কোক স্টুডিওকে ভাড়া দেওয়ার পর ভেঙে গেল ঐতিহাসিক সরদার বাড়ি
১-ক্লিকে সম্পূর্ণ খবর শুনুন (অনলাইন অডিও)

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে অবস্থিত ঐতিহাসিক সরদার বাড়িটি কোক স্টুডিওকে শুটিংয়ের জন্য ভাড়া দেওয়ার পর এর কিছু অংশ ভেঙে গেছে। এই ঘটনায় ঐতিহ্যপ্রেমী ও স্থানীয় মানুষের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে এবং তারা দ্রুত এটি মেরামতের দাবি জানিয়েছেন।
- সোনারগাঁয়ের লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশনের ভেতরের ঐতিহাসিক সরদার বাড়িটি কোক স্টুডিওকে ভাড়া দেওয়া হয়েছিল।
- শুটিংয়ের মালামাল আনা-নেওয়ার সময় এবং সেট তৈরির কারণে প্রাচীন এই ভবনের কিছু অংশ ভেঙে গেছে।
- ঐতিহাসিক এই স্থাপনাটি নষ্ট করার প্রতিবাদে স্থানীয় মানুষ ও দর্শনার্থীরা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।
আধুনিক ফুল-স্ট্যাক ও এআই ডেভেলপমেন্ট বুটক্যাম্প
ঘরে বসেই ক্যারিয়ার গড়ুন বিশ্বমানের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে। সীমিত আসন!
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে অবস্থিত শত বছরের পুরোনো ঐতিহাসিক সরদার বাড়িটি কোক স্টুডিওকে শুটিংয়ের জন্য ভাড়া দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু শুটিং শেষ হওয়ার পর দেখা গেছে, প্রাচীন এই ভবনের কিছু অংশ ভেঙে গেছে। দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই প্রত্নতাত্ত্বিক স্থাপনাটি এভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় স্থানীয় মানুষ ও দর্শনার্থীদের মধ্যে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কয়েক বছর আগে কোটি টাকা খরচ করে সরদার বাড়িটি আগের রূপে ফিরিয়ে আনা হয়েছিল। সম্প্রতি কোক স্টুডিও বাংলা সেখানে একটি গানের শুটিংয়ের জন্য ভবনটি ভাড়া নেয়। অভিযোগ উঠেছে, শুটিংয়ের ভারী যন্ত্রপাতি আনা-নেওয়া এবং সেট তৈরির অসাবধানতার কারণে ভবনের কারুকাজ করা অংশ ও দেয়াল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
এই ঘটনার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন মহলে সমালোচনার ঝড় উঠেছে। ঐতিহ্যপ্রেমীরা বলছেন, বাণিজ্যিক স্বার্থে এভাবে ঐতিহাসিক স্থাপনা ভাড়া দেওয়া এবং সেটির ক্ষতি করা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। তারা অবিলম্বে এই ঘটনার তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
জাদুঘর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বিষয়টি তারা গুরুত্বের সাথে দেখছেন এবং ক্ষতিগ্রস্ত অংশ দ্রুত মেরামতের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। তবে সচেতন নাগরিকরা মনে করেন, ভবিষ্যতে যেকোনো ঐতিহাসিক স্থানে শুটিং বা বাণিজ্যিক কার্যক্রম বন্ধ করা উচিত, যাতে আমাদের ইতিহাস ও ঐতিহ্য সুরক্ষিত থাকে।
“ঐতিহাসিক স্থাপনাগুলো আমাদের জাতীয় পরিচয় ও সংস্কৃতির অংশ। বাণিজ্যিক স্বার্থে বা বিনোদনমূলক অনুষ্ঠানের জন্য এগুলোকে ব্যবহার করার ক্ষেত্রে চরম সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত ছিল। সরদার বাড়ির মতো একটি সংবেদনশীল প্রত্নতাত্ত্বিক স্থানে শুটিংয়ের অনুমতি দেওয়া এবং সেখানে তদারকির অভাব কর্তৃপক্ষের বড় ধরনের গাফিলতি প্রমাণ করে। ভবিষ্যতে এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে কঠোর নীতিমালা প্রয়োজন।”
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ স্টার্টআপ ও এআই কনফারেন্স
রেজিস্ট্রেশন চলছে। এখনই আপনার আসন নিশ্চিত করুন।



