পদ্মার বুকে গড়ে ওঠা ‘মিনি সুইজারল্যান্ড’ দেখতে মানুষের ভিড়
১-ক্লিকে সম্পূর্ণ খবর শুনুন (অনলাইন অডিও)

পদ্মার বুকে জেগে ওঠা নতুন চরে তৈরি হয়েছে এক অপরূপ পর্যটন এলাকা, যা এখন ‘মিনি সুইজারল্যান্ড’ নামে পরিচিত। প্রতিদিন দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মানুষ এখানে ঘুরতে আসছেন।
- পদ্মার বুকে জেগে ওঠা নতুন চরটি এখন পর্যটকদের প্রধান আকর্ষণ হয়ে উঠেছে।
- স্থানীয় মানুষ ও দর্শনার্থীরা এই সুন্দর জায়গাকে ‘মিনি সুইজারল্যান্ড’ বলে ডাকছেন।
- ছুটির দিনগুলোতে এখানে হাজার হাজার মানুষের ঢল নামছে।
আধুনিক ফুল-স্ট্যাক ও এআই ডেভেলপমেন্ট বুটক্যাম্প
ঘরে বসেই ক্যারিয়ার গড়ুন বিশ্বমানের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে। সীমিত আসন!
পদ্মার বুকে জেগে ওঠা বিশাল বালুচর এখন রূপ নিয়েছে এক টুকরো স্বর্গে। চারদিকের শান্ত পরিবেশ, নদীর মৃদু বাতাস আর সবুজ প্রকৃতি মিলে তৈরি হয়েছে এক দারুণ দৃশ্য। এই সুন্দর জায়গাটুকু দেখতে প্রতিদিন ছুটে আসছেন শত শত মানুষ। স্থানীয়দের কাছে এটি এখন ‘মিনি সুইজারল্যান্ড’ নামে পরিচিতি পেয়েছে।
বিশেষ করে বিকেল বেলা এই জায়গায় মানুষের ভিড় সবচেয়ে বেশি থাকে। নদীর পাড়ে বসে সূর্যাস্ত দেখা এবং নৌকায় ঘুরে বেড়ানোর আনন্দ নিতে দূর-দূরান্ত থেকে পরিবার নিয়ে আসছেন দর্শনার্থীরা। এখানে ছোট ছোট দোকানপাটও গড়ে উঠেছে, যা স্থানীয়দের জন্য আয়ের নতুন পথ তৈরি করেছে।
দর্শনার্থীরা জানান, শহরের কোলাহল ছেড়ে একটু শান্তির খোঁজে তারা এখানে আসেন। এখানকার খোলা হাওয়া আর পদ্মার বিশালতা মন ভালো করে দেয়। তবে পর্যটকদের নিরাপত্তা ও বসার ভালো ব্যবস্থা করার জন্য প্রশাসনের কাছে দাবি জানিয়েছেন তারা।
স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, এই পর্যটন এলাকাটিকে আরও সুন্দর ও নিরাপদ করতে তারা কাজ করছেন। ভবিষ্যতে এখানে পর্যটকদের জন্য আরও সুযোগ-সুবিধা বাড়ানো হবে, যাতে মানুষ নিরাপদে ঘুরে বেড়াতে পারেন।
“পদ্মার চরে গড়ে ওঠা এই পর্যটন কেন্দ্রটি প্রমাণ করে যে গ্রামীণ ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্যকে কাজে লাগিয়ে দেশের পর্যটন খাতকে আরও এগিয়ে নেওয়া সম্ভব। তবে দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা এবং পরিবেশের পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা জরুরি।”
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ স্টার্টআপ ও এআই কনফারেন্স
রেজিস্ট্রেশন চলছে। এখনই আপনার আসন নিশ্চিত করুন।



