বাংলায় পড়ুন
Reader Tools:
National📍 dhaka

গণঅভ্যুত্থানে কিন্তু কেউ জিজ্ঞেস করেনি গুলি খাওয়া ব্যক্তি কোন ধর্মের: প্রধানমন্ত্রী

Cholti News English Desk10/21/2026
2 min read10 views
AI Neural Voice Audio

1-Click Audio Report (Universal Voice)

00:00Google Cloud Neural Audio00:00
গণঅভ্যুত্থানে কিন্তু কেউ জিজ্ঞেস করেনি গুলি খাওয়া ব্যক্তি কোন ধর্মের: প্রধানমন্ত্রী
Full View
Photo: Archive • Cholti News Special Coverage
Executive Briefing & Key Context

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে গুলিবিদ্ধ মানুষটি মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ নাকি খ্রিষ্টান তা কেউ জিজ্ঞেস করেনি। মুক্তিযুদ্ধ থেকে শুরু করে গণতন্ত্র রক্ষার আন্দোলন কোনো ক্ষেত্রেই ধর্মীয় পরিচয় বিবেচনা করা হয়নি।

3 Essential Key Takeaways
  • প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে গুলিবিদ্ধ মানুষটি মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ নাকি খ্রিষ্টান তা কেউ জিজ্ঞেস করেনি।
  • মুক্তিযুদ্ধ থেকে শুরু করে গণতন্ত্র রক্ষার আন্দোলন কোনো ক্ষেত্রেই ধর্মীয় পরিচয় বিবেচনা করা হয়নি।
  • মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) সন্ধ্যায় চট্টগ্রামের ঐতিহাসিক জে এম সেন হলের দুর্গাপূজা মণ্ডপে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
SPONSORED PARTNERNational Savings Bureau

National Investment & Sovereign Savings Bond Scheme

Secure high guaranteed yields backed by official treasury securities.

Learn More

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে গুলিবিদ্ধ মানুষটি মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ নাকি খ্রিষ্টান তা কেউ জিজ্ঞেস করেনি। মুক্তিযুদ্ধ থেকে শুরু করে গণতন্ত্র রক্ষার আন্দোলন কোনো ক্ষেত্রেই ধর্মীয় পরিচয় বিবেচনা করা হয়নি। মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) সন্ধ্যায় চট্টগ্রামের ঐতিহাসিক জে এম সেন হলের দুর্গাপূজা মণ্ডপে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। তারেক রহমান বলেন, ‘দেশের নাগরিক হিসেবে সবার অধিকার সমান। সংখ্যাগুরু কিংবা সংখ্যালঘু নয়, আমাদের সবার পরিচয় বাংলাদেশি। মুক্তিযুদ্ধের সময় লাখো মানুষ ধর্মীয় পরিচয় বিবেচনা না করে দেশের স্বাধীনতার জন্য লড়াই করেছেন। স্বাধীনতার পর গণতন্ত্র, কথা বলার অধিকার ও ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনেও সহযোদ্ধাদের ধর্মীয় পরিচয় দেখা হয়নি। ’ সংখ্যাগুরু কিংবা সংখ্যালঘু নয়, সবার পরিচয় বাংলাদেশি: প্রধানমন্ত্রী ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের প্রসঙ্গ তুলে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বেশিদিন আগের কথা না, দুই থেকে সোয়া দুই বছর আগের কথা।

২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট মাস। এই দেশের মানুষ, এই দেশের ছাত্র-জনতা এক স্বৈরাচারকে বিদায় করেছে। লক্ষ লক্ষ মানুষ সমগ্র বাংলাদেশে সেদিন রাজপথে বেরিয়ে এসেছিলেন। কেউ কিন্তু আমরা জিজ্ঞেস করিনি গুলি খাওয়া মানুষটি কি মুসলমান নাকি হিন্দু নাকি বৌদ্ধ নাকি খ্রিষ্টান। স্বৈরাচার গুলি করেছে, ক্ষমতায় থাকতে চেয়েছিল। আমার ভাই শহীদ হয়েছে, আমার ভাই আহত হয়েছে। ’ রাজধানীর যেসব এলাকায় ৩ ঘণ্টা গ্যাস থাকবে না আজ সরকারপ্রধান বলেন, ‘এই দেশ আপনার, এই দেশ আমার, এই দেশ আমাদের সবার। আমরা মুসলমান হই, আমরা হিন্দু হই, আমরা বৌদ্ধ হই, খ্রিষ্টান হই যেই হই কেন, ধর্ম আমাদের নিজস্ব বিষয়।

কিন্তু আমরা প্রত্যেকটি মানুষ এই বাংলাদেশি আমরা। ’ তিনি বলেন, ‘আমাদের একমাত্র পরিচয় ধর্মের পরিচয় নয়, আমাদের একমাত্র পরিচয় আমরা বাংলাদেশের নাগরিক। ’ প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘এই দেশের আইন আমার জন্য যেভাবে প্রযোজ্য, এই দেশের আইন আপনার জন্যও প্রযোজ্য। এই দেশের উপরে আপনার যে অধিকার আছে, এই দেশের উপরে আমারও এই অধিকার আছে। এই রাষ্ট্র আপনাকে যা দেবে, এই রাষ্ট্র আমাকেও তাই দেবে। ’ মুক্তিযুদ্ধ, গণতন্ত্র রক্ষার আন্দোলন ও জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের লক্ষ্য ছিল শান্তিপূর্ণ ও ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ গড়া উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আসুন না আমরা সবাই মিলে সেই বাংলাদেশটি, প্রত্যাশিত বাংলাদেশটি গড়ে তুলি, যেই বাংলাদেশের জন্য দল, মত, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে বিভিন্ন সময়ে অকাতরে আমরা বুকের রক্ত ঢেলে দিয়েছি। ’ কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ গড়তে সব ধর্মের মানুষের সহযোগিতা চেয়ে তিনি বলেন, ‘আপনি হিন্দু হোন, আপনি মুসলমান হোন, আপনি বৌদ্ধ হোন, খ্রিষ্টান হোন, যাই হোন না কেন আপনার সহযোগিতা আমার দরকার, কারণ আপনার সহযোগিতা ছাড়া আমরা সেই কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে পারব না। ’ জে এম সেন হলের অনুষ্ঠান শেষে নগরের রেডিসন ব্লু চট্টগ্রাম বে ভিউ হোটেলে বিএনপির সাংগঠনিক সভায় যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী।

সভায় চট্টগ্রাম মহানগর, উত্তর ও দক্ষিণ জেলা বিএনপির নেতাদের পাশাপাশি সংসদ সদস্য, কেন্দ্রীয় নেতা এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাদের অংশ নেন। ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের প্রসঙ্গ তুলে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বেশিদিন আগের কথা না, দুই থেকে সোয়া দুই বছর আগের কথা। সরকারপ্রধান বলেন, ‘এই দেশ আপনার, এই দেশ আমার, এই দেশ আমাদের সবার। তিনি বলেন, ‘আমাদের একমাত্র পরিচয় ধর্মের পরিচয় নয়, আমাদের একমাত্র পরিচয় আমরা বাংলাদেশের নাগরিক। প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘এই দেশের আইন আমার জন্য যেভাবে প্রযোজ্য, এই দেশের আইন আপনার জন্যও প্রযোজ্য। মুক্তিযুদ্ধ, গণতন্ত্র রক্ষার আন্দোলন ও জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের লক্ষ্য ছিল শান্তিপূর্ণ ও ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ গড়া উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আসুন না আমরা সবাই মিলে সেই বাংলাদেশটি, প্রত্যাশিত বাংলাদেশটি গড়ে তুলি, যেই বাংলাদেশের জন্য দল, মত, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে বিভিন্ন সময়ে অকাতরে আমরা বুকের রক্ত ঢেলে দিয়েছি। কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ গড়তে সব ধর্মের মানুষের সহযোগিতা চেয়ে তিনি বলেন, ‘আপনি হিন্দু হোন, আপনি মুসলমান হোন, আপনি বৌদ্ধ হোন, খ্রিষ্টান হোন, যাই হোন না কেন আপনার সহযোগিতা আমার দরকার, কারণ আপনার সহযোগিতা ছাড়া আমরা সেই কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে পারব না। জে এম সেন হলের অনুষ্ঠান শেষে নগরের রেডিসন ব্লু চট্টগ্রাম বে ভিউ হোটেলে বিএনপির সাংগঠনিক সভায় যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী।

Cholti News Perspective • Neutral AI Analysis

“In evaluating developments in Dhaka, institutional accountability and long-term public welfare must remain the guiding benchmarks for sustainable progress.”

Compiled, verified, and edited under Cholti News Editorial Guidelines.
SHARE THIS STORY: