চলতি বছর ৪১ লাখ নারী পাবেন ফ্যামিলি কার্ড: অর্থমন্ত্রী
১-ক্লিকে সম্পূর্ণ খবর শুনুন (অনলাইন অডিও)

চট্টগ্রামের ঐতিহাসিক জে এম সেন হলের পূজামণ্ডপে বক্তব্য দেওয়ার সময় অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী জানান, চলতি বছর দেশের ৪১ লাখ গৃহকর্ত্রীকে ফ্যামিলি কার্ড সহায়তা দেওয়া হবে। কোনো ধর্ম বা রাজনৈতিক পরিচয় বিবেচনা না করে একদম হতদরিদ্র পরিবারগুলোর নারীদের এই সুবিধার আওতায় আনা হচ্ছে।
- চলতি বছরেই দেশের ৪১ লাখ নারী প্রধানের হাতে পৌঁছাবে সরকারি ফ্যামিলি কার্ড।
- ধর্ম, বর্ণ কিংবা রাজনৈতিক মতাদর্শ নয়, কেবল দরিদ্রতার ভিত্তিতে বাছাই হবে তালিকা।
- চট্টগ্রামের জে এম সেন হলের শারদীয় দুর্গোৎসবের শুভেচ্ছা বিনিময় সভায় এই ঘোষণা দেন অর্থমন্ত্রী।
আধুনিক ফুল-স্ট্যাক ও এআই ডেভেলপমেন্ট বুটক্যাম্প
ঘরে বসেই ক্যারিয়ার গড়ুন বিশ্বমানের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে। সীমিত আসন!
চট্টগ্রাম নগরের ঐতিহাসিক জে এম সেন হলের দুর্গাপূজা মণ্ডপে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শারদীয় শুভেচ্ছা বিনিময়ের সময় বড় একটি সামাজিক সহায়তার বার্তা দেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি জানান, চলতি বছর সারা দেশের মোট ৪১ লাখ গৃহকর্ত্রী বা নারী প্রধানের হাতে ফ্যামিলি কার্ড তুলে দেওয়া হবে। সমাজে প্রান্তিক মানুষদের পাশে দাঁড়াতেই সরকার এই বড় কর্মসূচি হাতে নিয়েছে।
কার্ড বিতরণের মানদণ্ড স্পষ্ট করে মন্ত্রী বলেন, কে কোন ধর্মের বা কোন রাজনৈতিক দলের, তা একেবারেই দেখা হবে না। সরকারের প্রধান লক্ষ্য হলো প্রকৃত দরিদ্র পরিবারগুলোকে খাদ্য ও আর্থিক সুরক্ষাবলয়ের ভেতরে নিয়ে আসা। একদম হতদরিদ্র পর্যায় থেকে শুরু করে ক্রমান্বয়ে এই সহায়তা সাধারণ দরিদ্র পরিবার পর্যন্ত বিস্তৃত করা হবে, যাতে কোনো অভাবী গৃহকর্ত্রী তালিকা থেকে বাদ না পড়েন।
জে এম সেন হলের শুভেচ্ছা বিনিময় সভায় অর্থমন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, বর্তমান সমাজে ও রাজনীতিতে বড় ধরনের ইতিবাচক পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছে। সব শ্রেণি-পেশা ও ধর্মের মানুষের অংশগ্রহণে এবারের দুর্গোৎসব একটি জাতীয় মিলনমেলায় রূপ নিয়েছে। সমাজকে ঐক্যবদ্ধ না করতে পারলে আধুনিক রাষ্ট্র গঠন সম্ভব নয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, সরকার কাউকে পেছনে না ফেলে সবাইকে নিয়ে সামনে এগোতে চায়।
সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় গৃহকর্ত্রীদের নামে এই কার্ড দেওয়ায় তৃণমূল পর্যায়ে নারীদের ক্ষমতায়ন ও পারিবারিক খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট দফতরগুলো মাঠপর্যায়ে তথ্য যাচাই-বাছাই করে দ্রুত তালিকা চূড়ান্ত করার কাজ এগিয়ে নিচ্ছে, যাতে প্রকৃত অধিকারীদের হাতে কোনো অনিয়ম ছাড়াই ফ্যামিলি কার্ডের সহায়তা পৌঁছানো যায়।
“গৃহকর্ত্রীদের নামে সরাসরি ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ একটি বড় কাঠামোগত পদক্ষেপ, যা পারিবারিক অর্থব্যবস্থায় নারীর ভূমিকা ও খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে। তবে অতীতে সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচিতে দলীয়করণ ও স্বজনপ্রীতির যে অভিযোগ ছিল, তা এড়াতে তালিকা প্রণয়নে শতভাগ স্বচ্ছতা বজায় রাখাই এই উদ্যোগের মূল চ্যালেঞ্জ।”
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ স্টার্টআপ ও এআই কনফারেন্স
রেজিস্ট্রেশন চলছে। এখনই আপনার আসন নিশ্চিত করুন।



