দেশে চাহিদার চেয়ে ৪ মাসের বেশি সার জমা আছে: কৃষিমন্ত্রী
১-ক্লিকে সম্পূর্ণ খবর শুনুন (অনলাইন অডিও)

দেশে সারের কোনো সংকট নেই বলে আশ্বস্ত করেছেন কৃষিমন্ত্রী। তিনি জানান, বর্তমানে চাহিদার চেয়েও চার মাসের অতিরিক্ত সার সরকারি গুদামে মজুত রয়েছে। কৃষকদের সুবিধার্থে সার বিতরণ ব্যবস্থা আরও জোরদার করা হচ্ছে।
- দেশে সারের কোনো ঘাটতি বা সংকট হওয়ার আশঙ্কা নেই।
- সরকারি গুদামে আগামী চার মাসের বাড়তি সার জমা রাখা হয়েছে।
- সার নিয়ে কেউ কারসাজি বা বেশি দাম নিলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আধুনিক ফুল-স্ট্যাক ও এআই ডেভেলপমেন্ট বুটক্যাম্প
ঘরে বসেই ক্যারিয়ার গড়ুন বিশ্বমানের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে। সীমিত আসন!
দেশে সারের কোনো সংকট নেই বলে জানিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী। তিনি বলেন, কৃষকদের ভয়ের কোনো কারণ নেই। বর্তমানে আমাদের গুদামগুলোতে চাহিদার চেয়েও অনেক বেশি সার জমা আছে। এই মজুত দিয়ে আগামী চার মাসের চাহিদা অনায়াসে মেটানো সম্ভব হবে।
মন্ত্রণালয়ের হিসাব অনুযায়ী, ইউরিয়া, টিএসপি, ডিএপি এবং এমওপিসহ সব ধরনের সারের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে। চাষাবাদের এই মৌসুমে কৃষকেরা যাতে সহজে সার কিনতে পারেন, সেজন্য সব ধরনের প্রস্তুতি রাখা হয়েছে। সরকার নিয়মিত সারের আমদানি ও সরবরাহ পরিস্থিতি তদারকি করছে।
কৃষিমন্ত্রী হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, সারের কৃত্রিম সংকট তৈরি করে কোনো ডিলার বা বিক্রেতা যদি বেশি দাম নেওয়ার চেষ্টা করেন, তবে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সারের বাজার নিয়মিত তদারকি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সরকার আশা করছে, সারের পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকায় এবার ফসলের উৎপাদন ভালো হবে। কৃষকদের দোরগোড়ায় সঠিক সময়ে সার পৌঁছে দিতে পরিবহন ব্যবস্থাও সচল রাখা হয়েছে। এর ফলে দেশের খাদ্য নিরাপত্তা আরও জোরদার হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
“কৃষিমন্ত্রীর এই ঘোষণা দেশের কৃষকদের জন্য বড় স্বস্তি নিয়ে আসবে। তবে মাঠ পর্যায়ে ডিলাররা যাতে সারের কৃত্রিম সংকট তৈরি করতে না পারে, সেজন্য কঠোর নজরদারি বজায় রাখা জরুরি।”
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ স্টার্টআপ ও এআই কনফারেন্স
রেজিস্ট্রেশন চলছে। এখনই আপনার আসন নিশ্চিত করুন।



