বাংলায় পড়ুন
Reader Tools:
National📍 dhaka

সরকারের ঋণ বাড়লে মানুষের কষ্ট বাড়ে কেন?

Cholti News English Desk10/22/2026
2 min read10 views
AI Neural Voice Audio

1-Click Audio Report (Universal Voice)

00:00Google Cloud Neural Audio00:00
সরকারের ঋণ বাড়লে মানুষের কষ্ট বাড়ে কেন?
Full View
Photo: Archive • Cholti News Special Coverage
Executive Briefing & Key Context

জীবনযাত্রার বাড়তি খরচ, কম মজুরি, সাধ্যের বাইরে চলে যাওয়া বাড়ির দাম এবং বাজেট-সংকটে থাকা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ওপর ক্ষোভ জানিয়ে সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে ইউরোপজুড়ে লাখ লাখ মানুষ রাস্তায় নেমে এসেছে। ফ্রান্স, বেলজিয়াম, ইতালি ও পর্তুগালে চলা এসব বিক্ষোভের বেশ কয়েকটি সহিংসতা, ভাঙচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগে রূপ নিলেও অনেক প্রতিবাদই শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়েছে।

3 Essential Key Takeaways
  • জীবনযাত্রার বাড়তি খরচ, কম মজুরি, সাধ্যের বাইরে চলে যাওয়া বাড়ির দাম এবং বাজেট-সংকটে থাকা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ওপর ক্ষোভ জানিয়ে সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে ইউরোপজুড়ে লাখ লাখ মানুষ রাস্তায় নেমে এসেছে।
  • ফ্রান্স, বেলজিয়াম, ইতালি ও পর্তুগালে চলা এসব বিক্ষোভের বেশ কয়েকটি সহিংসতা, ভাঙচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগে রূপ নিলেও অনেক প্রতিবাদই শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়েছে।
  • কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই অসন্তোষের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে ফ্রান্স।
SPONSORED PARTNERNational Savings Bureau

National Investment & Sovereign Savings Bond Scheme

Secure high guaranteed yields backed by official treasury securities.

Learn More

জীবনযাত্রার বাড়তি খরচ, কম মজুরি, সাধ্যের বাইরে চলে যাওয়া বাড়ির দাম এবং বাজেট-সংকটে থাকা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ওপর ক্ষোভ জানিয়ে সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে ইউরোপজুড়ে লাখ লাখ মানুষ রাস্তায় নেমে এসেছে। ফ্রান্স, বেলজিয়াম, ইতালি ও পর্তুগালে চলা এসব বিক্ষোভের বেশ কয়েকটি সহিংসতা, ভাঙচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগে রূপ নিলেও অনেক প্রতিবাদই শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়েছে। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই অসন্তোষের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে ফ্রান্স। শিক্ষা ব্যয় ও জীবনযাত্রার উচ্চমূল্যের প্রতিবাদে শিক্ষার্থীদের সপ্তাহজুড়ে চলা আন্দোলনের অংশ হিসেবে শনিবার (১৭ অক্টোবর) দেশজুড়ে সাড়ে ৫ লাখেরও বেশি মানুষ বিক্ষোভ করেছে বলে জানিয়েছে দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। জনগণের এই ক্ষোভ মূলত সরকারি অর্থায়নের দীর্ঘদিনের টানাপোড়েনকেই প্রকাশ্যে নিয়ে এসেছে, যা নিয়ন্ত্রণে সরকারগুলো এখন হিমশিম খাচ্ছে। বছরের পর বছর ধরে অতিরিক্ত ঋণ নেওয়ার ফলে ইউরোপের অনেক দেশ আজ দেনায় জর্জরিত, আর সেই ঋণের বোঝাও দিন দিন আরও ব্যয়বহুল হয়ে উঠছে। ২০০২ সালের পর ফ্রান্সে ঋণ নেওয়ার খরচ এখন সবচেয়ে বেশি।

সরকার সুদের পেছনে যত বেশি অর্থ ব্যয় করছে, আন্দোলনকারীদের কাঙ্ক্ষিত শিক্ষা, হাসপাতাল বা পেনশনের পেছনে দেওয়ার মতো অর্থ তাদের হাতে ততটাই কমে আসছে। সরকার কীভাবে অর্থ ঋণ নেয়। সাধারণ মানুষ যেভাবে ব্যাংক থেকে ঋণ নেয়, সরকারগুলোও অনেকটা সেভাবেই অর্থ ধার করে। তবে ব্যাংকে যাওয়ার বদলে তারা মূলত ‘বন্ড’ বিক্রি করে। এর বিনিময়ে সরকার বন্ড ক্রেতাদের নির্দিষ্ট হারে সুদ দেয় এবং একটি নির্ধারিত তারিখে পুরো আসল অর্থ ফেরত দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেয়। একটি ১০ বছর মেয়াদি বন্ড হলো মূলত একটি ঋণ, যা সরকার এক দশক পর পরিশোধ করে। আর এর লভ্যাংশ হলো বিনিয়োগকারীরা ঋণ দিয়ে যে মুনাফা অর্জন করে তা।

একটি দেশ তার ঋণ কতটা দক্ষতার সঙ্গে সামলাতে পারছে এবং বাজার সেটির ওপর কতটা আস্থা রাখে, তা পরিমাপের সবচেয়ে বড় মানদণ্ড হলো এই লভ্যাংশ। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, একজন বিনিয়োগকারী ১০০ ইউরো দিয়ে একটি ১০ বছর মেয়াদি বন্ড কিনলে ২.৫ শতাংশ সুদের হারে তিনি প্রতি বছর ২.৫০ ইউরো করে ১০ বছরে মোট ২৫ ইউরো সুদ পাবেন। আর ৫ শতাংশ সুদের হার হলে বছরে ৫ ইউরো করে মোট ৫০ ইউরো সুদ পাবেন এবং ১০ বছর মেয়াদ শেষে তার মূল ১০০ ইউরো ফেরত পাবেন। ঋণগ্রহণ যখন আরও ব্যয়বহুল হয়ে ওঠে তখন কী ঘটে। বন্ডের দাম যখন কমে যায়, তখন সুদের হার বাড়ে। ফলে ঋণ নেওয়া আরও ব্যয়বহুল হয়ে পড়ে। অতিরিক্ত বন্ধকী সুদের হারের মুখোমুখি হওয়া কোনো পরিবারের মতোই, একটি সরকারও তখন সুদের পেছনে বেশি অর্থ ব্যয় করে এবং শিক্ষা, হাসপাতাল ও রাস্তার মতো মৌলিক খাতগুলোর জন্য তাদের হাতে কম অর্থ থাকে।

২০০০-এর দশকের শুরুতে ইউরো চালু হওয়ার পর থেকে প্রধান ইউরোপীয় দেশগুলোর জন্য ১০ বছর মেয়াদি ঋণের সুদের হার এত বেশি (৫ শতাংশ) আর কখনো ওঠেনি। ২০১০ থেকে ২০১২ সালের ইউরো অঞ্চল ঋণ সংকটের সময়ে কেবল গ্রিস, ইতালি ও স্পেনের মতো সংকটাপন্ন দেশগুলোকেই ওই পরিমাণ বা তার চেয়ে বেশি সুদ গুনতে হয়েছিল। এমনকি সুদের হার ৭ শতাংশ ছাড়িয়ে যাওয়ার কারণে আয়ারল্যান্ড ও পর্তুগাল বড় ধরনের আর্থিক সংকটে পড়েছিল এবং তাদের দেউলিয়া হওয়া এড়াতে আন্তর্জাতিক ঋণের ওপর নির্ভর করতে হয়েছিল। জার্মানি যেখানে ১০ বছর মেয়াদি ঋণের জন্য ৩.৪১ শতাংশ সুদ দেয়, সেখানে ফ্রান্সকে দিতে হচ্ছে প্রায় ৫ শতাংশ। এই বিশাল ব্যবধান দেখায় যে, ফ্রান্সকে টাকা ধার দেওয়ার ক্ষেত্রে ঝুঁকি বেশি মনে করায় বিনিয়োগকারীরা এখন জার্মানির চেয়ে বেশি লাভ বা রিটার্ন চাইছেন। জার্মানির ৩.৪১ শতাংশের তুলনায় ফ্রান্সকে এখন ১০ বছর মেয়াদি ঋণের জন্য প্রায় ৫ শতাংশ সুদ দিতে হচ্ছে। এই ক্রমবর্ধমান ব্যবধান এটিই প্রকাশ করে, ফ্রান্সকে ঋণ দেওয়ার ক্ষেত্রে বিনিয়োগকারীরা এখন আরও বেশি মুনাফা বা রিটার্ন দাবি করছেন। ইউরো অঞ্চলের ঋণ সংকটে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত দুটি দেশ—ইতালি ও গ্রিসের চেয়েও ফ্রান্স এখন বেশি সুদ গুনছে। কেবল ইউরো অঞ্চলের বাইরে থাকা যুক্তরাজ্যকেই তাদের চেয়ে বেশি সুদ দিতে হচ্ছে।

Cholti News Perspective • Neutral AI Analysis

“In evaluating developments in Dhaka, institutional accountability and long-term public welfare must remain the guiding benchmarks for sustainable progress.”

Compiled, verified, and edited under Cholti News Editorial Guidelines.
SHARE THIS STORY: