পুলিশ পরিচালনায় ব্যর্থতায় অপরাধ বাড়ছে দাবি ইরানের
১-ক্লিকে সম্পূর্ণ খবর শুনুন (অনলাইন অডিও)

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে যথাযথভাবে পরিচালনায় ব্যর্থ হওয়ায় দেশে চুরি, ডাকাতি ও ছিনতাই আশঙ্কাজনক হারে বেড়েছে বলে অভিযোগ করেছেন বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান ইরান। শনিবার দলের এক সভায় তিনি বলেন, সাধারণ মানুষ চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন এবং গ্রামীণ জনগণ রাত জেগে গবাদিপশু পাহারা দিচ্ছেন। ব্যর্থতার দায় নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদত্যাগও দাবি করা হয়েছে সভায়।
- আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পরিচালনায় ব্যর্থতার কারণে দেশে চুরি, ডাকাতি ও ছিনতাই বাড়ার অভিযোগ মোস্তাফিজুর রহমান ইরানের।
- চুরির ভয়ে গ্রামের সাধারণ মানুষ সারারাত জেগে গরু-বাছুর পাহারা দিচ্ছেন বলে সভায় তুলে ধরা হয়।
- আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ও মাদক নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতার দায় নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদত্যাগের দাবি জানায় যুব মিশন।
আধুনিক ফুল-স্ট্যাক ও এআই ডেভেলপমেন্ট বুটক্যাম্প
ঘরে বসেই ক্যারিয়ার গড়ুন বিশ্বমানের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে। সীমিত আসন!
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সঠিকভাবে পরিচালনা করতে না পারার কারণেই দেশে চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই ও হত্যাকাণ্ড বাড়ছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান ইরান। শনিবার রাজধানীর তোপখানা রোডে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে যুব মিশনের এক সভায় তিনি বলেন, এর ফলে সাধারণ মানুষের জানমালের নিরাপত্তা এখন চরম হুমকির মুখে পড়েছে। একইসঙ্গে মাদকের অবাধ বিস্তার দেশের তরুণ সমাজকে বিপদের মুখে ঠেলে দিচ্ছে।
দেশের সার্বিক পরিস্থিতি তুলে ধরে মোস্তাফিজুর রহমান ইরান বলেন, সাধারণ মানুষ বর্তমানে প্রচণ্ড ভয়ের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। বিশেষ করে গ্রামের দরিদ্র ও খেটে খাওয়া মানুষ রাতে একটু শান্তিতে ঘুমাতেও পারছেন না। অবস্থা এমন দাঁড়িয়েছে যে, হাঁস-মুরগি ও গরু-বাছুর চুরি ঠেকাতে মানুষকে সারারাত গোয়ালঘরে বা খামারে জেগে পাহারা দিতে হচ্ছে। একটি স্বাধীন দেশের নাগরিকদের জন্য এমন বাস্তবতা অত্যন্ত লজ্জাজনক ও কষ্টের বলে তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
সভায় যুব মিশনের কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক সালমান খান বাদশা বলেন, দেশের মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সরকারের প্রধান দায়িত্ব হলেও বর্তমান পরিস্থিতিতে মানুষ আস্থা হারিয়ে ফেলছে। অপরাধীদের দমন ও মাদক নির্মূলে দ্রুত কঠোর ব্যবস্থা না নিলে সংকট আরও বাড়বে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির দায় সরকার কোনোভাবেই এড়াতে পারে না উল্লেখ করে ব্যর্থতার দায়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর অবিলম্বে পদত্যাগ করা উচিত বলেও দাবি তোলেন তিনি।
তোপখানা রোডের এই যৌথ সভায় যুবসমাজকে মাদক, সামাজিক অপরাধ ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানানো হয়। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, মাঠপর্যায়ে পুলিশের স্বাভাবিক কার্যক্রম এবং কঠোর নজরদারি দ্রুত নিশ্চিত করা না গেলে জনমনে তৈরি হওয়া নিরাপত্তাহীনতা আরও গভীর হবে, যা সামগ্রিক সামাজিক স্থিতিশীলতার জন্য বড় ঝুঁকি তৈরি করবে।
“আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সক্রিয়তা ও তদারকির ঘাটতি দেখা দিলে সমাজে চোর-ডাকাত ও অপরাধীদের দৌরাত্ম্য দ্রুত বেড়ে যায়। সাধারণ মানুষের জানমালের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে কেবল রাজনৈতিক বক্তব্য নয়, বরং মাঠপর্যায়ে পুলিশের দৃশ্যমান ও জবাবদিহিমূলক উপস্থিতি জরুরি।”
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ স্টার্টআপ ও এআই কনফারেন্স
রেজিস্ট্রেশন চলছে। এখনই আপনার আসন নিশ্চিত করুন।



