Read in English
পাঠক সুবিধা:
রাজনীতি

গোপালগঞ্জে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ–যুবলীগের মিছিল থেকে পুলিশের গাড়িতে হামলা, তিন পুলিশ সদস্যকে মারধর

চলতি ডেস্কআজ
১০ বার পঠিতপড়ার সময়: ২ মিনিট
এআই নিউরাল অডিও সংবাদ

১-ক্লিকে সম্পূর্ণ খবর শুনুন (অনলাইন অডিও)

০০:০০গুগল নিউরাল অডিও ভয়েস০০:০০
গোপালগঞ্জে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ–যুবলীগের মিছিল থেকে পুলিশের গাড়িতে হামলা, তিন পুলিশ সদস্যকে মারধর
পূর্ণাঙ্গ ভিউ
ছবি: সংগৃহীত • চলতি নিউজ স্পেশাল কাভারেজ
একনজরে মূল বিষয় ও সারসংক্ষেপ

গোপালগঞ্জ সদর উপজেলায় নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগ ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ যুবলীগের মিছিল থেকে পুলিশের গাড়িতে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় পুলিশের তিন সদস্যকে মারধর করা হয়েছে। আজ শনিবার দুপুরে সদর উপজেলার রঘুনাথপুর ইউনিয়নের খেয়াঘাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। গোপালগঞ্জের পুলিশ সুপার মো. হাবীবুল্লাহ প্রথম আলোকে এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। আহত ব্যক্তিরা হলেন সদর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) ফুলমিয়া এবং কনস্টেবল শওকত ও জসিম। গোপালগঞ্জ সদর উপজেলায় নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগ ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ যুবলীগের মিছিল থেকে পুলিশের গাড়িতে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় পুলিশের তিন সদস্যকে মারধর করা হয়েছে। আজ শনিবার দুপুরে সদর উপজেলার রঘুনাথপুর ইউনিয়নের খেয়াঘাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। গোপালগঞ্জের পুলিশ সুপার মো. হাবীবুল্লাহ প্রথম আলোকে এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। আহত ব্যক্তিরা হলেন সদর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) ফুলমিয়া এবং কনস্টেবল শওকত ও জসিম। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, ‘জয় বাংলা’ ও ‘শেখ হাসিনা আসবে, বাংলাদেশ হাসবে’—এ ধরনের বিভিন্ন স্লোগান দিয়ে একদল যুবক মিছিল নিয়ে একটি মোড়ের দিকে যান। তাঁদের হাতে হকিস্টিক, ফালি করা কাঠসহ লাঠিসোঁটা দেখা যায়। মোড়ের কাছে পুলিশের একটি গাড়ি দাঁড় করানো ছিল। গাড়ির ভেতরেই ছিলেন চালক। পাশে দাঁড়িয়ে ছিলেন তিন পুলিশ সদস্য। তাঁদের একজনকে মুঠোফোনে কথা বলতে এবং হাত নেড়ে মিছিল নিয়ে যুবকদের সামনের দিকে চলে যেতে ইঙ্গিত করতে দেখা যায়। একপর্যায়ে মিছিলে থাকা যুবকেরা গাড়ি ভাঙচুর করতে থাকেন। ওই সময় গাড়ির ভেতরেই ছিলেন চালক। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, ‘জয় বাংলা’ ও ‘শেখ হাসিনা আসবে, বাংলাদেশ হাসবে’—এ ধরনের বিভিন্ন স্লোগান দিয়ে একদল যুবক মিছিল নিয়ে একটি মোড়ের দিকে যান। তাঁদের হাতে হকিস্টিক, ফালি করা কাঠসহ লাঠিসোঁটা দেখা যায়। মোড়ের কাছে পুলিশের একটি গাড়ি দাঁড় করানো ছিল। গাড়ির ভেতরেই ছিলেন চালক। পাশে দাঁড়িয়ে ছিলেন তিন পুলিশ সদস্য। তাঁদের একজনকে মুঠোফোনে কথা বলতে এবং হাত নেড়ে মিছিল নিয়ে যুবকদের সামনের দিকে চলে যেতে ইঙ্গিত করতে দেখা যায়। একপর্যায়ে মিছিলে থাকা যুবকেরা গাড়ি ভাঙচুর করতে থাকেন। ওই সময় গাড়ির ভেতরেই ছিলেন চালক। ভাঙচুরের মধ্যেই চালক গাড়ি চালিয়ে সামনের দিকে যেতে থাকেন। এ সময় গাড়িটিকে ধাওয়া করে ভাঙচুর চালাতে থাকেন ওই যুবকেরা। তখন এক পুলিশ সদস্যকে তাঁদের নিবৃত্ত করার চেষ্টা করতে দেখা যায়। গাড়িটি কিছুটা দূরে যাওয়ার পর পুলিশ সদস্যদের আঘাত করতে থাকেন ওই যুবকেরা। তখন যুবকদের কয়েকজনকে হামলাকারীদের থামানোর চেষ্টা করতে দেখা যায়। এরপরও পুলিশ সদস্যদের পেটাতে থাকেন কয়েকজন। একপর্যায়ে পুলিশ সদস্যরা দৌড়ে গিয়ে গাড়িতে উঠে চলে যান। পুলিশ সুপার হাবীবুল্লাহ বলেন, গোপালগঞ্জ সদর থানা-পুলিশের একটি দল নিয়মিত টহল দিচ্ছিল। দুপুরের দিকে পুলিশ সদস্যরা রঘুনাথপুর ইউনিয়নের খেয়াঘাট এলাকায় গাড়ি থামিয়ে বিশ্রাম নিচ্ছিলেন। এ সময় কার্যক্রম নিষিদ্ধ যুবলীগ ও নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা মিছিল নিয়ে এসে পুলিশের গাড়িতে হামলা ও ভাঙচুর চালান। তাঁদের হাতে হকিস্টিকসহ দেশীয় অস্ত্র ছিল। একপর্যায়ে তাঁরা পুলিশ সদস্যদের মারধর করেন।

গুরুত্বপূর্ণ ৩টি তথ্য
  • গোপালগঞ্জ সদর উপজেলায় নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগ ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ যুবলীগের মিছিল থেকে পুলিশের গাড়িতে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা
বিজ্ঞাপনটেক একাডেমি বাংলাদেশ

আধুনিক ফুল-স্ট্যাক ও এআই ডেভেলপমেন্ট বুটক্যাম্প

ঘরে বসেই ক্যারিয়ার গড়ুন বিশ্বমানের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে। সীমিত আসন!

ভর্তি হতে ক্লিক করুন

গোপালগঞ্জ সদর উপজেলায় নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগ ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ যুবলীগের মিছিল থেকে পুলিশের গাড়িতে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় পুলিশের তিন সদস্যকে মারধর করা হয়েছে।

আজ শনিবার দুপুরে সদর উপজেলার রঘুনাথপুর ইউনিয়নের খেয়াঘাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। গোপালগঞ্জের পুলিশ সুপার মো. হাবীবুল্লাহ প্রথম আলোকে এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

আহত ব্যক্তিরা হলেন সদর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) ফুলমিয়া এবং কনস্টেবল শওকত ও জসিম।

গোপালগঞ্জ সদর উপজেলায় নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগ ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ যুবলীগের মিছিল থেকে পুলিশের গাড়িতে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় পুলিশের তিন সদস্যকে মারধর করা হয়েছে।

আজ শনিবার দুপুরে সদর উপজেলার রঘুনাথপুর ইউনিয়নের খেয়াঘাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। গোপালগঞ্জের পুলিশ সুপার মো. হাবীবুল্লাহ প্রথম আলোকে এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

আহত ব্যক্তিরা হলেন সদর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) ফুলমিয়া এবং কনস্টেবল শওকত ও জসিম।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, ‘জয় বাংলা’ ও ‘শেখ হাসিনা আসবে, বাংলাদেশ হাসবে’—এ ধরনের বিভিন্ন স্লোগান দিয়ে একদল যুবক মিছিল নিয়ে একটি মোড়ের দিকে যান। তাঁদের হাতে হকিস্টিক, ফালি করা কাঠসহ লাঠিসোঁটা দেখা যায়।

মোড়ের কাছে পুলিশের একটি গাড়ি দাঁড় করানো ছিল। গাড়ির ভেতরেই ছিলেন চালক। পাশে দাঁড়িয়ে ছিলেন তিন পুলিশ সদস্য। তাঁদের একজনকে মুঠোফোনে কথা বলতে এবং হাত নেড়ে মিছিল নিয়ে যুবকদের সামনের দিকে চলে যেতে ইঙ্গিত করতে দেখা যায়। একপর্যায়ে মিছিলে থাকা যুবকেরা গাড়ি ভাঙচুর করতে থাকেন। ওই সময় গাড়ির ভেতরেই ছিলেন চালক।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, ‘জয় বাংলা’ ও ‘শেখ হাসিনা আসবে, বাংলাদেশ হাসবে’—এ ধরনের বিভিন্ন স্লোগান দিয়ে একদল যুবক মিছিল নিয়ে একটি মোড়ের দিকে যান। তাঁদের হাতে হকিস্টিক, ফালি করা কাঠসহ লাঠিসোঁটা দেখা যায়।

মোড়ের কাছে পুলিশের একটি গাড়ি দাঁড় করানো ছিল। গাড়ির ভেতরেই ছিলেন চালক। পাশে দাঁড়িয়ে ছিলেন তিন পুলিশ সদস্য। তাঁদের একজনকে মুঠোফোনে কথা বলতে এবং হাত নেড়ে মিছিল নিয়ে যুবকদের সামনের দিকে চলে যেতে ইঙ্গিত করতে দেখা যায়। একপর্যায়ে মিছিলে থাকা যুবকেরা গাড়ি ভাঙচুর করতে থাকেন। ওই সময় গাড়ির ভেতরেই ছিলেন চালক।

ভাঙচুরের মধ্যেই চালক গাড়ি চালিয়ে সামনের দিকে যেতে থাকেন। এ সময় গাড়িটিকে ধাওয়া করে ভাঙচুর চালাতে থাকেন ওই যুবকেরা। তখন এক পুলিশ সদস্যকে তাঁদের নিবৃত্ত করার চেষ্টা করতে দেখা যায়। গাড়িটি কিছুটা দূরে যাওয়ার পর পুলিশ সদস্যদের আঘাত করতে থাকেন ওই যুবকেরা। তখন যুবকদের কয়েকজনকে হামলাকারীদের থামানোর চেষ্টা করতে দেখা যায়। এরপরও পুলিশ সদস্যদের পেটাতে থাকেন কয়েকজন। একপর্যায়ে পুলিশ সদস্যরা দৌড়ে গিয়ে গাড়িতে উঠে চলে যান।

পুলিশ সুপার হাবীবুল্লাহ বলেন, গোপালগঞ্জ সদর থানা-পুলিশের একটি দল নিয়মিত টহল দিচ্ছিল। দুপুরের দিকে পুলিশ সদস্যরা রঘুনাথপুর ইউনিয়নের খেয়াঘাট এলাকায় গাড়ি থামিয়ে বিশ্রাম নিচ্ছিলেন। এ সময় কার্যক্রম নিষিদ্ধ যুবলীগ ও নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা মিছিল নিয়ে এসে পুলিশের গাড়িতে হামলা ও ভাঙচুর চালান। তাঁদের হাতে হকিস্টিকসহ দেশীয় অস্ত্র ছিল। একপর্যায়ে তাঁরা পুলিশ সদস্যদের মারধর করেন।

প্রতিবেদনটি বস্তুনিষ্ঠ সম্পাদকীয় নীতি ও মাঠপর্যায়ের তথ্য যাচাই করে প্রকাশিত।
চলতি ডিজিটাল নিউজরুম