দাঙ্গা দমনে ফ্রান্সে ৭০ হাজার পুলিশ মোতায়েনের ঘোষণা
1-Click Audio Report (Universal Voice)

ফ্রান্সে চলতি সপ্তাহের শেষে নিরাপত্তা জোরদার করতে ৭০ হাজার পুলিশ মোতায়েনের ঘোষণা দিয়েছে সরকার। দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানিয়েছেন, শহরগুলোর রাস্তায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় বিপুলসংখ্যক নিরাপত্তাকর্মী মোতায়েন করা হবে।
- ফ্রান্সে চলতি সপ্তাহের শেষে নিরাপত্তা জোরদার করতে ৭০ হাজার পুলিশ মোতায়েনের ঘোষণা দিয়েছে সরকার।
- দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানিয়েছেন, শহরগুলোর রাস্তায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় বিপুলসংখ্যক নিরাপত্তাকর্মী মোতায়েন করা হবে।
- খবর দ্য গার্ডিয়ানের।
National Investment & Sovereign Savings Bond Scheme
Secure high guaranteed yields backed by official treasury securities.
ফ্রান্সে চলতি সপ্তাহের শেষে নিরাপত্তা জোরদার করতে ৭০ হাজার পুলিশ মোতায়েনের ঘোষণা দিয়েছে সরকার। দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানিয়েছেন, শহরগুলোর রাস্তায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় বিপুলসংখ্যক নিরাপত্তাকর্মী মোতায়েন করা হবে। খবর দ্য গার্ডিয়ানের। দাঙ্গা দমনকারী দলসহ বিশেষ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত অভিজাত বাহিনীর সদস্যদেরও দায়িত্ব দেওয়া হবে।
সহায়তার জন্য পুলিশ প্রশিক্ষণার্থীদেরও কাজে লাগানো হচ্ছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লরাঁ নুনেজ বলেন, সরকার এমন একটি বাহিনী মোতায়েন করতে চায়, যারা অত্যন্ত দ্রুত চলাচলে সক্ষম, তৎপর ও কার্যকর। সরকারি ও জনসাধারণের ব্যবহৃত গুরুত্বপূর্ণ ভবনগুলোর বাইরে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কিছু ইউনিটকে বিশেষভাবে মোতায়েন করা হবে। এদিকে নিরাপত্তা পরিস্থিতির কারণে ফ্রান্সের বেশ কয়েকটি জাদুঘর ও পর্যটনকেন্দ্র বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এর মধ্যে প্যারিসের বিখ্যাত লুভর ও ওর্সে জাদুঘরও রয়েছে। ফ্রান্সে যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত, নিহত ১ পাশাপাশি বিভিন্ন দোকান ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানও সম্ভাব্য পরিস্থিতি মোকাবিলায় নিজেদের স্থাপনা সুরক্ষিত করতে জানালা ও প্রবেশপথে কাঠের তক্তা লাগাচ্ছে। এদিকে ফ্রান্সে সাম্প্রতিক অস্থিরতার পর আগামী কয়েক দিনের জন্য ট্রেড ইউনিয়ন ছাড়া অন্য সংগঠনগুলোর বিক্ষোভ ও সমাবেশ নিষিদ্ধ করার ঘোষণা দিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল মাখোঁ। বিশেষ করে আগামী শনিবার এ নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করার কথা জানিয়েছেন তিনি।
বৃহস্পতিবার নিরাপত্তাবিষয়ক এক বৈঠকের পর মাখোঁ বলেন, যেসব সংগঠনের বিক্ষোভ বা সমাবেশ আয়োজনের বৈধতা নেই, তাদের আবেদন স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তারা বাতিল করবেন। তিনি জানান, ট্রেড ইউনিয়নগুলো দেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভের অনুমতি চাইতে পারবে। তাদের আবেদন পর্যালোচনা করবেন স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তারা। ট্রেড ইউনিয়নগুলোর আবেদনের ক্ষেত্রে তারা বিকল্প পথে বিক্ষোভ করার প্রস্তাব দেবেন। সূত্র : দ্য গার্ডিয়ান। পাশাপাশি বিভিন্ন দোকান ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানও সম্ভাব্য পরিস্থিতি মোকাবিলায় নিজেদের স্থাপনা সুরক্ষিত করতে জানালা ও প্রবেশপথে কাঠের তক্তা লাগাচ্ছে।
“In evaluating developments in Dhaka, institutional accountability and long-term public welfare must remain the guiding benchmarks for sustainable progress.”
Digital Innovation Summit 2026
Join South Asia's leading tech and AI entrepreneurship summit.
