সাজেকে কাল থেকে আবার অবরোধের ঘোষণা, পর্যটকদের চলে আসার অনুরোধ
1-Click Audio Report (Universal Voice)

রাঙামাটির বাঘাইছড়ির সাজেক পর্যটন সড়কে তৃতীয় দফায় অবরোধের ঘোষণা দিয়েছেন আন্দোলনকারীরা। আগামীকাল বৃহস্পতিবার থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য অবরোধ শুরু হবে।
- রাঙামাটির বাঘাইছড়ির সাজেক পর্যটন সড়কে তৃতীয় দফায় অবরোধের ঘোষণা দিয়েছেন আন্দোলনকারীরা।
- আগামীকাল বৃহস্পতিবার থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য অবরোধ শুরু হবে।
- তাই আজ বুধবারের মধ্যে সাজেক থেকে সব পর্যটককে চলে আসার অনুরোধ জানিয়েছেন তাঁরা।
National Investment & Sovereign Savings Bond Scheme
Secure high guaranteed yields backed by official treasury securities.
রাঙামাটির বাঘাইছড়ির সাজেক পর্যটন সড়কে তৃতীয় দফায় অবরোধের ঘোষণা দিয়েছেন আন্দোলনকারীরা। আগামীকাল বৃহস্পতিবার থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য অবরোধ শুরু হবে। তাই আজ বুধবারের মধ্যে সাজেক থেকে সব পর্যটককে চলে আসার অনুরোধ জানিয়েছেন তাঁরা। আজ বিকেলে সাজেক কার্বারি অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি নতুন জয় চাকমা ও সাজেক গণ–অধিকার রক্ষা কমিটির আহ্বায়ক বাবুধন চাকমার সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, এর আগে বাঘাইহাট ও মাচলং বাজার দুর্গাপূজা উদ্যাপন কমিটির অনুরোধে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে গত শুক্রবার থেকে আজ বুধবার পর্যন্ত সড়ক অবরোধ কর্মসূচি স্থগিত করা হয়েছিল। দাবি পূরণ না হওয়ায় পূজা শেষে আগামীকাল থেকে আবারও রাজপথে নামার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
সার্বিক নিরাপত্তার স্বার্থে আজকের মধ্যেই পর্যটকদের সাজেক ত্যাগ করার অনুরোধ জানাচ্ছি। এর আগে ১৫ অক্টোবর সকাল ছয়টা থেকে সাজেক পর্যটন সড়কে দ্বিতীয় দফায় অনির্দিষ্টকালের অবরোধ শুরু করেন সাজেক গণ–অধিকার রক্ষা কমিটি ও সাজেক কার্বারি অ্যাসোসিয়েশনের নেতা-কর্মীরা। তাঁরা সড়কের বিভিন্ন স্থানে টায়ার ও গাছের গুঁড়িতে আগুন জ্বালিয়ে বিক্ষোভ করেন। বাঘাইহাটের ১০ নম্বর এলাকা, গঙ্গারাম সেতু ও মাচলঙের ১৪ কিলোসহ কয়েকটি স্থানে সড়ক অবরোধ করা হয়। এতে সাজেকে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। ভোগান্তিতে পড়েন পর্যটক ও স্থানীয় বাসিন্দারা।
অবরোধকারীদের তিন দফা দাবির মধ্যে রয়েছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির (জেএসএস–সন্তু লারমা) সশস্ত্র সদস্যদের সাজেক এলাকা থেকে সরিয়ে নেওয়া। ১১ অক্টোবর একই দাবিতে অনির্দিষ্টকালের অবরোধের ডাক দিয়েছিলেন তাঁরা। সেদিন বিকেলে প্রশাসনের আশ্বাসে ৪৮ ঘণ্টার জন্য কর্মসূচি স্থগিত করা হয়। এরপর গতকাল বুধবার যৌথ বিবৃতিতে দ্বিতীয় দফায় অবরোধের ঘোষণা দেন দুই সংগঠনের নেতারা। বিবৃতিতে অভিযোগ করা হয়, সাজেক এলাকায় জেএসএসের সশস্ত্র সদস্যরা তৎপরতা চালাচ্ছেন এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের হুমকি ও ভয়ভীতি দেখাচ্ছেন। তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে প্রশাসনকে সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হলেও কার্যকর পদক্ষেপ না নেওয়ায় অবরোধের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছে জেএসএস। সংগঠনটির প্রচার সম্পাদক সজীব চাকমা প্রথম আলোকে বলেন, সাজেকে সাধারণ মানুষের ওপর ইউপিডিএফের সশস্ত্র সদস্যদের দীর্ঘদিনের নিপীড়ন ও হয়রানির বিষয়টি আড়াল করতেই এমন অভিযোগ তোলা হচ্ছে। ইউপিডিএফের চাপে সংগঠন দুটি অবরোধ কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বলেও দাবি করেন তিনি। অবরোধের কারণে গত রোববার পর্যটকবাহী যানবাহন সাজেকে আটকা পড়েছিল। ওই দিন সন্ধ্যায় নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে সাজেক সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করে জেলা প্রশাসন। অবরোধ প্রত্যাহারের ঘোষণায় ১৫ অক্টোবর এ নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হয়।
“In evaluating developments in Dhaka, institutional accountability and long-term public welfare must remain the guiding benchmarks for sustainable progress.”
Digital Innovation Summit 2026
Join South Asia's leading tech and AI entrepreneurship summit.
