ন ব্যানারে কার্যক্রম পরিচালনা, রাজনৈতিক জোটের সঙ্গে সম্পর্ক এবং পরবর্তী কর্মপন্থা নিয়ে আলোচনা হয়। আগামী ৫ ডিসেম্বর পরবর্তী বৈঠকে ঐক্যের নীতিমালা ও কর্মপদ্ধতি নিয়ে আরও আলোচনা হবে। বৈঠকে অংশ নেওয়া নেতারা জানান, জামায়াতে ইসলামী এককভাবে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ নিতে চায়। এ পরিস্থিতিতে জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১–দলীয় নির্বাচনী ঐক্যে থাকা দলগুলো কীভাবে স্থানীয় নির্বাচনে অংশ নেবে, তা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। কওমি ঘরানার সাত দলের ঐক্যপ্রক্রিয়া এগোতে থাকায় ওই ঐক্যে থাকা দলগুলো নতুন এই ব্যানারে নির্বাচনে অংশ নিতে পারে কি না, তা নিয়েও কথা হয়েছে।

গুরুত্বপূর্ণ ৩টি তথ্য
  • স্থানীয় সরকার নির্বাচনে জোটবদ্ধ হয়ে অংশ নেওয়া যায় কি না, তা নিয়ে আলোচনা করেছে কওমি ঘরানার সাতটি ইসলামি রাজনৈতিক দল। তবে
বিজ্ঞাপনটেক একাডেমি বাংলাদেশ

আধুনিক ফুল-স্ট্যাক ও এআই ডেভেলপমেন্ট বুটক্যাম্প

ঘরে বসেই ক্যারিয়ার গড়ুন বিশ্বমানের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে। সীমিত আসন!

ভর্তি হতে ক্লিক করুন

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে জোটবদ্ধ হয়ে অংশ নেওয়া যায় কি না, তা নিয়ে আলোচনা করেছে কওমি ঘরানার সাতটি ইসলামি রাজনৈতিক দল। তবে এ বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। আগামী ৫ ডিসেম্বর পরবর্তী বৈঠকে বিষয়টি নিয়ে আরও আলোচনা হবে। এর মধ্যে অনানুষ্ঠানিক আলোচনাও চলবে।

আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর খিলগাঁওয়ের আল-জামিয়াতুল ইসলামিয়া মাখজানুল উলুম (ঢাকা) মাদ্রাসায় সাত দলের লিয়াজোঁ কমিটির বৈঠকে এ আলোচনা হয়। সাত দলের এই ঐক্য প্রক্রিয়ায় রয়েছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ, খেলাফত মজলিস, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, ইসলামী ঐক্যজোট ও বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টি।

বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের মহাসচিব মাওলানা সাজিদুর রহমান। সকাল সাড়ে ১০টায় শুরু হয়ে বেলা একটা পর্যন্ত চলা বৈঠকে সাত দলের লিয়াজোঁ কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। হেফাজতের সাংগঠনিক সম্পাদক মুফতি বশির উল্লাহ, নারায়ণগঞ্জ জেলার সভাপতি মাওলানা আবদুল আউয়াল ও হেফাজত আমিরের ছেলে মুফতি আইয়ুব বাবুনগরীও বৈঠকে ছিলেন।

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে জোটবদ্ধ হয়ে অংশ নেওয়া যায় কি না, তা নিয়ে আলোচনা করেছে কওমি ঘরানার সাতটি ইসলামি রাজনৈতিক দল। তবে এ বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। আগামী ৫ ডিসেম্বর পরবর্তী বৈঠকে বিষয়টি নিয়ে আরও আলোচনা হবে। এর মধ্যে অনানুষ্ঠানিক আলোচনাও চলবে।

আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর খিলগাঁওয়ের আল-জামিয়াতুল ইসলামিয়া মাখজানুল উলুম (ঢাকা) মাদ্রাসায় সাত দলের লিয়াজোঁ কমিটির বৈঠকে এ আলোচনা হয়। সাত দলের এই ঐক্য প্রক্রিয়ায় রয়েছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ, খেলাফত মজলিস, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, ইসলামী ঐক্যজোট ও বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টি।

বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের মহাসচিব মাওলানা সাজিদুর রহমান। সকাল সাড়ে ১০টায় শুরু হয়ে বেলা একটা পর্যন্ত চলা বৈঠকে সাত দলের লিয়াজোঁ কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। হেফাজতের সাংগঠনিক সম্পাদক মুফতি বশির উল্লাহ, নারায়ণগঞ্জ জেলার সভাপতি মাওলানা আবদুল আউয়াল ও হেফাজত আমিরের ছেলে মুফতি আইয়ুব বাবুনগরীও বৈঠকে ছিলেন।

বৈঠক সূত্র জানায়, বৈঠকে সাতদলীয় ঐক্যের কাঠামো, অভিন্ন ব্যানারে কার্যক্রম পরিচালনা, রাজনৈতিক জোটের সঙ্গে সম্পর্ক এবং পরবর্তী কর্মপন্থা নিয়ে আলোচনা হয়। আগামী ৫ ডিসেম্বর পরবর্তী বৈঠকে ঐক্যের নীতিমালা ও কর্মপদ্ধতি নিয়ে আরও আলোচনা হবে।

বৈঠকে অংশ নেওয়া নেতারা জানান, জামায়াতে ইসলামী এককভাবে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ নিতে চায়। এ পরিস্থিতিতে জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১–দলীয় নির্বাচনী ঐক্যে থাকা দলগুলো কীভাবে স্থানীয় নির্বাচনে অংশ নেবে, তা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। কওমি ঘরানার সাত দলের ঐক্যপ্রক্রিয়া এগোতে থাকায় ওই ঐক্যে থাকা দলগুলো নতুন এই ব্যানারে নির্বাচনে অংশ নিতে পারে কি না, তা নিয়েও কথা হয়েছে।

বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির মহাসচিব মুসা বিন ইযহার প্রথম আলোকে বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে সাত দল একসঙ্গে অংশ নিতে পারে কি না, সে বিষয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়েছে। এ আলোচনাকে তাঁরা ইতিবাচকভাবে দেখছেন এবং স্থানীয় নির্বাচনে সাত দল জোটবদ্ধ হয়ে নির্বাচন করলে তাঁরা এতে থাকবেন।

সাত দল স্থানীয় সরকার নির্বাচনে জোটবদ্ধ হয়ে অংশ নিতে পারে কি না, সে বিষয়ে প্রাথমিক আলোচনা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব গাজী আতাউর রহমানও। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, এ বিষয়ে আগামী ৫ ডিসেম্বরের বৈঠকে আরও আলোচনা হবে। এর মাঝে অনানুষ্ঠানিক আলোচনাও হতে পারে।

বৈঠক সূত্র জানায়, বৈঠকে সাতদলীয় ঐক্যের কাঠামো, অভিন্ন ব্যানারে কার্যক্রম পরিচালনা, রাজনৈতিক জোটের সঙ্গে সম্পর্ক এবং পরবর্তী কর্মপন্থা নিয়ে আলোচনা হয়। আগামী ৫ ডিসেম্বর পরবর্তী বৈঠকে ঐক্যের নীতিমালা ও কর্মপদ্ধতি নিয়ে আরও আলোচনা হবে।

বৈঠকে অংশ নেওয়া নেতারা জানান, জামায়াতে ইসলামী এককভাবে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ নিতে চায়। এ পরিস্থিতিতে জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১–দলীয় নির্বাচনী ঐক্যে থাকা দলগুলো কীভাবে স্থানীয় নির্বাচনে অংশ নেবে, তা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। কওমি ঘরানার সাত দলের ঐক্যপ্রক্রিয়া এগোতে থাকায় ওই ঐক্যে থাকা দলগুলো নতুন এই ব্যানারে নির্বাচনে অংশ নিতে পারে কি না, তা নিয়েও কথা হয়েছে।

প্রতিবেদনটি বস্তুনিষ্ঠ সম্পাদকীয় নীতি ও মাঠপর্যায়ের তথ্য যাচাই করে প্রকাশিত।
চলতি ডিজিটাল নিউজরুম