নুসরাত হত্যা মামলার হাইকোর্টের রায় ঘোষণা শুরু হয়েছে
১-ক্লিকে সম্পূর্ণ খবর শুনুন (অনলাইন অডিও)

ফেনীর সোনাগাজীর আলোচিত নুসরাত জাহান রাফি হত্যা মামলায় নিম্ন আদালতের দেওয়া মৃত্যুদণ্ডের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল ও ডেথ রেফারেন্সের রায় ঘোষণা শুরু করেছে হাইকোর্ট।
- ফেনীর সোনাগাজীর মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত হত্যা মামলার রায় ঘোষণা করছে হাইকোর্ট।
- ২০১৯ সালের এই বর্বরোচিত ঘটনায় নিম্ন আদালত ১৬ জন আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছিল।
- আসামিদের ফাঁসির রায় বহাল থাকবে নাকি কমবে, তা নিয়ে দেশজুড়ে মানুষের চোখ এখন আদালতের দিকে।
আধুনিক ফুল-স্ট্যাক ও এআই ডেভেলপমেন্ট বুটক্যাম্প
ঘরে বসেই ক্যারিয়ার গড়ুন বিশ্বমানের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে। সীমিত আসন!
ফেনীর সোনাগাজীর আলোচিত মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত জাহান রাফিকে পুড়িয়ে হত্যার মামলার রায় ঘোষণা শুরু করেছে হাইকোর্ট। আজ বিচারপতিদের একটি বেঞ্চে এই রায় পড়া শুরু হয়। দীর্ঘ প্রতীক্ষিত এই রায়কে কেন্দ্র করে আদালত এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।
২০১৯ সালের এপ্রিল মাসে সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসার ছাত্রী নুসরাতকে মাদ্রাসার ছাদে ডেকে নিয়ে গায়ে আগুন দেওয়া হয়। এর আগে মাদ্রাসার অধ্যক্ষ সিরাজ উদ-দৌলার বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ তুলেছিলেন নুসরাত। সেই মামলা তুলে না নেওয়ায় তার গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। ওই বছরের অক্টোবর মাসে নিম্ন আদালত ১৬ জন আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দেয়।
এই রায়কে কেন্দ্র করে নুসরাতের পরিবার এবং ফেনীর স্থানীয় মানুষের মধ্যে চরম উত্তেজনা কাজ করছে। নুসরাতের পরিবার আশা করছে, অপরাধীদের সর্বোচ্চ শাস্তি বহাল থাকবে এবং তারা দ্রুত বিচার পাবেন। অন্যদিকে, আসামিপক্ষের আইনজীবীরা সাজা কমানোর জন্য আদালতে তাদের যুক্তি তুলে ধরেছেন।
হাইকোর্টের এই রায় ঘোষণার পর অসন্তুষ্ট পক্ষ চাইলে দেশের সর্বোচ্চ আদালত অর্থাৎ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে আবেদন করতে পারবে। আইনের স্বাভাবিক নিয়ম অনুযায়ী এই মামলার চূড়ান্ত নিষ্পত্তি হতে আরও কিছু সময় লাগতে পারে। তবে দেশের মানুষ আশা করছে, এই রায়ের মাধ্যমে সমাজে অপরাধীদের কাছে একটি শক্ত বার্তা যাবে।
“নুসরাত হত্যা মামলাটি বাংলাদেশের বিচার ব্যবস্থার জন্য একটি বড় পরীক্ষা। এই মামলার দ্রুত তদন্ত ও নিম্ন আদালতের রায় মানুষের মনে বিচার ব্যবস্থার প্রতি আস্থা ফিরিয়েছিল। হাইকোর্টের রায় যদি অপরাধীদের শাস্তি নিশ্চিত করে, তবে তা ভবিষ্যতে নারীদের ওপর সহিংসতা রোধে বড় ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা যায়।”
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ স্টার্টআপ ও এআই কনফারেন্স
রেজিস্ট্রেশন চলছে। এখনই আপনার আসন নিশ্চিত করুন।



