দক্ষিণ কোরিয়ায় কর্মী পাঠাতে পুরোপুরি প্রস্তুত বাংলাদেশ
১-ক্লিকে সম্পূর্ণ খবর শুনুন (অনলাইন অডিও)

দক্ষিণ কোরিয়ার শ্রমবাজারের চাহিদা অনুযায়ী দক্ষ ও প্রশিক্ষিত কর্মী পাঠাতে বাংলাদেশ প্রস্তুত বলে জানিয়েছেন প্রবাসী কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী। সিউলে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে কোরিয়ার শীর্ষ দুটি প্রতিষ্ঠানের কাছে বাংলাদেশি কর্মীদের কাজের সুযোগ বাড়ানো, ভাষা শিক্ষা ও পেশাগত প্রশিক্ষণে যৌথ উদ্যোগের প্রস্তাব তুলে ধরা হয়।
- সিউলে কোরিয়ার দুটি শীর্ষ কর্মসংস্থান ও নির্মাণ সংস্থার সঙ্গে বৈঠক করেছেন প্রবাসী কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর।
- ইপিএস পদ্ধতির মাধ্যমে নিয়মিত নিয়োগের পাশাপাশি মৌসুমি কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরির আহ্বান জানানো হয়েছে।
- কোরিয়ায় যাওয়ার আগেই কর্মীদের ভাষা ও কাজের পরিবেশ সংক্রান্ত বিশেষ প্রশিক্ষণ দেওয়ার ওপর জোর দেওয়া হয়।
আধুনিক ফুল-স্ট্যাক ও এআই ডেভেলপমেন্ট বুটক্যাম্প
ঘরে বসেই ক্যারিয়ার গড়ুন বিশ্বমানের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে। সীমিত আসন!
দক্ষিণ কোরিয়ার স্থানীয় শ্রমবাজারে যেসব কাজের চাহিদা রয়েছে, সে অনুযায়ী দক্ষ ও প্রশিক্ষিত কর্মী পাঠাতে বাংলাদেশ পুরোপুরি প্রস্তুত বলে জানিয়েছে সরকার। সিউলে দেশটির ন্যাশনাল এমপ্লয়মেন্ট সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন অব কোরিয়া (এনইএসএ) এবং কনস্ট্রাকশন অ্যাসোসিয়েশন অব কোরিয়ার (সিএকে) প্রতিনিধিদের সঙ্গে এক উচ্চপর্যায়ের দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে এই বার্তা দেওয়া হয়। প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. নুরুল হক নুর এই বৈঠকে বাংলাদেশের আগ্রহ ও প্রস্তুতির কথা তুলে ধরেন।
বৈঠকে দক্ষিণ কোরিয়া সরকারের এমপ্লয়মেন্ট পারমিট সিস্টেম বা ইপিএস কাঠামোর অধীনে বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য কাজের কোটা বাড়ানোর তাগিদ দেওয়া হয়। প্রতিমন্ত্রী উল্লেখ করেন, শুধু নিয়মিত কারখানায় কাজ নয়, বরং কোরিয়ার মৌসুমি কাজের খাত, নির্মাণ শিল্প এবং আধুনিক কারিগরি ক্ষেত্রেও বাংলাদেশি তরুণদের ব্যাপক সুযোগ রয়েছে। এসব সুযোগ কাজে লাগাতে দুই দেশের যৌথ উদ্যোগে প্রশিক্ষণ ও ভাষা শিক্ষার ক্ষেত্র বাড়ানোর প্রস্তাব দেওয়া হয়।
কোরিয়ার কর্মসংস্থান সংস্থার প্রতিনিধিরা বৈঠকে বাংলাদেশি কর্মীদের কাজের নিষ্ঠা ও সম্ভাবনার কথা স্বীকার করেন। তাঁরা জানান, কোরিয়ায় কাজ করতে যাওয়ার আগে ভাষা জানা এবং নির্দিষ্ট কাজের বাস্তব অভিজ্ঞতা থাকা অত্যন্ত জরুরি। কর্মীরা যাতে কোরিয়ায় পৌঁছে দ্রুত সেখানকার নিয়মনীতি ও পরিবেশের সঙ্গে মানিয়ে নিতে পারেন, সেজন্য দেশ ছাড়ার আগেই ব্যবহারিক প্রশিক্ষণ নিশ্চিত করার বিষয়ে বিস্তারিত মতবিনিময় হয়।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, মধ্যপ্রাচ্যের সনাতন শ্রমবাজারের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে পূর্ব এশিয়ার উন্নত দেশগুলোতে দক্ষ কর্মী পাঠানো বাংলাদেশের অর্থনীতির জন্য অত্যন্ত ইতিবাচক পদক্ষেপ। কোরিয়ার মতো দেশে কর্মপরিবেশ নিরাপদ এবং মজুরিও তুলনামূলকভাবে অনেক বেশি। বাংলাদেশ সরকার যদি ভাষা ও কারিগরি মান কঠোরভাবে তদারকি করে কর্মী পাঠাতে পারে, তবে রেমিট্যান্স প্রবাহে বড় ধরনের ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।
“দক্ষিণ কোরিয়ার শ্রমবাজার বাংলাদেশের মতো জনবহুল দেশের জন্য এক বিশাল সম্ভাবনা। তবে সেখানে সাফল্য পেতে হলে সনাতন অদক্ষ শ্রমিকের বদলে ভাষা ও প্রযুক্তিতে দক্ষ কর্মী গড়ে তোলা ছাড়া বিকল্প নেই। সরকারি পর্যায়ে এই ধরণের জোরালো কূটনৈতিক তৎপরতা সফল হলে দেশটিতে বৈধ পথে নিরাপদ অভিবাসন বহুলাংশে বৃদ্ধি পাবে।”
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ স্টার্টআপ ও এআই কনফারেন্স
রেজিস্ট্রেশন চলছে। এখনই আপনার আসন নিশ্চিত করুন।



