শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে পদ ছাড়লেন গোপালগঞ্জের আওয়ামী লীগ নেতা
১-ক্লিকে সম্পূর্ণ খবর শুনুন (অনলাইন অডিও)

গোপালগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ও কাশিয়ানী উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মো. জানে আলম বিরু মিয়া দল থেকে পদত্যাগ করেছেন। শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে তিনি লিখিত চিঠির মাধ্যমে স্বেচ্ছায় এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে নিশ্চিত করেছেন।
- শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে লিখিতভাবে আওয়ামী লীগের সদস্য পদ ছাড়লেন জানে আলম বিরু মিয়া।
- তিনি কাশিয়ানী উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
- ২২ অক্টোবর পদত্যাগপত্র জমা দেওয়ার বিষয়টি শনিবার গণমাধ্যমের কাছে নিশ্চিত করেন এই নেতা।
আধুনিক ফুল-স্ট্যাক ও এআই ডেভেলপমেন্ট বুটক্যাম্প
ঘরে বসেই ক্যারিয়ার গড়ুন বিশ্বমানের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে। সীমিত আসন!
গোপালগঞ্জে আওয়ামী লীগের জেলা কমিটির সদস্য পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন দলটির স্থানীয় শীর্ষ নেতা মো. জানে আলম বিরু মিয়া। নিজের শারীরিক অসুস্থতার কথা উল্লেখ করে তিনি লিখিতভাবে এই পদত্যাগের সিদ্ধান্ত জানিয়েছেন। শনিবার তিনি নিজেই বিষয়টি নিশ্চিত করেন। দীর্ঘদিন পর স্থানীয় এক গুরুত্বপূর্ণ নেতার এমন সিদ্ধান্তে এলাকার রাজনৈতিক মহলে বেশ আলোচনা শুরু হয়েছে।
পদত্যাগ করা জানে আলম গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলার মহেশপুর ইউনিয়নের দোলাগ্রামের বাসিন্দা এবং মৃত আব্দুল মান্নান মিয়ার ছেলে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে গোপালগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সদস্য হিসেবে সক্রিয় ছিলেন। দলীয় পরিচয়ের পাশাপাশি তিনি কাশিয়ানী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। স্থানীয় পর্যায়ে জনপ্রতিনিধি হিসেবে তার পরিচিতি রয়েছে।
গণমাধ্যমকে দেওয়া বক্তব্যে জানে আলম জানান, গত বৃহস্পতিবার অর্থাৎ ২২ অক্টোবর তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে পদত্যাগপত্র জমা দেন। পদত্যাগপত্রে তিনি লেখেন যে, শারীরিক অসুস্থতার কারণে তিনি সম্পূর্ণ স্বেচ্ছায় ও সজ্ঞানে জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য পদ ছাড়ছেন। তবে পদত্যাগের পর দলের অন্য কোনো পর্যায়ের নেতাদের আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া এখনো পাওয়া যায়নি।
চলমান রাজনৈতিক পটপরিবর্তন ও পরিস্থিতির মধ্যে জেলা পর্যায়ের এক সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যানের পদত্যাগকে স্থানীয় অনেকেই ভিন্ন চোখে দেখছেন। আনুষ্ঠানিক চিঠিতে অসুস্থতার বিষয়টি সামনে আনা হলেও মাঠপর্যায়ে এর প্রভাব পড়তে পারে বলে ধারণা করছেন স্থানীয় পর্যবেক্ষকরা। সামনের দিনগুলোতে কাশিয়ানী ও গোপালগঞ্জের রাজনীতিতে এর কী প্রভাব পড়ে, এখন সেটাই দেখার বিষয়।
“শারীরিক কারণ উল্লেখ করে পদত্যাগ করা হলেও বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে স্থানীয় প্রভাবশালী নেতাদের দল ছাড়া তৃণমূল রাজনীতিতে একধরনের চাপ ও অস্বস্তির ইঙ্গিত দেয়।”
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ স্টার্টআপ ও এআই কনফারেন্স
রেজিস্ট্রেশন চলছে। এখনই আপনার আসন নিশ্চিত করুন।



