মক্কা প্যাক্ট নিয়ে বাংলাদেশের সিদ্ধান্তে কারও ভয়ের কিছু নেই: শফিকুর রহমান
১-ক্লিকে সম্পূর্ণ খবর শুনুন (অনলাইন অডিও)

মক্কা প্যাক্ট বা মক্কা সনদে বাংলাদেশের অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে কারও মনে কোনো ভয় বা অস্বস্তি থাকার কারণ নেই বলে জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি একে শান্তির পক্ষে একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
- মক্কা সনদে বাংলাদেশের যুক্ত হওয়াকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন জামায়াত আমির শফিকুর রহমান।
- তিনি জানান, এই সিদ্ধান্তের ফলে কোনো দেশের বা গোষ্ঠীর ক্ষুব্ধ বা ভীত হওয়ার কারণ নেই।
- এই চুক্তি মুসলিম দেশগুলোর মধ্যে শান্তি ও সম্প্রীতি বাড়াতে সাহায্য করবে বলে মনে করা হচ্ছে।
আধুনিক ফুল-স্ট্যাক ও এআই ডেভেলপমেন্ট বুটক্যাম্প
ঘরে বসেই ক্যারিয়ার গড়ুন বিশ্বমানের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে। সীমিত আসন!
জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, মক্কা প্যাক্ট বা মক্কা সনদে বাংলাদেশের অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণ ইতিবাচক। এই সিদ্ধান্ত নিয়ে কোনো দেশের বা কোনো গোষ্ঠীর মনে কষ্ট বা ভয় পাওয়ার কোনো কারণ নেই। সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি এই মন্তব্য করেন।
মক্কা প্যাক্ট হলো মুসলিম বিশ্বের শান্তি, সম্প্রীতি ও ঐক্য বজায় রাখার একটি আন্তর্জাতিক উদ্যোগ। বাংলাদেশ এই সনদের নীতিগুলোকে সমর্থন করায় দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়। ডা. শফিকুর রহমান জানান, এই চুক্তি কোনো দেশের বিরুদ্ধে নয়, বরং এটি বিশ্বজুড়ে শান্তি প্রতিষ্ঠার একটি বড় পদক্ষেপ।
এই বিষয়ে দেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে নানা ধরনের আলোচনা চলছে। জামায়াত আমিরের এই বক্তব্যকে অনেকে স্বাগত জানিয়েছেন। তারা বলছেন, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের অবস্থান আরও শক্তিশালী করতে এই ধরনের সিদ্ধান্ত সাহায্য করবে। তবে কিছু মহল এই বিষয়ে সতর্ক থাকার পরামর্শও দিয়েছে।
বিশ্লেষকেরা মনে করছেন, বাংলাদেশ সবসময় শান্তির পক্ষে কাজ করে। মক্কা সনদের মতো আন্তর্জাতিক উদ্যোগে যুক্ত থাকলে মুসলিম দেশগুলোর সাথে সম্পর্ক আরও জোরদার হবে। আগামী দিনগুলোতে এই সিদ্ধান্তের সুফল পেতে সব পক্ষকে একসাথে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
“মক্কা প্যাক্ট নিয়ে জামায়াত আমিরের এই বক্তব্য বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি ও মুসলিম বিশ্বের সাথে সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দেয়। এটি দেশের অভ্যন্তরে ধর্মীয় ও রাজনৈতিক সম্প্রীতি বজায় রাখার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের অবস্থান পরিষ্কার করতে সাহায্য করবে।”
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ স্টার্টআপ ও এআই কনফারেন্স
রেজিস্ট্রেশন চলছে। এখনই আপনার আসন নিশ্চিত করুন।



