Read in English
পাঠক সুবিধা:
অপরাধ ও আইনঢাকা

জাল ডেথ সার্টিফিকেট ও মারধরের অভিযোগ: গ্রেপ্তার মিল্টন সমাদ্দার

চলতি ডেস্কআজ
১০ বার পঠিতপড়ার সময়: মিনিট
এআই নিউরাল অডিও সংবাদ

১-ক্লিকে সম্পূর্ণ খবর শুনুন (অনলাইন অডিও)

০০:০০গুগল নিউরাল অডিও ভয়েস০০:০০
জাল ডেথ সার্টিফিকেট ও মারধরের অভিযোগ: গ্রেপ্তার মিল্টন সমাদ্দার
পূর্ণাঙ্গ ভিউ
ছবি: সংগৃহীত • চলতি নিউজ স্পেশাল কাভারেজ
একনজরে মূল বিষয় ও সারসংক্ষেপ

চাইল্ড অ্যান্ড ওল্ড এজ কেয়ারের প্রতিষ্ঠাতা মিল্টন সমাদ্দারের বিরুদ্ধে জাল মৃত্যু সনদ তৈরি, অসহায়দের মারধর ও মানবপাচারের মতো গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। ডিবি পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে রিমান্ডে নিয়েছে।

গুরুত্বপূর্ণ ৩টি তথ্য
  • অসহায় বৃদ্ধ ও শিশুদের আশ্রয় দেওয়ার নামে মিল্টন সমাদ্দার নিজের ফেসবুক পেজ জনপ্রিয় করতে নানা নাটক সাজাতেন।
  • তার বিরুদ্ধে নিজ হাতে চিকিৎসকের সই জাল করে ডেথ সার্টিফিকেট তৈরি করার প্রমাণ পেয়েছে পুলিশ।
  • আশ্রমের বাসিন্দাদের মারধর করা এবং লাশ দাফন নিয়ে মিথ্যা তথ্য দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে।
বিজ্ঞাপনটেক একাডেমি বাংলাদেশ

আধুনিক ফুল-স্ট্যাক ও এআই ডেভেলপমেন্ট বুটক্যাম্প

ঘরে বসেই ক্যারিয়ার গড়ুন বিশ্বমানের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে। সীমিত আসন!

ভর্তি হতে ক্লিক করুন

অসহায় ও অসুস্থ বৃদ্ধ-শিশুদের আশ্রয় দেওয়ার নাম করে গড়ে তোলা হয়েছিল 'চাইল্ড অ্যান্ড ওল্ড এজ কেয়ার'। এই আশ্রমের প্রতিষ্ঠাতা মিল্টন সমাদ্দারকে মিরপুর থেকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। তার বিরুদ্ধে অসহায় মানুষদের সেবা দেওয়ার আড়ালে নানা অনৈতিক কর্মকাণ্ড ও প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার মানবিক কাজের প্রচার দেখে মানুষ বিপুল পরিমাণ টাকা দান করলেও, ভেতরের চিত্র ছিল সম্পূর্ণ ভিন্ন।

তদন্তে জানা গেছে, মিল্টন সমাদ্দার নিজেই চিকিৎসকের সই জাল করে প্রায় আটশো ডেথ সার্টিফিকেট বা মৃত্যু সনদ তৈরি করেছেন। তার আশ্রমে কতজন মানুষ মারা গেছেন এবং তাদের কোথায় দাফন করা হয়েছে, তার কোনো সঠিক হিসাব নেই। এছাড়া তার বিরুদ্ধে শিশুদের পাচার করা এবং আশ্রমের বাসিন্দাদের ওপর শারীরিক নির্যাতন চালানোর গুরুতর অভিযোগ করেছেন তার সাবেক কর্মীরাই।

মিল্টনের গ্রেপ্তারের পর তার আশ্রমের সাবেক কর্মী ও ভুক্তভোগী পরিবারগুলো মুখ খুলতে শুরু করেছেন। পুলিশ জানিয়েছে, মিল্টনের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে কোটি কোটি টাকা লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেছে, যা তিনি সেবার নামে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে অনুদান হিসেবে নিয়েছিলেন। ডিবি পুলিশ তাকে আদালতে হাজির করে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করছে এবং তার সহযোগীদের খোঁজে অভিযান চালাচ্ছে।

এই ঘটনার পর দেশের বেসরকারি আশ্রয়কেন্দ্র ও দাতব্য সংস্থাগুলোর কার্যক্রমের ওপর নজরদারি বাড়ানোর দাবি উঠেছে। সাধারণ মানুষ বলছেন, মানবিক কাজের আড়ালে এমন প্রতারণা বন্ধ করতে কঠোর শাস্তি হওয়া প্রয়োজন। পুলিশ জানিয়েছে, তদন্ত শেষে মিল্টনের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং তার আশ্রমের অসহায় বাসিন্দাদের সরকারি পুনর্বাসন কেন্দ্রে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হচ্ছে।

চলতি নিউজ দৃষ্টিভঙ্গি ও বিশ্লেষণ • নিরপেক্ষ এআই মতামত

মিল্টন সমাদ্দারের ঘটনাটি আমাদের দেখায় কীভাবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমকে ব্যবহার করে মানবিকতার নামে বড় ধরনের প্রতারণা করা সম্ভব। এটি দাতব্য সংস্থাগুলোর স্বচ্ছতা ও সরকারি নজরদারির অভাবকে স্পষ্ট করে তোলে। ভবিষ্যতে যেন কেউ সেবার নামে এমন ব্যবসা করতে না পারে, সেজন্য কঠোর আইন ও নিয়মিত তদারকি প্রয়োজন।

প্রতিবেদনটি বস্তুনিষ্ঠ সম্পাদকীয় নীতি ও মাঠপর্যায়ের তথ্য যাচাই করে প্রকাশিত।
চলতি ডিজিটাল নিউজরুম