মাদ্রাসায় নিপীড়ন বন্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস ধর্মমন্ত্রীর
১-ক্লিকে সম্পূর্ণ খবর শুনুন (অনলাইন অডিও)

ধর্মীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যৌন নিপীড়নের ঘটনাকে অত্যন্ত দুঃখজনক ও লজ্জাকর হিসেবে বর্ণনা করেছেন ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন কায়কোবাদ। শনিবার রাজধানীতে আয়োজিত এক সম্মেলনে তিনি জানান, এসব অপকর্ম বন্ধে প্রয়োজনীয় সব প্রশাসনিক পদক্ষেপ নেওয়া হবে এবং প্রধানমন্ত্রীও এ ব্যাপারে সতর্ক নজর রাখার নির্দেশনা দিয়েছেন।
- ধর্মীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নিপীড়নের ঘটনাকে অত্যন্ত দুঃখজনক ও লজ্জাকর বলে আখ্যা দেন ধর্মমন্ত্রী।
- জুমার খুতবায় হালাল-হারাম ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে সচেতনতা তৈরিতে ইমামদের ভূমিকা রাখার আহ্বান।
- প্রধানমন্ত্রী এমন অপরাধ বন্ধে সরাসরি নির্দেশনা দিয়েছেন বলে জানান মন্ত্রী।
আধুনিক ফুল-স্ট্যাক ও এআই ডেভেলপমেন্ট বুটক্যাম্প
ঘরে বসেই ক্যারিয়ার গড়ুন বিশ্বমানের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে। সীমিত আসন!
দেশের বিভিন্ন ধর্মীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিশু শিক্ষার্থীদের ওপর যৌন নিপীড়নের অভিযোগ নিয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন কায়কোবাদ। শনিবার সকালে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে ইসলামিক ফাউন্ডেশন মিলনায়তনে আয়োজিত জাতীয় ইমাম সম্মেলনে তিনি এসব ঘটনাকে 'অত্যন্ত দুঃখজনক ও লজ্জাকর' বলে উল্লেখ করেন। মন্ত্রী সাফ জানান, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পবিত্র পরিবেশ নষ্টকারী এমন অনৈতিক কর্মকাণ্ড বন্ধ করতে সরকার সম্ভাব্য সব ধরনের কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।
বাংলাদেশ জাতীয় ইমাম সমিতির ত্রিবার্ষিক কাউন্সিল অধিবেশন উপলক্ষে এই সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। সম্প্রতি দেশের কতিপয় মাদ্রাসায় ছাত্র বলাৎকার ও যৌন নির্যাতনের ঘটনা সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হওয়ায় দেশজুড়ে ব্যাপক সমালোচনার ঝড় ওঠে। অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের মুখোমুখি হয়ে ধর্মমন্ত্রী জানান, চিকিৎসার জন্য বিদেশে অবস্থানকালেই তিনি কিছু ঘটনার খবর পেয়েছিলেন এবং দেশে ফিরে পরিস্থিতি আরও গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করেছেন।
পরিস্থিতি মোকাবিলায় সামাজিক ও ধর্মীয় সচেতনতার ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেন মন্ত্রী। তিনি উপস্থিত ইমামদের উদ্দেশে বলেন, জুমার নামাজের খুতবায় শরিয়তের আলোকে কোনটা হালাল এবং কোনটা হারাম তা পরিষ্কারভাবে সাধারণ মুসল্লিদের বোঝাতে হবে। আলেম-ওলামারা এসব গুরুতর অপরাধের কুফল নিয়ে বয়ান দিলে তা সমাজে অপরাধের মাত্রা কমাতে বড় ধরনের ভূমিকা রাখবে।
সরকারের শীর্ষ মহলের অবস্থানের কথা তুলে ধরে ধর্মমন্ত্রী উল্লেখ করেন, স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী এই স্পর্শকাতর বিষয়টি নিয়ে অত্যন্ত সচেতন এবং এ ধরনের অপকর্ম থেকে সবাইকে সুরক্ষিত রাখতে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দিয়েছেন। ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোতে যেন শিক্ষার্থীরা নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ পরিবেশে শিক্ষা গ্রহণ করতে পারে, তা নিশ্চিতে সরকার কোনো ছাড় দেবে না বলে প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।
“ধর্মীয় শিক্ষাঙ্গনে যৌন নিপীড়ন প্রতিরোধে সরকারের প্রকাশ্য অঙ্গীকার একটি গুরুত্বপূর্ণ ইতিবাচক পদক্ষেপ। কেবল আইন প্রয়োগ নয়, ইমামদের মাধ্যমে খুতবায় সামাজিক সচেতনতা সৃষ্টির উদ্যোগ তৃণমূল পর্যায়ে দ্রুত প্রভাব ফেলতে পারে। তবে এসব আশ্বাসকে স্থায়ী ফলাফলে রূপ দিতে হলে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক আইনি ব্যবস্থা নিশ্চিত করাই মূল চাবিকাঠি।”
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ স্টার্টআপ ও এআই কনফারেন্স
রেজিস্ট্রেশন চলছে। এখনই আপনার আসন নিশ্চিত করুন।



