ওলেশকিতে যুদ্ধবিরতিতে রাজি ইউক্রেন-রাশিয়া, নভেম্বরে শান্তি আলোচনা
১-ক্লিকে সম্পূর্ণ খবর শুনুন (অনলাইন অডিও)

যুক্তরাষ্ট্রের ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্পের মধ্যস্থতায় রাশিয়ার দখলে থাকা ইউক্রেনের ওলেশকি শহরে সাময়িক যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে মস্কো ও কিয়েভ। আগামী ২৭ অক্টোবর থেকে এ যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার কথা।
- যুক্তরাষ্ট্রের ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্পের মধ্যস্থতায় রাশিয়ার দখলে থাকা ইউক্রেনের ওলেশকি শহরে সাময়িক যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে মস্কো ও কিয়েভ।
- আগামী ২৭ অক্টোবর থেকে এ যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার কথা।
- এর আওতায় শহরটিতে মানবিক সহায়তা পৌঁছানো এবং বেসামরিক নাগরিকদের নিরাপদে সরিয়ে নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হবে।
আধুনিক ফুল-স্ট্যাক ও এআই ডেভেলপমেন্ট বুটক্যাম্প
ঘরে বসেই ক্যারিয়ার গড়ুন বিশ্বমানের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে। সীমিত আসন!
যুক্তরাষ্ট্রের ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্পের মধ্যস্থতায় রাশিয়ার দখলে থাকা ইউক্রেনের ওলেশকি শহরে সাময়িক যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে মস্কো ও কিয়েভ। আগামী ২৭ অক্টোবর থেকে এ যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার কথা। এর আওতায় শহরটিতে মানবিক সহায়তা পৌঁছানো এবং বেসামরিক নাগরিকদের নিরাপদে সরিয়ে নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হবে। এদিকে, যুদ্ধ অবসানে আগামী নভেম্বরের প্রথমার্ধে নতুন করে শান্তি আলোচনা শুরুর কথা জানিয়েছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি।
শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) উভয়পক্ষের তরফ থেকেই যুদ্ধবিরতির বিষয়ে সম্মতির কথা জানানো হয়। হোয়াইট হাউসের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ওলেশকিতে সাময়িকভাবে সব ধরনের সামরিক অভিযান বন্ধ রাখতে রাজি হয়েছে রাশিয়া ও ইউক্রেন। এর মাধ্যমে শহরটিতে মানবিক সহায়তা পৌঁছানো এবং নির্ধারিত নিরাপদ পথ দিয়ে বেসামরিক নাগরিকদের সরিয়ে নেওয়ার প্রস্তুতি নেওয়া হবে। রুশ বাহিনীর প্রধান জেনারেল ভ্যালেরি গেরাসিমভ দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের টেলিগ্রাম চ্যানেলে জানান, স্থানীয় সময় ২৭ অক্টোবর ভোর ৪টা থেকে গোলাবর্ষণ বন্ধ রাখবে রুশ সেনারা।
একই সময় থেকে যুদ্ধবিরতি মেনে চলার কথা জানিয়েছে ইউক্রেনের জেনারেল স্টাফও। শহরটির বাসিন্দাদের সহায়তায় সম্ভাব্য সবকিছু করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে তারা। ইউক্রেনের মানবাধিকারবিষয়ক ন্যায়পাল দিমিত্রো লুবিনেতসও ২৭ অক্টোবর থেকে যুদ্ধবিরতি কার্যকরের কথা জানিয়েছেন। বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে তিনি বলেন, এ কার্যক্রমের আওতায় শহরে প্রবেশের সড়কগুলো থেকে মাইন অপসারণ, খাদ্য সরবরাহ এবং বেসামরিক নাগরিকদের সরিয়ে নেওয়া হবে।
এরই মধ্যে ড্রোনের মাধ্যমে দুই দফায় ওলেশকিতে খাবার পাঠানোর কথা জানিয়েছে ইউক্রেন। ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে রুশ বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে ওলেশকি শহরটি। সাম্প্রতিক সময়ে সেখানে খাদ্যসংকট আরও তীব্র হওয়ার কথা জানিয়েছেন বাসিন্দারা। হোয়াইট হাউসের তথ্য অনুযায়ী, ইউক্রেনের নিয়ন্ত্রণে থাকা খেরসান শহরের বিপরীতে দিনিপ্রো নদীর অপর পাশে অবস্থিত ওলেশকিতে বর্তমানে প্রায় ১ হাজার ৭০০ থেকে ২ হাজার মানুষ রয়েছেন। যুদ্ধের আগে শহরটির জনসংখ্যা ছিল প্রায় ২৪ হাজার।
“আন্তর্জাতিক ভূ-রাজনীতি ও আঞ্চলিক নিরাপত্তা রক্ষায় সংঘাত ও অর্থনৈতিক অবরোধ পরিহার করে টেকসই কূটনৈতিক সংলাপের বিকল্প নেই। বেসামরিক জনগণের জানমাল রক্ষা ও অবাধ মানবিক সহায়তা নিশ্চিত করাই বৈশ্বিক সম্প্রদায়ের সর্বোচ্চ দায়িত্ব।”
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ স্টার্টআপ ও এআই কনফারেন্স
রেজিস্ট্রেশন চলছে। এখনই আপনার আসন নিশ্চিত করুন।



