ইয়েমেনের নৌ-ঘাঁটি ও সামরিক শিবিরে হুতিদের হামলা
১-ক্লিকে সম্পূর্ণ খবর শুনুন (অনলাইন অডিও)

ইয়েমেনের দক্ষিণাঞ্চলীয় বন্দরনগরী এডেনের একটি নৌ-ঘাঁটি ও সামরিক শিবিরে হামলার দাবি করেছে ইরান-সমর্থিত হুতি বিদ্রোহীরা। শনিবার (২৪ অক্টোবর) শহরটিতে একাধিক বিস্ফোরণের শব্দ শোনার পর এ দাবি করে গোষ্ঠীটি।
- ইয়েমেনের দক্ষিণাঞ্চলীয় বন্দরনগরী এডেনের একটি নৌ-ঘাঁটি ও সামরিক শিবিরে হামলার দাবি করেছে ইরান-সমর্থিত হুতি বিদ্রোহীরা।
- শনিবার (২৪ অক্টোবর) শহরটিতে একাধিক বিস্ফোরণের শব্দ শোনার পর এ দাবি করে গোষ্ঠীটি।
- তবে হামলায় হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
আধুনিক ফুল-স্ট্যাক ও এআই ডেভেলপমেন্ট বুটক্যাম্প
ঘরে বসেই ক্যারিয়ার গড়ুন বিশ্বমানের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে। সীমিত আসন!
ইয়েমেনের দক্ষিণাঞ্চলীয় বন্দরনগরী এডেনের একটি নৌ-ঘাঁটি ও সামরিক শিবিরে হামলার দাবি করেছে ইরান-সমর্থিত হুতি বিদ্রোহীরা। শনিবার (২৪ অক্টোবর) শহরটিতে একাধিক বিস্ফোরণের শব্দ শোনার পর এ দাবি করে গোষ্ঠীটি। তবে হামলায় হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
হুতিদের সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি বলেন, আমাদের সশস্ত্র বাহিনী এডেনের কথিত আল-নাসর শিবির এবং নৌ-ঘাঁটিতে সৌদি শত্রু বাহিনীর অবস্থান লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে। স্থাপনা দুটি সৌদি বাহিনীর তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হয়। আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ইয়েমেন সরকারের অন্তর্বর্তীকালীন সদর দপ্তর এডেনে অবস্থিত।
সৌদি-সমর্থিত সরকারের বিরুদ্ধে লড়াইরত হুতিরা সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে শহরটিতে একাধিকবার হামলা চালিয়েছে। এর মধ্যে প্রেসিডেন্টের প্রাসাদও রয়েছে। ইয়েমেনে সৌদির বিমান হামলায় নারী-শিশুসহ নিহত ৯ হুতিরা বুধবারও এডেনে সৌদি বাহিনীর একটি অবস্থানে হামলার দাবি করেছিল।
ওই সময় শহরের বিমানবন্দরের কাছে ধোঁয়া উঠতে দেখা যায়। এর আগের সপ্তাহে এডেন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের সীমানার ভেতরে দুটি ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানে বলেও জানায় গোষ্ঠীটি। এদিকে শনিবার এডেন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের আশপাশে চারটি বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে বলে ঘটনাস্থলে থাকা সংবাদকর্মীরা জানিয়েছেন। বিস্ফোরণের কারণ, লক্ষ্যবস্তু কিংবা এতে কেউ হতাহত হয়েছেন কি না, তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। সূত্র : আল জাজিরা।
“আন্তর্জাতিক ভূ-রাজনীতি ও আঞ্চলিক নিরাপত্তা রক্ষায় সংঘাত ও অর্থনৈতিক অবরোধ পরিহার করে টেকসই কূটনৈতিক সংলাপের বিকল্প নেই। বেসামরিক জনগণের জানমাল রক্ষা ও অবাধ মানবিক সহায়তা নিশ্চিত করাই বৈশ্বিক সম্প্রদায়ের সর্বোচ্চ দায়িত্ব।”
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ স্টার্টআপ ও এআই কনফারেন্স
রেজিস্ট্রেশন চলছে। এখনই আপনার আসন নিশ্চিত করুন।



