মেট্রোরেলের আয় বাড়াতে নতুন উদ্যোগ, বাড়ছে সেবার পরিধি
১-ক্লিকে সম্পূর্ণ খবর শুনুন (অনলাইন অডিও)

ঢাকায় মেট্রোরেলের আয় বাড়াতে নানা উদ্যোগ নিচ্ছে কর্তৃপক্ষ। শুধু টিকিট বিক্রি নয়, স্টেশনগুলোতে দোকান ভাড়া, এটিএম বুথ ও বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে বাড়তি আয় করার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। এতে যাত্রীদের সেবার মানও বাড়বে।
- টিকিট বিক্রির বাইরেও স্টেশনগুলোতে বাণিজ্যিক স্পেস তৈরি করে আয় বাড়ানো হবে।
- স্টেশনে এটিএম বুথ, খাবারের দোকান ও ডিজিটাল বিজ্ঞাপনের ব্যবস্থা করা হচ্ছে।
- এই বাড়তি আয় দিয়ে মেট্রোরেলের খরচ মেটানো হবে যেন টিকিটের দাম না বাড়ে।
আধুনিক ফুল-স্ট্যাক ও এআই ডেভেলপমেন্ট বুটক্যাম্প
ঘরে বসেই ক্যারিয়ার গড়ুন বিশ্বমানের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে। সীমিত আসন!
ঢাকার যানজট এড়াতে মেট্রোরেল এখন মানুষের প্রথম পছন্দ। তবে শুধু টিকিট বিক্রি করে মেট্রোরেলের বিশাল খরচ চালানো কঠিন। তাই আয় বাড়াতে নতুন কিছু উদ্যোগ নিচ্ছে ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (ডিএমটিসিএল)। স্টেশনগুলোতে যাত্রীদের সুযোগ-সুবিধা বাড়ানোর পাশাপাশি খালি জায়গা ব্যবহার করে বাড়তি টাকা আয়ের পরিকল্পনা করা হচ্ছে।
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, মেট্রোরেলের স্টেশনগুলোতে এটিএম বুথ, ছোট দোকান ও খাবারের স্টল বসানো হবে। এছাড়া স্টেশনের ভেতরে ও বাইরে ডিজিটাল স্ক্রিনে বিজ্ঞাপন দেখানোর ব্যবস্থা করা হচ্ছে। উত্তরা থেকে মতিঝিল পর্যন্ত ১৬টি স্টেশনেই এই ধরনের সুযোগ-সুবিধা চালুর কাজ চলছে। এতে যাত্রীদের প্রয়োজনীয় জিনিস কেনাকাটা সহজ হবে এবং মেট্রোরেলের আয়ও বাড়বে।
ডিএমটিসিএল কর্মকর্তারা বলছেন, বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো আমাদের মেট্রোরেলকেও লাভজনক করতে হবে। শুধু ভাড়ার ওপর নির্ভর না করে অন্যান্য খাত থেকে অন্তত ৩০ শতাংশ আয় করার লক্ষ্য রয়েছে সরকারের। যাত্রীরাও এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন। তারা বলছেন, স্টেশনে জরুরি সেবা ও খাবারের দোকান থাকলে যাতায়াত আরও আরামদায়ক হবে।
ভবিষ্যতে মেট্রোরেলের স্টেশনগুলোর পাশে বড় বাণিজ্যিক ভবন বা প্লাজা তৈরির পরিকল্পনাও রয়েছে। সেখান থেকে বড় অঙ্কের ভাড়া পাওয়া যাবে। এই বাড়তি আয় দিয়ে মেট্রোরেলের রক্ষণাবেক্ষণ খরচ মেটানো হবে, যাতে টিকিটের দাম সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে না যায়।
“মেট্রোরেলের মতো একটি বড় প্রকল্পে শুধু টিকিটের ভাড়ার ওপর নির্ভর করে টিকে থাকা কঠিন। বিশ্বের উন্নত দেশগুলোতেও স্টেশনকে কেন্দ্র করে বড় বাণিজ্যিক হাব গড়ে তোলা হয়। ডিএমটিসিএল-এর এই উদ্যোগটি অত্যন্ত সময়োপযোগী। এটি সফল হলে একদিকে যেমন মেট্রোরেলের আর্থিক স্থায়িত্ব নিশ্চিত হবে, অন্যদিকে যাত্রীরাও বিশ্বমানের সেবা পাবেন। তবে বাণিজ্যিক কার্যক্রমের কারণে যেন সাধারণ যাত্রীদের চলাচলে কোনো বিঘ্ন না ঘটে, সেদিকেও নজর রাখা জরুরি।”
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ স্টার্টআপ ও এআই কনফারেন্স
রেজিস্ট্রেশন চলছে। এখনই আপনার আসন নিশ্চিত করুন।



