প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরের আগে রাষ্ট্রদূতকে ঢাকায় নিয়ে আসা ‘ইন্টারনাল ম্যাটার’
১-ক্লিকে সম্পূর্ণ খবর শুনুন (অনলাইন অডিও)

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গুরুত্বপূর্ণ জাপান সফরের ঠিক আগে টোকিওতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. দাউদ আলীকে ঢাকায় ফিরিয়ে এনেছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। েএ বিষয়ে প্রশ্ন উঠলেও বিষয়টিকে মন্ত্রণালয়ের ইন্টারনাল ম্যাটার (অভ্যন্তরীণ সিদ্ধান্ত) হিসেবে উল্লেখ করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ।
- প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গুরুত্বপূর্ণ জাপান সফরের ঠিক আগে টোকিওতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. দাউদ আলীকে ঢাকায় ফিরিয়ে এনেছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
- েএ বিষয়ে প্রশ্ন উঠলেও বিষয়টিকে মন্ত্রণালয়ের ইন্টারনাল ম্যাটার (অভ্যন্তরীণ সিদ্ধান্ত) হিসেবে উল্লেখ করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ।
- তার ভাষ্য, কখন কোন রাষ্ট্রদূতকে ডেকে পাঠানো হবে, তা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একান্ত নিজস্ব বিষয়।
আধুনিক ফুল-স্ট্যাক ও এআই ডেভেলপমেন্ট বুটক্যাম্প
ঘরে বসেই ক্যারিয়ার গড়ুন বিশ্বমানের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে। সীমিত আসন!
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গুরুত্বপূর্ণ জাপান সফরের ঠিক আগে টোকিওতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. দাউদ আলীকে ঢাকায় ফিরিয়ে এনেছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। েএ বিষয়ে প্রশ্ন উঠলেও বিষয়টিকে মন্ত্রণালয়ের ইন্টারনাল ম্যাটার (অভ্যন্তরীণ সিদ্ধান্ত) হিসেবে উল্লেখ করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ। তার ভাষ্য, কখন কোন রাষ্ট্রদূতকে ডেকে পাঠানো হবে, তা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একান্ত নিজস্ব বিষয়। শনিবার (২৪ অক্টোবর) রাজধানীর সিরডাপে কপ-৩১ সম্মেলন সামনে রেখে নাগরিক সমাজ ও উন্নয়ন সংস্থাগুলোর উদ্যোগে আয়োজিত জাতীয় সংলাপ শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রীর সফরের আগে রাষ্ট্রদূতকে ঢাকায় নিয়ে আসার কারণ জানতে চাইলে শামা ওবায়েদ বলেন, ‘ইটস অ্যান অ্যাবসলিউটলি ইন্টারনাল ম্যাটার অব ফরেন মিনিস্ট্রি। এটা কোনো জাতীয় বা আন্তর্জাতিক বিষয় নেই। এটি একটি স্ট্যান্ডার্ড প্রসিডিউর। কখন কোন রাষ্ট্রদূতকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ডেকে পাঠাবে, সেটি মন্ত্রণালয়ের একান্ত নিজস্ব বিষয়। ’ প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফর: বাণিজ্য, অর্থনৈতিক ও মেগা প্রকল্পে জোর রাষ্ট্রদূতকে ঢাকায় নিয়ে আসার বিষয়ে বিস্তারিত ব্যাখ্যা না দিলেও প্রধানমন্ত্রীর আসন্ন জাপান সফরকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী।
তিনি বলেন, জাপান বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান উন্নয়ন সহযোগী। মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় থেকে দুই দেশের সম্পর্কের সূচনা, যা সময়ের সঙ্গে আরও গভীর হয়েছে। শামা ওবায়েদ বলেন, ‘বিএনপি সরকারের সময় বাংলাদেশ-জাপান সম্পর্ক উন্নত অবস্থায় গেছে। এবার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সফরটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ’ তার মতে, এই সফরের মধ্য দিয়ে অবকাঠামো, জ্বালানি, প্রযুক্তি ও তৈরি পোশাকশিল্পের পাশাপাশি শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতেও সহযোগিতা সম্প্রসারণের সুযোগ তৈরি হবে। জাপানি বিনিয়োগ আকর্ষণকে সফরের অন্যতম লক্ষ্য হিসেবে তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর উদ্যোগে বিনিয়োগসংক্রান্ত নতুন আইন হয়েছে। বাংলাদেশে নতুন জাপানি বিনিয়োগ আনার প্রচেষ্টা সফরসঙ্গী প্রতিনিধিদলের আলোচনায় গুরুত্ব পাবে। সরকার আশা করছে, সফরটি প্রত্যাশার চেয়েও বেশি সফল হবে। এদিকে আসন্ন কপ-৩১ জলবায়ু সম্মেলনে বাংলাদেশের অবস্থান তুলে ধরতে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় যৌথভাবে কাজ করছে বলে জানিয়েছেন শামা ওবায়েদ।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের জনগোষ্ঠীর বাস্তব অবস্থা ও জাতীয় প্রেক্ষাপট বিবেচনায় নিয়ে সম্মেলনে দেশের অবস্থান তুলে ধরা হবে। বিশেষ করে জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে নারী ও শিশুদের দুর্ভোগ এবং দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে এর নেতিবাচক প্রভাব গুরুত্ব পাবে। জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতি মোকাবিলায় অর্থায়নের ধরন নিয়ে বাংলাদেশের অবস্থান স্পষ্ট করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশের কার্বন নিঃসরণ অত্যন্ত নগণ্য হলেও বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তনের বড় ভুক্তভোগীদের একটি। দক্ষিণ এশিয়ার অন্যান্য ক্ষতিগ্রস্ত দেশের সঙ্গে সমন্বিতভাবে এই বাস্তবতা আন্তর্জাতিক পরিসরে তুলে ধরতে হবে। শামা ওবায়েদের ভাষ্য, জলবায়ু তহবিলের অর্থ ঋণ হিসেবে নয়, অনুদান হিসেবে আসা উচিত। বিশেষ করে বাংলাদেশের মতো ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর জন্য অনুদানভিত্তিক অর্থায়ন জরুরি। তিনি বলেন, বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চল, গ্রাম ও শহরের মানুষ জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে নানা ধরনের দুর্ভোগের শিকার হচ্ছে। প্রাণহানিসহ বিভিন্ন ক্ষয়ক্ষতি কমাতে পর্যাপ্ত অর্থায়ন প্রয়োজন। তবে সেই অর্থায়ন অবশ্যই অনুদান আকারে হতে হবে।
কপ-৩১ সম্মেলনে বাংলাদেশের অভিন্ন অবস্থান নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট অংশীজন, পরিবেশ বিশেষজ্ঞ ও জলবায়ু মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা চলছে বলেও জানান তিনি। তার মতে, সম্মেলনে ঐক্যবদ্ধভাবে দেশের স্বার্থ তুলে ধরে সর্বোচ্চ সুবিধা আদায় করাই সরকারের লক্ষ্য। জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির আমন্ত্রণে আগামী ২৬ থেকে ২৯ অক্টোবর চার দিনের সরকারি সফরে জাপান যাবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সফরে বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে চারটির বেশি সমঝোতা স্মারক সই হওয়ার আশা করা হচ্ছে। পাশাপাশি দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতার অর্জন ও ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশনা তুলে ধরে একটি যৌথ বিবৃতি প্রকাশের পরিকল্পনা রয়েছে। প্রস্তাবিত সমঝোতা স্মারকগুলোতে কৃষি, মৎস্য, মানবসম্পদ উন্নয়ন, দক্ষতা বৃদ্ধি, বেসামরিক বিমান চলাচল, বাণিজ্য, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার আধুনিকায়নসহ বিভিন্ন খাতে সহযোগিতা সম্প্রসারণের বিষয় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। সফর সামনে রেখে দুই দেশের মধ্যে প্রায় আটটি দলিল চূড়ান্ত করার প্রস্তুতি চলছে। তবে চলমান আলোচনা শেষ হওয়ার পরই নির্ধারিত হবে, শেষ পর্যন্ত কতটি দলিল সই হবে। রাষ্ট্রদূতকে ঢাকায় নিয়ে আসার বিষয়ে বিস্তারিত ব্যাখ্যা না দিলেও প্রধানমন্ত্রীর আসন্ন জাপান সফরকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী। তার মতে, এই সফরের মধ্য দিয়ে অবকাঠামো, জ্বালানি, প্রযুক্তি ও তৈরি পোশাকশিল্পের পাশাপাশি শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতেও সহযোগিতা সম্প্রসারণের সুযোগ তৈরি হবে।
“দ্বিপাক্ষিক যেকোনো সম্পর্কে জাতীয় স্বার্থ ও সার্বভৌম অগ্রাধিকারকে শীর্ষে রাখা জরুরি। বাণিজ্যিক সমতা, সীমান্ত নিরাপত্তা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ বজায় রেখে দীর্ঘমেয়াদি কার্যকর অর্থনৈতিক কূটনীতি পরিচালনা করাই বর্তমান সময়ের দাবি।”
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ স্টার্টআপ ও এআই কনফারেন্স
রেজিস্ট্রেশন চলছে। এখনই আপনার আসন নিশ্চিত করুন।



