আগামী গরমে বিদ্যুতের কষ্ট কমবে, জানালেন জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী
১-ক্লিকে সম্পূর্ণ খবর শুনুন (অনলাইন অডিও)

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী জানিয়েছেন যে আগামী গরমের সময়ে দেশে বিদ্যুতের সমস্যা অনেকটাই কমে যাবে। নতুন বিদ্যুৎ কেন্দ্র চালু হওয়া এবং জ্বালানি আমদানি বাড়ানোর ফলে এই স্বস্তি মিলবে বলে আশা করা হচ্ছে।
- আগামী গরমের মৌসুমে লোডশেডিং বা বিদ্যুতের ঘাটতি আগের চেয়ে অনেক কমে আসবে।
- নতুন কয়েকটি বিদ্যুৎ কেন্দ্র চালু করার জন্য সরকার দ্রুত কাজ করছে।
- কয়লা ও গ্যাস আমদানির প্রক্রিয়া সহজ করে জ্বালানি সরবরাহ বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
আধুনিক ফুল-স্ট্যাক ও এআই ডেভেলপমেন্ট বুটক্যাম্প
ঘরে বসেই ক্যারিয়ার গড়ুন বিশ্বমানের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে। সীমিত আসন!
আগামী গরমের দিনে দেশের মানুষের বিদ্যুতের কষ্ট দূর করতে বড় উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী জানিয়েছেন, আগামী গ্রীষ্মকালে দেশে বিদ্যুতের ঘাটতি অনেক কমে আসবে। ঢাকার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি এই আশার কথা জানান। তিনি বলেন, মানুষের ভোগান্তি কমাতে সরকার এখন থেকেই প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছে।
গত কয়েক বছর ধরে গরমের সময়ে দেশের মানুষকে তীব্র লোডশেডিংয়ের মুখে পড়তে হয়েছে। বিশেষ করে গ্রাম এলাকায় ঘণ্টার পর ঘণ্টা বিদ্যুৎ না থাকায় সাধারণ মানুষের জীবন অতিষ্ঠ হয়ে ওঠে। এই পরিস্থিতি সামাল দিতে সরকার নতুন কয়েকটি বিদ্যুৎ কেন্দ্র চালু করার পরিকল্পনা করেছে। একই সাথে বন্ধ থাকা কেন্দ্রগুলো চালু করার জন্য প্রয়োজনীয় জ্বালানি কেনার ব্যবস্থা করা হচ্ছে।
বিদ্যুৎ বিভাগ জানিয়েছে, গরমের সময়ে বিদ্যুতের চাহিদা প্রায় সাড়ে ১৬ হাজার মেগাওয়াটে পৌঁছাতে পারে। এই বাড়তি চাহিদা মেটাতে কয়লা, গ্যাস ও ফার্নেস অয়েল আমদানির জন্য বাড়তি অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে। প্রতিমন্ত্রী জানান, বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় ডলারের জোগান দিতে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রাখা হচ্ছে, যাতে জ্বালানি সংকটে উৎপাদন বন্ধ না হয়।
তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শুধু নতুন কেন্দ্র চালু করলেই হবে না, সঞ্চালন লাইনের আধুনিকায়নও জরুরি। অনেক সময় বিদ্যুৎ উৎপাদন হলেও দুর্বল লাইনের কারণে তা মানুষের ঘরে পৌঁছানো যায় না। সরকার যদি সময়মতো জ্বালানি আমদানি করতে পারে এবং লাইনের ত্রুটি দূর করতে পারে, তবেই আগামী গরমে মানুষ শান্তিতে থাকতে পারবে।
“প্রতিমন্ত্রীর এই আশ্বাস সাধারণ মানুষের মনে কিছুটা স্বস্তি দিলেও বাস্তবায়নই আসল চ্যালেঞ্জ। অতীতেও এমন অনেক প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু জ্বালানি সংকটের কারণে তা পুরোপুরি সফল হয়নি। এবার ডলার সংকট কাটিয়ে সময়মতো জ্বালানি আমদানি করা এবং বিতরণ ব্যবস্থার ত্রুটি দূর করাই হবে সরকারের মূল পরীক্ষা।”
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ স্টার্টআপ ও এআই কনফারেন্স
রেজিস্ট্রেশন চলছে। এখনই আপনার আসন নিশ্চিত করুন।



