ডিপ্লোমা শিক্ষার সমস্যা মেটাতে সরকারের কোনো উদ্যোগ নেই: ছাত্রশিবির
১-ক্লিকে সম্পূর্ণ খবর শুনুন (অনলাইন অডিও)

ডিপ্লোমা প্রকৌশল শিক্ষার কারিকুলাম ও ল্যাব সংকট মেটাতে সরকারের কোনো উদ্যোগ নেই বলে অভিযোগ করেছেন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নূরুল ইসলাম। শুক্রবার রাজধানীতে আয়োজিত ষষ্ঠ ডিপ্লোমা সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি দ্রুত এই সমস্যার সমাধান দাবি করেন।
- ডিপ্লোমা প্রকৌশল শিক্ষায় দীর্ঘদিনের ল্যাব ও সরঞ্জামের সংকট মেটাতে সরকারের কোনো উদ্যোগ নেই বলে দাবি ছাত্রশিবিরের।
- রাজধানীর মগবাজারে ষষ্ঠ ডিপ্লোমা সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন শিবিরের সভাপতি নূরুল ইসলাম।
- কারিগরি শিক্ষার মান বাড়াতে এবং শিক্ষার্থীদের ন্যায্য অধিকার রক্ষায় দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়।
আধুনিক ফুল-স্ট্যাক ও এআই ডেভেলপমেন্ট বুটক্যাম্প
ঘরে বসেই ক্যারিয়ার গড়ুন বিশ্বমানের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে। সীমিত আসন!
ডিপ্লোমা প্রকৌশল শিক্ষায় গবেষণাগার, আধুনিক যন্ত্রপাতি ও পড়ার বিষয়বস্তু নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে সমস্যা থাকলেও তা সমাধানে সরকারের কোনো পদক্ষেপ নেই বলে অভিযোগ করেছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির। শুক্রবার সকালে রাজধানীর মগবাজারের আল ফালাহ মিলনায়তনে আয়োজিত ‘ষষ্ঠ ডিপ্লোমা সম্মেলন’-এ সংগঠনটির কেন্দ্রীয় সভাপতি নূরুল ইসলাম এ অভিযোগ করেন। সম্মেলনে সারাদেশ থেকে আসা ডিপ্লোমা শিক্ষার্থীরা অংশ নেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে নূরুল ইসলাম বলেন, ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারদের পাঠ্যসূচি বহু বছর ধরে ঝুলে আছে। কারিগরি শিক্ষার্থীদের জন্য নেই পর্যাপ্ত ল্যাব সুবিধা ও প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম। দেশের উন্নয়ন ও কলকারখানা চালু রাখতে ডিপ্লোমা প্রকৌশলীরা বড় ভূমিকা রাখলেও এই বিশাল খাতের সংকট কাটাতে সরকারি পর্যায়ে কোনো নজর দেওয়া হচ্ছে না। তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে নৈতিকতা ও প্রযুক্তির সমন্বয়ে দক্ষ মানুষ হিসেবে গড়ে ওঠার আহ্বান জানান।
দিনব্যাপী এই সম্মেলনে ‘ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের ক্যারিয়ার ভাবনা ও চাকরির সুযোগ’ শীর্ষক একটি প্যানেল আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রকৌশল খাতের পেশাজীবী ও সংগঠনের নেতারা অংশ নেন। আলোচকরা বলেন, একটি ভারসাম্যপূর্ণ দেশ গড়তে হলে কেবল প্রকৌশল জ্ঞান থাকলেই হবে না, পেশাগত সততা ও নৈতিক মূল্যবোধ বজায় রাখাও অত্যন্ত জরুরি। একইসঙ্গে চাকরির বাজারে ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের উপযুক্ত মূল্যায়ন নিশ্চিত করার তাগিদ দেন তাঁরা।
সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সেক্রেটারি জেনারেল সিবগাতুল্লাহসহ সংগঠনের অন্যান্য কেন্দ্রীয় নেতারা। এছাড়া বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও প্রকৌশলীরা সেখানে বক্তব্য দেন। বক্তারা জানান, দেশের অর্থনৈতিক ও অবকাঠামোগত ভিত্তি মজবুত করতে হলে কারিগরি শিক্ষাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে দ্রুত বিদ্যমান অচলাবস্থা দূর করতে হবে।
“কারিগরি ও ডিপ্লোমা শিক্ষার মানোন্নয়ন বাংলাদেশের শিল্পায়নের জন্য অত্যন্ত জরুরি। দীর্ঘদিনের ল্যাব ও সিলেবাস সংকট সমাধান না হলে দক্ষ জনশক্তি তৈরির লক্ষ্য বাধাগ্রস্ত হতে পারে, যা দ্রুত নীতিনির্ধারকদের বিবেচনায় নেওয়া প্রয়োজন।”
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ স্টার্টআপ ও এআই কনফারেন্স
রেজিস্ট্রেশন চলছে। এখনই আপনার আসন নিশ্চিত করুন।



