ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ‘অর্থনৈতিক যুদ্ধে’ যোগ দিলে প্রতিবেশীদের শত্রু ভাববে তেহরান
১-ক্লিকে সম্পূর্ণ খবর শুনুন

ইরানের অর্থনীতিকে পঙ্গু করে দেওয়ার মার্কিন অভিযানে যোগ দিলে, প্রতিবেশী দেশগুলোকে শত্রু হিসেবে বিবেচনা এবং তাদের স্বার্থে আঘাত হানার কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছে তেহরান। শনিবার (২২ আগস্ট) দেশটির রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবি-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ সতর্কবার্তা দেন ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের সচিব মোহসেন রেজাই।
- ইরানের অর্থনীতিকে পঙ্গু করে দেওয়ার মার্কিন অভিযানে যোগ দিলে, প্রতিবেশী দেশগুলোকে শত্রু হিসেবে বিবেচনা এবং তাদের স্বার্থে আঘাত হানার কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছে তেহরান।
- শনিবার (২২ আগস্ট) দেশটির রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবি-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ সতর্কবার্তা দেন ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের সচিব মোহসেন রেজাই।
- পূর্ববর্তী বিভিন্ন ঘটনা ও প্রশাসনিক নথিপত্র পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দীর্ঘদিন ধরে বিষয়টি নিবিড় পর্যবেক্ষণে রেখেছিল।
আধুনিক ফুল-স্ট্যাক ও এআই ডেভেলপমেন্ট বুটক্যাম্প
ঘরে বসেই ক্যারিয়ার গড়ুন বিশ্বমানের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে। সীমিত আসন!
ইরানের অর্থনীতিকে পঙ্গু করে দেওয়ার মার্কিন অভিযানে যোগ দিলে, প্রতিবেশী দেশগুলোকে শত্রু হিসেবে বিবেচনা এবং তাদের স্বার্থে আঘাত হানার কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছে তেহরান। শনিবার (২২ আগস্ট) দেশটির রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবি-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ সতর্কবার্তা দেন ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের সচিব মোহসেন রেজাই।
পূর্ববর্তী বিভিন্ন ঘটনা ও প্রশাসনিক নথিপত্র পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দীর্ঘদিন ধরে বিষয়টি নিবিড় পর্যবেক্ষণে রেখেছিল। তিনি বলেন, আমরা পার্শ্ববর্তী সব দেশকে বলছি, তারা যেন যুক্তরাষ্ট্রের এই অর্থনৈতিক যুদ্ধে অংশ না নেয়। সামগ্রিক প্রেক্ষাপট ও পূর্ববর্তী নথিপত্র পর্যালোচনায় দেখা যায়, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দীর্ঘদিন ধরে বিষয়টি নিবিড় পর্যবেক্ষণে রেখেছিল।
অন্যথায়, আমরা তাদের শত্রু হিসেবে বিবেচনা করব। দায়িত্বপ্রাপ্ত ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা নিশ্চিত করেছেন যে, সার্বিক কার্যক্রমে জনস্বার্থ ও প্রাতিষ্ঠানিক স্বচ্ছতা বজায় রাখতে সব ধরনের সতর্কতামূলক ব্যবস্থা কার্যকর করা হয়েছে। দায়িত্বপ্রাপ্ত ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা নিশ্চিত করেছেন যে, সার্বিক কার্যক্রমে জনস্বার্থ ও প্রাতিষ্ঠানিক স্বচ্ছতা বজায় রাখতে সব ধরনের সতর্কতামূলক ব্যবস্থা কার্যকর রয়েছে।
“বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরি ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ধরে রাখতে নীতিগত ধারাবাহিকতা অপরিহার্য। পাশাপাশি মূল্যস্ফীতির চাপ সামলাতে বাজার তদারকি জোরদার করা এবং সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় নিয়ন্ত্রণে রাখায় সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া দরকার।”
এই বিভাগের আরও সংবাদ
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ স্টার্টআপ ও এআই কনফারেন্স
রেজিস্ট্রেশন চলছে। এখনই আপনার আসন নিশ্চিত করুন।


