Read in English
পাঠক সুবিধা:
অর্থনীতি ও বাণিজ্যঢাকা

বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে ব্যবসা বাড়াতে নতুন উদ্যোগের তাগিদ

চলতি ডেস্কআজ
১০ বার পঠিতপড়ার সময়: মিনিট
এআই নিউরাল অডিও সংবাদ

১-ক্লিকে সম্পূর্ণ খবর শুনুন (অনলাইন অডিও)

০০:০০গুগল নিউরাল অডিও ভয়েস০০:০০
বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে ব্যবসা বাড়াতে নতুন উদ্যোগের তাগিদ
পূর্ণাঙ্গ ভিউ
ছবি: সংগৃহীত • চলতি নিউজ স্পেশাল কাভারেজ
একনজরে মূল বিষয় ও সারসংক্ষেপ

বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য বাড়াতে দুই দেশের সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে যোগাযোগ আরও বাড়ানোর ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।

গুরুত্বপূর্ণ ৩টি তথ্য
  • বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে আমদানি-রপ্তানি বাড়াতে প্রাতিষ্ঠানিক যোগাযোগ বাড়ানো দরকার।
  • চীনের বাজারে বাংলাদেশি পণ্যের শুল্কমুক্ত সুবিধা পাওয়ার সুযোগ কাজে লাগাতে হবে।
  • দুই দেশের ব্যবসায়ীদের মধ্যে সরাসরি যোগাযোগ বাড়াতে যৌথ মেলার আয়োজন করা প্রয়োজন।
বিজ্ঞাপনটেক একাডেমি বাংলাদেশ

আধুনিক ফুল-স্ট্যাক ও এআই ডেভেলপমেন্ট বুটক্যাম্প

ঘরে বসেই ক্যারিয়ার গড়ুন বিশ্বমানের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে। সীমিত আসন!

ভর্তি হতে ক্লিক করুন

বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে ব্যবসা-বাণিজ্য আরও বাড়াতে দুই দেশের সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে সম্পর্ক আরও জোরদার করার তাগিদ দেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি ঢাকায় আয়োজিত এক সভায় ব্যবসায়ী ও অর্থনীতিবিদরা এই মত দেন। তারা বলেন, দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যিক সম্পর্ক অনেক পুরনো হলেও এখনও কিছু জটিলতার কারণে ব্যবসা বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

বর্তমানে চীনের বাজারে বাংলাদেশ বেশ কিছু পণ্যে শুল্কমুক্ত সুবিধা পাচ্ছে। তবে সঠিক প্রচার ও প্রাতিষ্ঠানিক উদ্যোগের অভাবে বাংলাদেশি রপ্তানিকারকরা এই সুযোগ পুরোপুরি কাজে লাগাতে পারছেন না। তৈরি পোশাকের পাশাপাশি চামড়া, পাট ও কৃষিজাত পণ্য চীনে রপ্তানি করার বড় সুযোগ রয়েছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

ব্যবসায়ী নেতারা জানান, দুই দেশের চেম্বার অব কমার্স এবং বাণিজ্য সংগঠনগুলোর মধ্যে নিয়মিত বৈঠক ও মেলা আয়োজন করা দরকার। এতে করে দুই দেশের নতুন উদ্যোক্তারা একে অপরের চাহিদা সম্পর্কে সহজে জানতে পারবেন। এছাড়া ব্যাংকিং ও লেনদেন ব্যবস্থা আরও সহজ করার দাবি জানিয়েছেন তারা।

অর্থনীতিবিদরা মনে করেন, বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে প্রাতিষ্ঠানিক সম্পর্ক শক্তিশালী হলে তা দেশের অর্থনীতিতে বড় ভূমিকা রাখবে। বিশেষ করে চীনের বিনিয়োগ বাংলাদেশে নিয়ে আসতে পারলে নতুন কর্মসংস্থান তৈরি হবে। তবে এজন্য চুক্তিগুলো দ্রুত বাস্তবায়ন করা এবং ব্যবসায়িক পরিবেশ উন্নত করা জরুরি।

চলতি নিউজ দৃষ্টিভঙ্গি ও বিশ্লেষণ • নিরপেক্ষ এআই মতামত

বাংলাদেশ ও চীনের বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে প্রাতিষ্ঠানিক যোগাযোগ বৃদ্ধি একটি সময়োপযোগী পদক্ষেপ। শুল্কমুক্ত সুবিধার সঠিক ব্যবহার এবং আমলাতান্ত্রিক জটিলতা দূর করতে পারলে বাংলাদেশের রপ্তানি আয় উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে।

প্রতিবেদনটি বস্তুনিষ্ঠ সম্পাদকীয় নীতি ও মাঠপর্যায়ের তথ্য যাচাই করে প্রকাশিত।
চলতি ডিজিটাল নিউজরুম