বলাৎকার ও ধর্ষণের বিরুদ্ধে আলেম সমাজের বড় অংশকে সোচ্চার হতে দেখি না
১-ক্লিকে সম্পূর্ণ খবর শুনুন (অনলাইন অডিও)

বলাৎকার ও ধর্ষণের বিরুদ্ধে আলেম সমাজের বড় অংশকে সোচ্চার হতে দেখেন না— বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক ও সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা আসিফ নজরুল। শনিবার (২৪ অক্টোবর) নিজ ফেসবুক ওয়ালে দেওয়া এক পোস্টে এ কথা বলেন তিনি।
- বলাৎকার ও ধর্ষণের বিরুদ্ধে আলেম সমাজের বড় অংশকে সোচ্চার হতে দেখেন না— বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক ও সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা আসিফ নজরুল।
- শনিবার (২৪ অক্টোবর) নিজ ফেসবুক ওয়ালে দেওয়া এক পোস্টে এ কথা বলেন তিনি।
- পোস্টে বলেন, বাংলাদেশের আলেম সমাজে অনেক শ্রদ্ধেয় মানুষ আছেন।
আধুনিক ফুল-স্ট্যাক ও এআই ডেভেলপমেন্ট বুটক্যাম্প
ঘরে বসেই ক্যারিয়ার গড়ুন বিশ্বমানের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে। সীমিত আসন!
বলাৎকার ও ধর্ষণের বিরুদ্ধে আলেম সমাজের বড় অংশকে সোচ্চার হতে দেখেন না— বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক ও সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা আসিফ নজরুল। শনিবার (২৪ অক্টোবর) নিজ ফেসবুক ওয়ালে দেওয়া এক পোস্টে এ কথা বলেন তিনি। পোস্টে বলেন, বাংলাদেশের আলেম সমাজে অনেক শ্রদ্ধেয় মানুষ আছেন। হজ করতে গিয়ে, নামাজের সময় কিংবা ইসলামী বয়ান শুনতে গিয়ে তাঁদের কাউকে কাউকে কাছে থেকে দেখেছি। আবার মাওলানা আহমাদুল্লাহর মতো কিছু আলেমের মানবিক কার্যক্রম দেখে মুগ্ধ হয়েছি।
কিন্তু তাদের বাইরেও বৃহত্তর আলেম সমাজে বহু মানুষ আছেন (যেমন: মাদ্রাসার শিক্ষক)। তিনি বলেন, এদের কেউ কেউ শিশুদের বলাৎকার ও ধর্ষণের মতো ভয়াবহ কবিরা গুনাহে লিপ্ত। এ ধরনের অপরাধে জড়িত ব্যক্তিদের সংখ্যা হয়তো কম, কিন্তু একেবারে নগণ্য নয়। তাঁরা দিনের পর দিন এমন জঘন্য পাপ করে চলেছেন, যে ধরনের পাপের কারণে আল্লাহ হজরত লুত (আ.)-এর সময়ের জাতিকে কঠোরতম শাস্তি দিয়েছিলেন। বলেন, আমার খুব অবাক লাগে যে, এসব অপরাধীর বিরুদ্ধে আলেম সমাজের বড় একটি অংশকে কখনো সোচ্চার হতে দেখি না।
খাবার, পোশাক, বিনোদন, বাক-স্বাধীনতা—নানা বিষয়েও তাঁরা ফতোয়া দেন। দু-একটি ক্ষেত্রে মব তৈরি করে মানুষকে হত্যা পর্যন্ত করা হয়। অথচ নিজেদের গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘটিত বলাৎকার ও ধর্ষণের মতো জঘন্যতম অপরাধের বিরুদ্ধে নেতৃস্থানীয় আলেম, জনপ্রিয় ধর্মীয় বক্তা বা হুজুররা কেন সোচ্চার হতে পারেন না। এ দেশে ইসলামবিরোধী নানা ষড়যন্ত্র রয়েছে উল্লেখ করে আসিফ নজরুল বলেন, আলেম সমাজকে বুঝতে হবে, মানুষের ভালোবাসা ও শ্রদ্ধার কারণেই তাঁরা এসব ষড়যন্ত্রের মধ্যেও সম্মানের সঙ্গে টিকে আছেন। কিন্তু বলাৎকার ও ধর্ষণের মতো অপরাধের বিরুদ্ধে সোচ্চার না হয়ে তাঁদের কেউ কেউ বরং অপরাধীদের প্রতি সহানুভূতি দেখাচ্ছেন।
এটি করলে এসব অপরাধের দায় কোনো না কোনোভাবে তাঁদের ওপরও বর্তাবে। তাঁদের অনেকে ভুল বোঝাবুঝির শিকার হবেন। সামগ্রিকভাবে আলেম সমাজের প্রতি মানুষের ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা কমে যাবে। এতে বিশেষ করে কওমি মাদ্রাসাগুলো নানাভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তিনি আরও বলেন, আশা করি, অচিরেই আলেম সমাজের নেতৃত্বের ঘুম ভাঙবে। মাদ্রাসায় বলাৎকার ও ধর্ষণের মতো জঘন্য অপরাধের বিরুদ্ধে ধর্মীয় অনুশাসনের আলোকে কঠোর বক্তব্য তাঁদের কাছ থেকে শুনতে পাব। অপরাধীদের বিরুদ্ধে তাঁরা নিজেরাই সোচ্চার হবেন এবং দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানাবেন।
“মন্ত্রিসভার কাঠামো পুনর্গঠন ও দপ্তর বণ্টন কেবল রাজনৈতিক ভারসাম্যের সমীকরণ নয়, বরং প্রতিটি মন্ত্রণালয়ের নীতি বাস্তবায়ন ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের গতির ওপরই সরকারের প্রকৃত সাফল্য নির্ভর করবে। জনগণের প্রত্যাশা পূরণে প্রাতিষ্ঠানিক জবাবদিহিতাই মূল মাপকাঠি।”
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ স্টার্টআপ ও এআই কনফারেন্স
রেজিস্ট্রেশন চলছে। এখনই আপনার আসন নিশ্চিত করুন।



