২১ সেপ্টেম্বর মার্কিন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান; দ্বিপাক্ষিক ও কূটনৈতিক সম্পর্ক জোরদারের লক্ষ্য
১-ক্লিকে সম্পূর্ণ খবর শুনুন (অনলাইন অডিও)

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আগামী ২১ সেপ্টেম্বর এক গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় সফরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশ্যে ঢাকা ত্যাগ করবেন। এই সফরে তিনি জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগদানের পাশাপাশি মার্কিন প্রশাসনের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের সাথে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে অংশ নেবেন বলে জানা গেছে। সফরটি বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার বাণিজ্যিক ও কূটনৈতিক সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
- আগামী ২১ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশ্যে ঢাকা ত্যাগ করবেন এবং জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে অংশ নেবেন।
- সফরে মার্কিন প্রশাসনের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা, ব্যবসায়ী প্রতিনিধি ও আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রধানদের সাথে একাধিক দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের কথা রয়েছে।
- দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য বৃদ্ধি, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলা এবং রোহিঙ্গা সংকট নিরসনে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদার করাই এই সফরের মূল লক্ষ্য।
আধুনিক ফুল-স্ট্যাক ও এআই ডেভেলপমেন্ট বুটক্যাম্প
ঘরে বসেই ক্যারিয়ার গড়ুন বিশ্বমানের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে। সীমিত আসন!
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আগামী ২১ সেপ্টেম্বর এক গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় সফরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশ্যে ঢাকা ত্যাগ করতে যাচ্ছেন। এই সফরকে কেন্দ্র করে দেশের কূটনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক তোড়জোড় শুরু হয়েছে এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ইতিমধ্যে যাবতীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে। প্রধানমন্ত্রীর এই সফরে একটি উচ্চপর্যায়ের সরকারি ও ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদল তার সফরসঙ্গী হিসেবে থাকবেন বলে নিশ্চিত করা হয়েছে। মূলত জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগদানের পাশাপাশি ওয়াশিংটন ও নিউইয়র্কে একাধিক দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে অংশ নেবেন তিনি। এই সফরটি বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বাংলাদেশ ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে নানা টানাপোড়েন ও সহযোগিতার নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়েছে। এই সফরে বাণিজ্য সম্প্রসারণ, সরাসরি বৈদেশিক বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবেলা যৌথ অংশীদারিত্বের বিষয়গুলো প্রাধান্য পাবে। এছাড়া, বাংলাদেশে আশ্রিত রোহিঙ্গা শরণার্থীদের টেকসই প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতে মার্কিন প্রশাসনের জোরালো সমর্থন আদায়ের চেষ্টা করবে ঢাকা। পূর্ববর্তী কূটনৈতিক বৈঠকগুলোর ধারাবাহিকতায় এই সফরটি দুই দেশের মধ্যকার কৌশলগত অংশীদারিত্বকে আরও সুসংহত করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, সফরকালে প্রধানমন্ত্রী মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষস্থানীয় ব্যবসায়ী ও বিনিয়োগকারীদের সাথে একটি গোলটেবিল বৈঠকে অংশ নিয়ে বাংলাদেশে বিনিয়োগের অনুকূল পরিবেশ তুলে ধরবেন। একই সাথে, মার্কিন পররাষ্ট্র দফতর ও হোয়াইট হাউসের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের সাথে দ্বিপাক্ষিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে। প্রবাসী বাংলাদেশিদের পক্ষ থেকেও প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে নিউইয়র্কে বিশেষ নাগরিক সংবর্ধনার আয়োজন করা হচ্ছে। আইন প্রয়োগকারী সংস্থা ও কূটনৈতিক মিশনগুলো এই সফরের নিরাপত্তা ও প্রটোকল নিশ্চিত করতে নিবিড়ভাবে কাজ করছে।
এই সফরের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ তার ভারসাম্যপূর্ণ পররাষ্ট্রনীতির কার্যকারিতা প্রমাণ করতে পারবে বলে আশা করা যায়। বৈশ্বিক পরাশক্তিগুলোর সাথে সুসম্পর্ক বজায় রেখে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত করাই হবে এই সফরের মূল পরীক্ষা। তবে কেবল আনুষ্ঠানিক বৈঠকের মধ্যেই সীমাবদ্ধ না থেকে, সম্পাদিত চুক্তি ও সমঝোতা স্মারকগুলোর বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা জরুরি। দীর্ঘমেয়াদে এই কূটনৈতিক তৎপরতা বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করতে এবং বৈদেশিক বাণিজ্যে নতুন বাজার সৃষ্টিতে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।
“প্রধানমন্ত্রীর এই মার্কিন সফর বাংলাদেশের কূটনৈতিক পরিপক্কতার একটি বড় পরীক্ষা। বৈশ্বিক ভূ-রাজনীতিতে নিরপেক্ষতা বজায় রেখে অর্থনৈতিক সুবিধা আদায় করাই হবে এই সফরের মূল সাফল্য।”
এই বিভাগের আরও সংবাদ

বিএনপি মিডিয়া সেলের সদস্যকে অব্যাহতি: অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা রক্ষায় কঠোর অবস্থানে হাইকমান্ড
এইমাত্র
রোহিঙ্গাদের দীর্ঘস্থায়ী অবস্থান নিয়ে উদ্বেগ শামা ওবায়েদের, দ্রুত প্রত্যাবাসনের তাগিদ
এইমাত্র
ঘুষ, দুর্নীতি ও চাঁদাবাজিমুক্ত সমাজ গঠনে তরুণদের আপসহীন ভূমিকার আহ্বান রাশেদ খানের
এইমাত্রবাংলাদেশের সর্ববৃহৎ স্টার্টআপ ও এআই কনফারেন্স
রেজিস্ট্রেশন চলছে। এখনই আপনার আসন নিশ্চিত করুন।
