জমিয়তের এক সহকারী মহাসচিবকে শোকজ
1-Click Audio Report (Universal Voice)

দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ ও কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তের বাইরে পৃথক কর্মসূচি আয়োজনের অভিযোগে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের সহকারী মহাসচিব মাওলানা জামিল আহমদ আনসারীকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) দলের অফিস সম্পাদক মাওলানা হেদায়েতুল ইসলাম স্বাক্ষরিত নোটিশে তাকে আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে কেন্দ্রীয় সভাপতি বরাবর লিখিত জবাব দিতে বলা হয়েছে।
- দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ ও কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তের বাইরে পৃথক কর্মসূচি আয়োজনের অভিযোগে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের সহকারী মহাসচিব মাওলানা জামিল আহমদ আনসারীকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে।
- মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) দলের অফিস সম্পাদক মাওলানা হেদায়েতুল ইসলাম স্বাক্ষরিত নোটিশে তাকে আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে কেন্দ্রীয় সভাপতি বরাবর লিখিত জবাব দিতে বলা হয়েছে।
- নোটিশে বলা হয়, গত ৬ আগস্ট অনুষ্ঠিত কেন্দ্রীয় আমেলা অধিবেশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ১৫ অক্টোবর মৌলভীবাজার জেলা জমিয়তের কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হয়।
National Investment & Sovereign Savings Bond Scheme
Secure high guaranteed yields backed by official treasury securities.
দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ ও কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তের বাইরে পৃথক কর্মসূচি আয়োজনের অভিযোগে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের সহকারী মহাসচিব মাওলানা জামিল আহমদ আনসারীকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) দলের অফিস সম্পাদক মাওলানা হেদায়েতুল ইসলাম স্বাক্ষরিত নোটিশে তাকে আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে কেন্দ্রীয় সভাপতি বরাবর লিখিত জবাব দিতে বলা হয়েছে। নোটিশে বলা হয়, গত ৬ আগস্ট অনুষ্ঠিত কেন্দ্রীয় আমেলা অধিবেশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ১৫ অক্টোবর মৌলভীবাজার জেলা জমিয়তের কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হয়।
এতে কেন্দ্রীয়ভাবে দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতারা উপস্থিত ছিলেন। সব সাংবাদিককে গালি দিইনি: এনায়েতুল্লাহ আব্বাসি তবে কাউন্সিল নিয়ে কেন্দ্রের কাছে লিখিতভাবে কোনো আপত্তি না জানিয়ে মাওলানা জামিল আহমদ আনসারী স্থানীয় দায়িত্বশীল মাওলানা আবদুল জব্বার ও মুফতি আশরাফুল হকসহ কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে একই দিনে জেলা প্রেসক্লাবে দলীয় ব্যানারে একটি উলামা সমাবেশের আয়োজন করেন বলে নোটিশে অভিযোগ করা হয়। এতে আরও বলা হয়, ১৪ অক্টোবর জেলা জমিয়তের প্যাড ব্যবহার করে কেন্দ্রীয় ব্যবস্থাপনায় আয়োজিত কাউন্সিলে অংশ না নিতে দলীয় নেতা-কর্মীদের প্রতি অনুরোধ জানানো হয়।
পরে ওই সমাবেশকে কাউন্সিলের রূপ দিয়ে সেখানে পৃথক একটি কমিটিও ঘোষণা করা হয়। নোটিশে উল্লেখ করা হয়, ওই কর্মসূচিতে কয়েকজন বক্তা ‘আমাদের সঙ্গে কেন্দ্রের যোগাযোগ আছে’ বলেও বক্তব্য দেন। এসব কর্মকাণ্ডকে দলীয় শৃঙ্খলা ও আনুগত্যের পরিপন্থী এবং দলের জন্য ক্ষতিকর বলে উল্লেখ করা হয়েছে নোটিশে।
এতে আরও বলা হয়, গত ১৯ অক্টোবর অনুষ্ঠিত কেন্দ্রীয় খাস কমিটির বৈঠকের সিদ্ধান্ত এবং দলের গঠনতন্ত্রের ১৬ ধারার উপধারা ২ ও ৫ এবং ৪৫ ধারার ‘খ’ উপধারা অনুযায়ী কেন্দ্রীয় সভাপতির নির্দেশক্রমে মাওলানা জামিল আহমদ আনসারীকে এ কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। নোটিশে জানতে চাওয়া হয়েছে, দলীয় শৃঙ্খলা ও আনুগত্যবিরোধী এসব কর্মকাণ্ডের জন্য কেন তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিকভাবে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে না। নির্ধারিত দুই সপ্তাহের মধ্যে সন্তোষজনক জবাব দিতে ব্যর্থ হলে তার বিরুদ্ধে পরবর্তী সময়ে সাংগঠনিকভাবে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে কাউন্সিল নিয়ে কেন্দ্রের কাছে লিখিতভাবে কোনো আপত্তি না জানিয়ে মাওলানা জামিল আহমদ আনসারী স্থানীয় দায়িত্বশীল মাওলানা আবদুল জব্বার ও মুফতি আশরাফুল হকসহ কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে একই দিনে জেলা প্রেসক্লাবে দলীয় ব্যানারে একটি উলামা সমাবেশের আয়োজন করেন বলে নোটিশে অভিযোগ করা হয়।
“In evaluating developments in Dhaka, institutional accountability and long-term public welfare must remain the guiding benchmarks for sustainable progress.”
Digital Innovation Summit 2026
Join South Asia's leading tech and AI entrepreneurship summit.
