আদালতে সহযোগীকে ছাড়াতে গিয়ে পিস্তলসহ ধরা পড়লেন অরিন
১-ক্লিকে সম্পূর্ণ খবর শুনুন (অনলাইন অডিও)

রাজধানীর মিরপুরে বিশেষ আদালতে সাজাপ্রাপ্ত এক সহযোগীকে ছাড়িয়ে আনতে যাওয়ার পথে বিদেশি পিস্তল ও গুলিসহ মশিউল আজম অরিন ও তার সঙ্গী শান্ত ইসলামকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
- মিরপুর ১১ নম্বর মেট্রোরেল স্টেশনের নিচে পুলিশের তল্লাশিচৌকিতে অস্ত্রসহ দুই যুবক ধরা পড়েছেন।
- প্রধান অভিযুক্ত অরিনের বিরুদ্ধে পল্লবী থানায় অস্ত্র, মাদক ও চাঁদাবাজির অন্তত ৯টি মামলা রয়েছে।
- উদ্ধার করা অবৈধ পিস্তলটি দিয়ে স্থানীয় বিভিন্ন দোকান ও মার্কেটে চাঁদাবাজি করা হতো বলে জানিয়েছে পুলিশ।
আধুনিক ফুল-স্ট্যাক ও এআই ডেভেলপমেন্ট বুটক্যাম্প
ঘরে বসেই ক্যারিয়ার গড়ুন বিশ্বমানের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে। সীমিত আসন!
রাজধানীর মিরপুরে কারাদণ্ড পাওয়া এক সঙ্গীকে আদালত থেকে ছাড়িয়ে আনতে যাওয়ার পথে বিদেশি পিস্তল ও গুলিসহ দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শনিবার বিকেলে মিরপুর ১১ নম্বর মেট্রোরেল স্টেশনের নিচের তল্লাশিচৌকি থেকে মশিউল আজম ওরফে অরিন এবং তার মোটরসাইকেল চালক সহযোগী শান্ত ইসলামকে আটক করা হয়। তল্লাশির সময় তাদের কাছ থেকে একটি অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র ও গুলি জব্দ করা হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মাদক মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া অরিনের এক সহযোগীকে বিশেষ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ১৫ দিনের কারাদণ্ড দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। এই খবর পেয়ে শান্তর মোটরসাইকেলে চড়ে তড়িঘড়ি করে আদালতে যাচ্ছিলেন অরিন। পথে মিরপুর ১১ নম্বরে পুলিশের তল্লাশিচৌকিতে তাদের থামার সংকেত দেওয়া হলে তারা পালানোর চেষ্টা করেন। তবে পুলিশ দ্রুত তাদের ঘিরে ফেলে আটক করতে সক্ষম হয়।
ঢাকা মহানগর পুলিশের মিরপুর বিভাগের উপকমিশনার হাসান মোহাম্মদ নাসের রিকাবদার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে অরিন স্বীকার করেছেন যে উদ্ধার করা পিস্তলটির কোনো বৈধ কাগজপত্র নেই। এর আগেও অবৈধ অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার হয়েছিলেন তিনি। মিরপুর ১২ নম্বরের বিভিন্ন দোকানপাট ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে এই পিস্তল উঁচিয়ে ত্রাস সৃষ্টি এবং চাঁদাবাজি করতেন তিনি। অরিনের বিরুদ্ধে পল্লবী থানায় অস্ত্র, মাদক ও চাঁদাবাজির মোট ৯টি মামলা রয়েছে।
ঘটনার পর তাদের ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটি জব্দ করা হয়েছে এবং দুজনের বিরুদ্ধেই পল্লবী থানায় অস্ত্র আইনে নতুন একটি মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে। এলাকায় অপরাধ চক্রের তৎপরতা বন্ধ করতে এবং তাদের অন্য সহযোগীদের আইনের আওতায় আনতে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে প্রশাসন।
“রাজধানীর ব্যস্ত এলাকায় দিনে-দুপুরে অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে চলাফেরা করার ঘটনা নাগরিক নিরাপত্তার ক্ষেত্রে এক বড় উদ্বেগের বিষয়। মেট্রোর মতো গুরুত্বপূর্ণ গণপরিবহন অবকাঠামোর নিচে নিয়মিত তল্লাশিচৌকি থাকায় বড় ধরনের অপরাধ প্রতিরোধ করা সম্ভব হয়েছে। তবে ৯টি মামলার আসামি হওয়া সত্ত্বেও অরিনের মতো দাগি অপরাধীরা কীভাবে প্রকাশ্যে অস্ত্র নিয়ে ঘুরে বেড়ায়, তা বিচার ও নজরদারি ব্যবস্থার দুর্বলতাকেই সামনে আনে।”
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ স্টার্টআপ ও এআই কনফারেন্স
রেজিস্ট্রেশন চলছে। এখনই আপনার আসন নিশ্চিত করুন।



