মইনুল রোডের বাসায় রাখা স্মৃতি ভাঙারির দোকান থেকে সংগ্রহ করেন নান্নু
১-ক্লিকে সম্পূর্ণ খবর শুনুন (অনলাইন অডিও)

আওয়ামী লীগ সরকারের সময় ঢাকা সেনানিবাসে মইনুল রোডে বিএনপি নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার বাড়ি ভেঙে দেওয়া হয়েছিল। সেই বাড়িতে রাখা অনেক স্মৃতির মধ্যে একটি উপহার ঢাকায় ভাঙারির দোকান থেকে সংগ্রহ করেছেন জাপান প্রবাসী শহিদুল ইসলাম নান্নু।
- আওয়ামী লীগ সরকারের সময় ঢাকা সেনানিবাসে মইনুল রোডে বিএনপি নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার বাড়ি ভেঙে দেওয়া হয়েছিল।
- সেই বাড়িতে রাখা অনেক স্মৃতির মধ্যে একটি উপহার ঢাকায় ভাঙারির দোকান থেকে সংগ্রহ করেছেন জাপান প্রবাসী শহিদুল ইসলাম নান্নু।
- প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবার জাপান সফরে এলে তার হাতে তুলে দেওয়া হবে পুরোনো স্মৃতি।
আধুনিক ফুল-স্ট্যাক ও এআই ডেভেলপমেন্ট বুটক্যাম্প
ঘরে বসেই ক্যারিয়ার গড়ুন বিশ্বমানের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে। সীমিত আসন!
আওয়ামী লীগ সরকারের সময় ঢাকা সেনানিবাসে মইনুল রোডে বিএনপি নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার বাড়ি ভেঙে দেওয়া হয়েছিল। সেই বাড়িতে রাখা অনেক স্মৃতির মধ্যে একটি উপহার ঢাকায় ভাঙারির দোকান থেকে সংগ্রহ করেছেন জাপান প্রবাসী শহিদুল ইসলাম নান্নু। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবার জাপান সফরে এলে তার হাতে তুলে দেওয়া হবে পুরোনো স্মৃতি। নান্নু জানিয়েছেন তারেক রহমান লন্ডনে থাকতে বলেছিলেন মাকে দেওয়া সেই স্মৃতি গ্রহণ করবেন আনুষ্ঠানিকভাবে। সোমবার (২৬ অক্টোবর) তারেক রহমান রাষ্ট্রীয় সফরে জাপানে আসছেন। তিন দিনের এই সফরের শেষ দিনে ২৮ অক্টোবর সংবর্ধনার আয়োজন করা হয়েছে।
সেখানেই তুলে দেওয়া হবে ভাঙারির দোকান থেকে খুঁজে পাওয়া উপহার। শহিদুল ইসলাম নান্নু বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন বেগম জিয়া তিন বার জাপান সফরে এসেছিলেন। তখন আমি উনাকে একটি এন্টিক উপহার দিয়েছিলাম। খুবই পছন্দ করেছিলেন। মইনুল রোডের বাসাটি যখন আওয়ামী লীগ সরকার ভেঙে দিয়েছিল, সেখানে অনেক দেশের দেওয়া উপহারও ছিল। আমার দেওয়া উপহারটি তিনি যত্নসহকারেই নিজ বাসায় রেখেছিলেন।
কিন্তু বাসা ভেঙে দেওয়ার পর অনেক স্মৃতি লণ্ডভণ্ড হয়ে যায়। আমার দেওয়া উপহারটি আমি খুঁজে পেয়েছিলাম ঢাকার একটি ভাঙারির দোকানে। সেখান থেকে পুনরায় চড়া মূল্যে সংগ্রহ করি। লন্ডনে থাকার সময় তারেক রহমান আমাকে বলেছিলেন তিনি জাপান সফরে গেলে নিজ হাতে মায়ের উপহার গ্রহণ করবেন। নান্নু বলেন, ‘এটি একটি সারপ্রাইজ রাখা হয়েছে। খালেদা জিয়া তিন বার জাপান সফর করেন।
তারেক রহমান জাপানে এসেছিলেন দুই বার। এবারই প্রথম তিনি জাপানে আসছেন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে। তাকে অভ্যর্থনা জানাতে টোকিওতে সফরের শেষ দিনে বাংলাদেশ-জাপান কমিউনিটির উদ্যোগে মতবিনিময় ও সংবর্ধনার আয়োজন করা হয়েছে। যেখানে প্রধানমন্ত্রীর স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমানও থাকবেন বলে জানিয়েছেন জাপান বিএনপির প্রধান উপদেষ্টা শহিদুল ইসলাম নান্নু। তিনি বলেন, ‘আমাদেরকে জানানো হয়েছে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কোনো রাজনীতির ব্যানারে সংবর্ধনা নেবেন না। বাংলাদেশি কমিউনিটির সঙ্গে মতবিনিময়ে বসবেন। জাপান-বাংলাদেশ সম্পর্ক শক্তিশালী করে দেশের উন্নয়নে কিভাবে কী করতে হবে আমাদের পরামর্শ শুনবেন এবং আমরা তার নির্দেশনা অনুসরণ করব।
“রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় মাঠপর্যায়ের নেতা-কর্মীদের মতামত ও গণতান্ত্রিক সংস্কৃতির বিকাশই জাতীয় স্থিতিশীলতার ভিত্তি। গঠনমূলক রাজনৈতিক প্রতিযোগিতা ও সংঘাতহীন পরিবেশ দেশ গঠনে ইতিবাচক প্রেরণা জোগাবে।”
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ স্টার্টআপ ও এআই কনফারেন্স
রেজিস্ট্রেশন চলছে। এখনই আপনার আসন নিশ্চিত করুন।



