যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় পাকিস্তানের সেনাপ্রধানের সাহায্য চাইলেন ইরানের প্রেসিডেন্ট
১-ক্লিকে সম্পূর্ণ খবর শুনুন (অনলাইন অডিও)

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যবর্তী উত্তেজনা কমাতে পাকিস্তানের সেনাপ্রধান জেনারেল আসিম মুনিরের সাথে বৈঠক করেছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। তেহরানে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে মধ্যপ্রাচ্যের সার্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি এবং দুই বৈরী দেশের মধ্যে সম্ভাব্য মধ্যস্থতার পথ নিয়ে বিস্তারিত কথা হয়।
- তেহরানে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের সঙ্গে বৈঠক করেছেন পাকিস্তানের সেনাপ্রধান আসিম মুনির।
- যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে নতুন করে মধ্যস্থতার উদ্যোগ নিয়ে দুই নেতার মধ্যে আলোচনা হয়েছে।
- ইরানি পার্লামেন্টের স্পিকার জানিয়েছেন, তেল নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারসহ সাত শর্ত পূরণ না হলে ওয়াশিংটনকে বিশ্বাস করা হবে না।
আধুনিক ফুল-স্ট্যাক ও এআই ডেভেলপমেন্ট বুটক্যাম্প
ঘরে বসেই ক্যারিয়ার গড়ুন বিশ্বমানের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে। সীমিত আসন!
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের দীর্ঘদিনের সংঘাত থামাতে নতুন করে কূটনৈতিক তৎপরতা শুরু হয়েছে। এই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে তেহরানে পাকিস্তানের সেনাপ্রধান আসিম মুনিরের সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের এক বৈঠক করেছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। মঙ্গলবার ইরানের রাজধানী তেহরানে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে মধ্যপ্রাচ্যের সাম্প্রতিক অস্থিরতা এবং ওয়াশিংটনের সঙ্গে সম্ভাব্য সমঝোতার বিভিন্ন দিক নিয়ে পর্যালোচনা করা হয়। ইরানের স্থানীয় গণমাধ্যম নূরনিউজ এই বৈঠকের খবর নিশ্চিত করেছে।
এর আগে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় গত জুন মাসে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে একটি অন্তর্বর্তীকালীন শান্তিচুক্তি হয়েছিল। তবে সেই স্বস্তি বেশিদিন স্থায়ী হয়নি; কয়েক সপ্তাহের মাথায় নতুন করে সংঘাত ছড়িয়ে পড়ায় চুক্তিটি ভেস্তে যায়। ফলে দুই দেশের সম্পর্কের মধ্যে আবার বড় ধরনের টানাপোড়েন শুরু হয়। সেই অচলাবস্থা কাটিয়ে শান্তি প্রতিষ্ঠার পথ খুঁজতে ইসলামাবাদ আবারও উভয়পক্ষের মধ্যে সেতুবন্ধন তৈরির চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
সফরকালে পাকিস্তানের সেনাপ্রধান ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাকের কালিবাফের সঙ্গেও আলাদা বৈঠক করেন। সেই বৈঠকে মার্কিন প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে তেহরানের কঠোর মনোভাব স্পষ্ট করেন কালিবাফ। তিনি সাফ জানিয়ে দেন, হরমুজ প্রণালি পুরোপুরি সচল করতে ইরান যে সাতটি শর্ত দিয়েছে, ওয়াশিংটন তা পূরণ না করলে কোনো আস্থা তৈরি হবে না। এই শর্তগুলোর মধ্যে রয়েছে ইরানি বন্দরের ওপর থেকে অবরোধ প্রত্যাহার, তেল রপ্তানির বাধা তুলে নেওয়া এবং অঞ্চলে সব ধরনের সংঘাত বন্ধ করা।
কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ফিরিয়ে আনতে পাকিস্তানের এই উদ্যোগ অত্যন্ত সংবেদনশীল সময়ে এসেছে। অর্থনৈতিক সংকট ও আঞ্চলিক নিরাপত্তা ঝুঁকির মধ্যে ইরানও একটি টেকসই সমাধান চাইছে, তবে তারা নিজেদের স্বার্থে কোনো ছাড় দিতে রাজি নয়। শেষ পর্যন্ত ওয়াশিংটন তেহরানের শর্তগুলো বিবেচনা করে কোনো নমনীয় পদক্ষেপ নেয় কি না, তার ওপরই নির্ভর করছে এই মধ্যস্থতা সফল হবে কি না।
“পাকিস্তান ঐতিহাসিকভাবে ওয়াশিংটন ও তেহরান উভয়ের সঙ্গেই কার্যকর যোগাযোগ রক্ষা করে আসছে। বর্তমান ভঙ্গুর পরিস্থিতিতে আসিম মুনিরের এই সফর প্রমাণ করে যে মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘমেয়াদি সংকট এড়াতে আঞ্চলিক শক্তিগুলোর সম্পৃক্ততা কতটা জরুরি হয়ে পড়েছে।”
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ স্টার্টআপ ও এআই কনফারেন্স
রেজিস্ট্রেশন চলছে। এখনই আপনার আসন নিশ্চিত করুন।



