রোহিঙ্গা সমস্যার সমাধানে মিয়ানমারকেই দায়িত্ব নিতে হবে: আইনমন্ত্রী
১-ক্লিকে সম্পূর্ণ খবর শুনুন (অনলাইন অডিও)

আইনমন্ত্রী জানিয়েছেন যে রোহিঙ্গা সংকটের স্থায়ী সমাধানের জন্য মিয়ানমার সরকারকে দায়িত্ব নিতে হবে। বাংলাদেশ মানবিক কারণে আশ্রয় দিলেও এই সমস্যার মূল সমাধান লুকিয়ে আছে মিয়ানমারের সদিচ্ছার ওপর।
- রোহিঙ্গা সংকটের স্থায়ী সমাধানের মূল চাবিকাঠি মিয়ানমারের হাতেই রয়েছে।
- বাংলাদেশ মানবিক কারণে রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিলেও এটি দীর্ঘমেয়াদী সমাধান নয়।
- আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে মিয়ানমারের ওপর চাপ বাড়াতে হবে যাতে তারা নাগরিকদের ফিরিয়ে নেয়।
আধুনিক ফুল-স্ট্যাক ও এআই ডেভেলপমেন্ট বুটক্যাম্প
ঘরে বসেই ক্যারিয়ার গড়ুন বিশ্বমানের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে। সীমিত আসন!
রোহিঙ্গা সংকটের স্থায়ী ও নিরাপদ সমাধানের জন্য মিয়ানমার সরকারকেই মূল দায়িত্ব নিতে হবে বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী। তিনি বলেন, বাংলাদেশ মানবিক দিক বিবেচনা করে লাখ লাখ রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়েছে। কিন্তু এই বিশাল জনসংখ্যার চাপ বাংলাদেশের মতো একটি দেশের পক্ষে দীর্ঘদিন বয়ে বেড়ানো সম্ভব নয়। তাই মিয়ানমারকে অবশ্যই তাদের নাগরিকদের নিরাপদে ফিরিয়ে নেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে।
২০১৭ সালে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর নির্যাতনের মুখে পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয় প্রায় ১১ লাখের বেশি রোহিঙ্গা। কক্সবাজারের বিভিন্ন ক্যাম্পে তারা বর্তমানে বসবাস করছেন। গত কয়েক বছরে বাংলাদেশ দ্বিপাক্ষিক ও বহুপাক্ষিক নানা উদ্যোগ নিলেও মিয়ানমারের অনীহার কারণে একজন রোহিঙ্গাকেও ফেরত পাঠানো সম্ভব হয়নি। এই দীর্ঘস্থায়ী সমস্যা এখন স্থানীয় পরিবেশ ও নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।
আইনমন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন যে, আন্তর্জাতিক আদালতের মাধ্যমে এই সংকটের বিচার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। বাংলাদেশ চায় বিশ্ব সম্প্রদায় মিয়ানমারের ওপর আরও জোরালো চাপ সৃষ্টি করুক। বিশেষ করে প্রভাবশালী দেশগুলোকে এই বিষয়ে আরও সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে হবে, যাতে মিয়ানমার তাদের নাগরিকদের ফিরিয়ে নিতে বাধ্য হয়।
বাংলাদেশ সরকার আশা করছে, আন্তর্জাতিক চাপ ও কূটনৈতিক আলোচনার মাধ্যমে দ্রুতই এই সংকটের একটি সম্মানজনক সমাধান আসবে। রোহিঙ্গাদের নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসন নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত বাংলাদেশ তার কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাবে। তবে এর জন্য মিয়ানমারের আন্তরিক সহযোগিতা সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন।
“রোহিঙ্গা সংকট বাংলাদেশের অর্থনীতি, সমাজ ও পরিবেশের ওপর মারাত্মক প্রভাব ফেলছে। আইনমন্ত্রীর এই বক্তব্য আন্তর্জাতিক মহলে বাংলাদেশের দৃঢ় অবস্থানের কথা মনে করিয়ে দেয়। মিয়ানমারকে জবাবদিহিতার আওতায় না আনলে এই সমস্যার সমাধান অসম্ভব।”
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ স্টার্টআপ ও এআই কনফারেন্স
রেজিস্ট্রেশন চলছে। এখনই আপনার আসন নিশ্চিত করুন।



