প্রেক্ষাগৃহের পর এবার ওটিটি প্ল্যাটফর্মে মুক্তি পাচ্ছে রোশান-পূজার চলচ্চিত্র 'সাইকো'
১-ক্লিকে সম্পূর্ণ খবর শুনুন (অনলাইন অডিও)

চিত্রনায়ক জিয়াউল রোশান ও চিত্রনায়িকা পূজা চেরি অভিনীত বহুল আলোচিত চলচ্চিত্র 'সাইকো' অবশেষে ওটিটি প্ল্যাটফর্মে মুক্তি পেতে যাচ্ছে। প্রেক্ষাগৃহে মুক্তির দীর্ঘ সময় পর ডিজিটাল মাধ্যমে ছবিটির এই আগমন দেশীয় চলচ্চিত্রের বিকল্প বাজার সৃষ্টির ক্ষেত্রে একটি নতুন সম্ভাবনা তৈরি করেছে।
- অনন্য মামুন পরিচালিত এবং রোশান-পূজা অভিনীত 'সাইকো' চলচ্চিত্রটি দীর্ঘ চার বছর পর ওটিটি প্ল্যাটফর্মে অবমুক্ত করা হচ্ছে।
- প্রেক্ষাগৃহের সীমিত প্রদর্শনীর পর ডিজিটাল মাধ্যমে সিনেমাটির মুক্তি দেশীয় চলচ্চিত্রের বিকল্প বাজার সম্প্রসারণে ভূমিকা রাখবে।
- ওটিটি প্ল্যাটফর্মের এই উদ্যোগ বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে থাকা বাংলাভাষী দর্শকদের কাছে দেশীয় কনটেন্ট সহজে পৌঁছে দেওয়ার সুযোগ তৈরি করেছে।
আধুনিক ফুল-স্ট্যাক ও এআই ডেভেলপমেন্ট বুটক্যাম্প
ঘরে বসেই ক্যারিয়ার গড়ুন বিশ্বমানের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে। সীমিত আসন!
ঢাকাই চলচ্চিত্রের পরিচিত মুখ জিয়াউল রোশান ও পূজা চেরি অভিনীত অ্যাকশন-থ্রিলার ঘরানার সিনেমা 'সাইকো' অবশেষে ওটিটি প্ল্যাটফর্মে মুক্তি পাচ্ছে। নির্মাণ ও প্রেক্ষাগৃহে মুক্তির দীর্ঘ চার বছর পর ডিজিটাল মাধ্যমে ছবিটির এই আগমন দর্শক মহলে নতুন করে কৌতুহল সৃষ্টি করেছে। চলচ্চিত্রটি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তির সময় আশানুরূপ সাড়া না পেলেও, ওটিটি প্ল্যাটফর্মের বিশাল দর্শকগোষ্ঠীর কাছে এটি নতুনভাবে মূল্যায়িত হবে বলে আশা করা হচ্ছে। আধুনিক প্রযুক্তির যুগে সিনেমা হলের গণ্ডি পেরিয়ে ডিজিটাল স্ক্রিনে সিনেমার এই রূপান্তর দেশীয় বিনোদন জগতের একটি নিয়মিত চিত্রে পরিণত হয়েছে।
চলচ্চিত্রটির নির্মাণ ও মুক্তির ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, এটি করোনাকালীন ও পরবর্তী সময়ে নানা প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে গেছে। পরিচালক অনন্য মামুন পরিচালিত এই সিনেমাটি ২০২২ সালের ঈদুল আজহায় প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেয়েছিল, তবে হল সংকটের কারণে অনেক দর্শক এটি দেখার সুযোগ পাননি। দেশীয় চলচ্চিত্রের বাজার যখন ওটিটি-মুখী হচ্ছে, তখন এই ধরনের বাণিজ্যিক সিনেমাগুলোর ডিজিটাল স্বত্ব বিক্রি প্রযোজকদের লোকসান কাটিয়ে ওঠার একটি বড় মাধ্যম হয়ে দাঁড়িয়েছে। চলচ্চিত্র বিশ্লেষকদের মতে, প্রেক্ষাগৃহের পর ওটিটি রিলিজের এই দীর্ঘ ব্যবধান দূর করা গেলে প্রযোজকরা আরও দ্রুত তাদের বিনিয়োগ তুলে আনতে পারতেন।
সিনেমাটির ওটিটি মুক্তি প্রসঙ্গে সংশ্লিষ্ট কলাকুশলী ও প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন। অভিনেতা রোশান ও অভিনেত্রী পূজা চেরি আশা প্রকাশ করেছেন যে, প্রেক্ষাগৃহে যারা সিনেমাটি দেখতে পারেননি, তারা এখন ঘরে বসেই এটি উপভোগ করতে পারবেন। অন্যদিকে, ওটিটি প্ল্যাটফর্মের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন যে, মানসম্মত দেশীয় কনটেন্টের চাহিদা বিশ্বজুড়ে বাড়ছে এবং 'সাইকো'র মতো বাণিজ্যিক ধারার সিনেমা তাদের দর্শক ধরে রাখতে সাহায্য করবে। তবে চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্টরা ওটিটি প্ল্যাটফর্মগুলোর রয়্যালটি ও লভ্যাংশ বণ্টন প্রক্রিয়া আরও স্বচ্ছ করার দাবি জানিয়েছেন।
চলতি নিউজের সম্পাদকীয় বিশ্লেষণে দেখা যায়, ওটিটি প্ল্যাটফর্মগুলো বাংলাদেশের চলচ্চিত্র শিল্পের জন্য একটি নতুন আশার আলো হলেও এর সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করা জরুরি। প্রেক্ষাগৃহে মুক্তির দীর্ঘ সময় পর ওটিটিতে সিনেমা মুক্তি দেওয়ার এই প্রবণতা প্রমাণ করে যে, আমাদের দেশে এখনও সুনির্দিষ্ট ডিজিটাল ডিস্ট্রিবিউশন পলিসি গড়ে ওঠেনি। প্রযোজক, পরিচালক এবং ওটিটি প্ল্যাটফর্মগুলোর মধ্যে একটি সমন্বিত চুক্তি ও দ্রুত মুক্তির নীতিমালা থাকলে চলচ্চিত্রের সামগ্রিক অর্থনীতি আরও শক্তিশালী হতো। দীর্ঘমেয়াদে দেশীয় চলচ্চিত্রের টেকসই উন্নয়নের জন্য ওটিটি প্ল্যাটফর্মকে কেবল বিকল্প মাধ্যম হিসেবে না দেখে মূলধারার অংশ হিসেবে বিবেচনা করা প্রয়োজন।
“ওটিটি প্ল্যাটফর্মের প্রসার দেশীয় চলচ্চিত্রের জন্য নতুন দুয়ার উন্মোচন করলেও দীর্ঘ সময় পর সিনেমা মুক্তির এই ধীরগতি বাণিজ্যিক সাফল্যের পথে অন্তরায়। প্রযোজক ও ওটিটি কর্তৃপক্ষের মধ্যে সমন্বিত ও দ্রুত ডিস্ট্রিবিউশন পলিসি প্রণয়ন করা গেলে দেশীয় চলচ্চিত্র শিল্প অর্থনৈতিকভাবে আরও স্বাবলম্বী হতে পারবে।”
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ স্টার্টআপ ও এআই কনফারেন্স
রেজিস্ট্রেশন চলছে। এখনই আপনার আসন নিশ্চিত করুন।



