বিদেশের কারাগারে ১৫ হাজারের বেশি বাংলাদেশি, মিলছে না পর্যাপ্ত সরকারি সহযোগিতা
১-ক্লিকে সম্পূর্ণ খবর শুনুন (অনলাইন অডিও)

থাইল্যান্ডের একটি কারাগারে বন্দি আমজাদ হোসেন। তাকে দেশে ফিরিয়ে আনতে সরকারি সহায়তার জন্য গত দুই মাস ধরে সবখানে যোগাযোগের চেষ্টা করছেন স্ত্রী সুমনা আক্তার।
- থাইল্যান্ডের একটি কারাগারে বন্দি আমজাদ হোসেন।
- তাকে দেশে ফিরিয়ে আনতে সরকারি সহায়তার জন্য গত দুই মাস ধরে সবখানে যোগাযোগের চেষ্টা করছেন স্ত্রী সুমনা আক্তার।
- কিন্তু আমজাদকে ফিরিয়ে আনতে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে কি না, সে বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো সংবাদ পাননি সুমনা।
আধুনিক ফুল-স্ট্যাক ও এআই ডেভেলপমেন্ট বুটক্যাম্প
ঘরে বসেই ক্যারিয়ার গড়ুন বিশ্বমানের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে। সীমিত আসন!
থাইল্যান্ডের একটি কারাগারে বন্দি আমজাদ হোসেন। তাকে দেশে ফিরিয়ে আনতে সরকারি সহায়তার জন্য গত দুই মাস ধরে সবখানে যোগাযোগের চেষ্টা করছেন স্ত্রী সুমনা আক্তার। কিন্তু আমজাদকে ফিরিয়ে আনতে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে কি না, সে বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো সংবাদ পাননি সুমনা। কারাগারে স্বামীর বন্দি থাকার খবর তিনি বাংলাদেশের কোনো কূটনৈতিক মিশনের কাছ থেকে পাননি। বরং গত সাড়ে তিন মাসে ওই একই কারাগার থেকে মুক্তি পেয়ে দেশে ফেরা বাংলাদেশিদের কাছ থেকে স্বামীর খোঁজ পান সুমনা।
থাইল্যান্ডের কারাগার থেকে ফেরা ২৪ বাংলাদেশি জানিয়েছেন বন্দি থাকা অবস্থায় নির্যাতন ও পাচারের শিকার হওয়ার নির্মম অভিজ্ঞতার কথা। পরিবারের আর্থিক অনটন মেটাতে ৪১ বছর বয়সী আমজাদ গত বছরের ডিসেম্বরে কাজের আশায় দেশ ছাড়েন। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে তিনি পাচারের শিকার হয়ে লাওস ও কম্বোডিয়াসহ কয়েকটি দেশ ঘুরে শেষ পর্যন্ত ঠাঁই পান থাইল্যান্ডের এক কারাগারে। সেখান থেকে ২৪ বাংলাদেশি দেশে ফেরার সময় তাদের কাছে দিয়েছিলেন স্ত্রীর ফোন নম্বর। তারাই এসে সুমনাকে জানিয়েছেন আমজাদের বর্তমান পরিস্থিতির তথ্য।
৮ বছরের মেয়েকে নিয়ে রাজবাড়ীতে থাকেন সুমনা। দ্য ডেইলি স্টারকে তিনি বলেন, 'স্বামীকে ফিরিয়ে আনতে সহযোগিতার আবেদন জানিয়ে দুই মাস আগে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে দরখাস্ত করি। আমি স্বামীকে জীবিত ফেরত চাই। তার লাশ চাই না, লাশ দিয়ে কী করব। আমি আর এই মেয়ে ছাড়া এই পৃথিবীতে তার আর কেউ নেই।
আমরা আবার তাকে দেখতে চাই। এই পরিবারটির এমন করুণ অভিজ্ঞতাই জানান দেয় বিদেশে বন্দি স্বজনদের তথ্য সংগ্রহ, আইনি সহায়তা ও দেশে ফিরিয়ে আনার সময় তাদের কত ধরনের ভোগান্তির মধ্য দিয়ে যেতে হয়। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে পাওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বিশ্বের বিভিন্ন দেশের কারাগারে ১৫ হাজার ২১৩ বাংলাদেশি বন্দি আছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আছে সৌদি আরবে, এরপরেই রয়েছে মালয়েশিয়া ও ভারতে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ৩০ সেপ্টেম্বরের ডেটাবেজ অনুযায়ী, শুধু জেদ্দাতেই অন্তত ৫ হাজার ৪৮০ বাংলাদেশি আটক আছেন। গতকাল পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম জানিয়েছেন, সৌদি আরবের বিভিন্ন কারাগারে প্রায় ৭ হাজার ৫০০ বন্দি আছেন। এছাড়া মালয়েশিয়ায় ২ হাজার ২১৭ জন ও ভারতে ১ হাজার ৪৪৪ বাংলাদেশি বন্দি আছেন।
“যোগাযোগ ব্যবস্থার এই সংযোগ আঞ্চলিক অর্থনীতি ও কর্মসংস্থানে ব্যাপক ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। তবে মেগা অবকাঠামো প্রকল্পের ক্ষেত্রে নির্ধারিত মেয়াদে কাজ সম্পন্ন করা এবং আর্থিক বরাদ্দের সর্বোচ্চ সদ্ব্যবহার নিশ্চিত করাই প্রধান চ্যালেঞ্জ।”
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ স্টার্টআপ ও এআই কনফারেন্স
রেজিস্ট্রেশন চলছে। এখনই আপনার আসন নিশ্চিত করুন।



