অভিনেতা ইলিয়াস কাঞ্চন বেঁচে আছেন, মৃত্যুর খবরটি মিথ্যা গুজব
১-ক্লিকে সম্পূর্ণ খবর শুনুন (অনলাইন অডিও)

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জনপ্রিয় চিত্রনায়ক ও নিরাপদ সড়ক আন্দোলনের নেতা ইলিয়াস কাঞ্চনের মৃত্যুর মিথ্যা খবর ছড়িয়ে পড়েছে। তার পরিবার ও ঘনিষ্ঠজনেরা নিশ্চিত করেছেন যে তিনি সম্পূর্ণ সুস্থ ও ভালো আছেন।
- সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চিত্রনায়ক ইলিয়াস কাঞ্চনের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ে, যা সম্পূর্ণ মিথ্যা।
- ইলিয়াস কাঞ্চনের ঘনিষ্ঠজন ও সহকর্মীরা নিশ্চিত করেছেন তিনি সুস্থ ও নিরাপদে আছেন।
- ভক্ত ও সাধারণ মানুষকে এই ধরণের কোনো গুজবে কান না দেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে।
আধুনিক ফুল-স্ট্যাক ও এআই ডেভেলপমেন্ট বুটক্যাম্প
ঘরে বসেই ক্যারিয়ার গড়ুন বিশ্বমানের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে। সীমিত আসন!
ঢাকাই সিনেমার জনপ্রিয় নায়ক ও 'নিরাপদ সড়ক চাই' আন্দোলনের চেয়ারম্যান ইলিয়াস কাঞ্চন মারা গেছেন বলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি খবর ছড়িয়ে পড়েছে। তবে এই খবরটি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। ইলিয়াস কাঞ্চনের ঘনিষ্ঠজনেরা জানিয়েছেন, তিনি পুরোপুরি সুস্থ আছেন এবং নিজের বাসায় ভালো আছেন।
গতকাল রাত থেকে ফেসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কিছু আইডি ও পেজ থেকে ইলিয়াস কাঞ্চনের মৃত্যুর খবর শেয়ার করা হতে থাকে। এতে ভক্ত ও সাধারণ মানুষের মনে বিভ্রান্তি তৈরি হয়। অনেকেই তার খোঁজ নিতে শুরু করেন। পরে জানা যায়, কোনো একটি চক্র উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এই মিথ্যা খবরটি ছড়িয়েছে।
এই বিষয়ে ইলিয়াস কাঞ্চনের কাছের মানুষ ও সহকর্মীরা জানিয়েছেন, তিনি সুস্থ শরীরে স্বাভাবিক কাজকর্ম করছেন। তার মৃত্যুর খবরটি একটি নোংরা গুজব ছাড়া আর কিছুই নয়। তারা সবাইকে এই ধরণের মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর খবরে কান না দেওয়ার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করেছেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তারকাদের নিয়ে এমন মিথ্যা খবর ছড়ানোর ঘটনা নতুন নয়। এর আগেও অনেক গুণী মানুষের মৃত্যুর গুজব ছড়ানো হয়েছে। সচেতন মানুষেরা বলছেন, না জেনে বা নিশ্চিত না হয়ে ইন্টারনেটে কোনো খবর শেয়ার করা উচিত নয়। এই ধরণের গুজব ছড়ানোর পেছনে কারা জড়িত, তা খুঁজে বের করে ব্যবস্থা নেওয়া দরকার।
“সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তারকাদের মৃত্যুর গুজব ছড়ানো একটি নিয়মিত ও উদ্বেগজনক বিষয়ে পরিণত হয়েছে। ইলিয়াস কাঞ্চনের মতো একজন সম্মানিত ব্যক্তিত্বকে নিয়ে এমন মিথ্যা খবর ছড়ানো কেবল বিভ্রান্তিই তৈরি করে না, বরং তার পরিবার ও ভক্তদের জন্য চরম মানসিক কষ্টের কারণ হয়। ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের যেকোনো সংবাদের সত্যতা যাচাই করার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে এবং প্রশাসনকে গুজব রটনাকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি পদক্ষেপ নিতে হবে।”
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ স্টার্টআপ ও এআই কনফারেন্স
রেজিস্ট্রেশন চলছে। এখনই আপনার আসন নিশ্চিত করুন।



