বৃহস্পতিবার খুলনা ও মোংলা সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
১-ক্লিকে সম্পূর্ণ খবর শুনুন (অনলাইন অডিও)

সুন্দরবনের অপার সম্ভাবনা ও মোংলা বন্দরকে কেন্দ্র করে অর্থনৈতিক কার্যক্রম বাড়াতে বৃহস্পতিবার খুলনা ও মোংলা সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সরকার গঠনের পর দক্ষিণাঞ্চলে এটিই তার প্রথম সফর।
- বৃহস্পতিবার হেলিকপ্টারে সুন্দরবন ও হিরণ পয়েন্ট পর্যবেক্ষণ করবেন প্রধানমন্ত্রী।
- দাকোপ থেকে কোস্টগার্ডের স্পিডবোটে আকরাম পয়েন্টে গিয়ে প্রস্তাবিত এলএনজি টার্মিনালের জায়গা পরিদর্শন করবেন।
- মোংলা বন্দরের বাণিজ্যিক কার্যক্রম ও প্রস্তাবিত অর্থনৈতিক অঞ্চল নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে অংশ নেবেন।
আধুনিক ফুল-স্ট্যাক ও এআই ডেভেলপমেন্ট বুটক্যাম্প
ঘরে বসেই ক্যারিয়ার গড়ুন বিশ্বমানের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে। সীমিত আসন!
দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও মোংলা বন্দরের সক্ষমতা বাড়াতে আগামী বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) খুলনা ও মোংলা সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সরকার গঠনের পর এই অঞ্চলে এটিই তার প্রথম সরকারি সফর। সফরকালে তিনি সুন্দরবন ও মোংলা বন্দরকে কেন্দ্র করে শিল্পায়ন, নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণের নানা দিক সরেজমিনে ঘুরে দেখবেন।
সফরসূচি অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী হেলিকপ্টারযোগে আকাশপথে হিরণ পয়েন্টসহ সুন্দরবনের প্রাকৃতিক রূপ পর্যবেক্ষণ করবেন। এরপর তিনি দাকোপ উপজেলার নলিয়ান মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে অবতরণ করবেন। সেখান থেকে কোস্টগার্ডের স্পিডবোটে করে আকরাম পয়েন্টের উদ্দেশে রওনা হবেন এবং সেখানে প্রস্তাবিত এলএনজি টার্মিনাল নির্মাণের সম্ভাব্যতা পর্যালোচনা করবেন। পরবর্তীতে নৌপথে মোংলা বন্দরে পৌঁছে তিনি বন্দরের জেটি ও বেজা অর্থনৈতিক অঞ্চল পরিদর্শন করবেন।
প্রধানমন্ত্রীর এই আগমনকে ঘিরে স্থানীয় প্রশাসন, রাজনৈতিক নেতাকর্মী এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ তৈরি হয়েছে। স্থানীয় সংসদ সদস্য আমীর এজাজ খান জানিয়েছেন, সফরকে ঘিরে পুরো এলাকায় আনন্দঘন পরিবেশ বিরাজ করছে এবং সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। এছাড়া দাকোপ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. বোরহান উদ্দিন মিঠু নিশ্চিত করেছেন যে, নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা ও সার্বিক ব্যবস্থাপনার কাজ এগিয়ে চলছে।
স্থানীয় ব্যবসায়ী ও অর্থনীতিবিদরা মনে করছেন, প্রধানমন্ত্রীর এই সফর দক্ষিণাঞ্চলের যোগাযোগ ও বাণিজ্যিক সম্ভাবনায় নতুন গতি আনবে। বিশেষ করে মোংলা বন্দরের আধুনিকায়ন ও নতুন অর্থনৈতিক অঞ্চল চালু হলে বিপুল কর্মসংস্থান তৈরি হবে। উল্লেখ্য, এই সফরের দুই সপ্তাহ পর আগামী ৫ নভেম্বর আবারও খুলনা স্টেডিয়ামে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে।
“দক্ষিণাঞ্চলের সামগ্রিক অর্থনৈতিক রূপান্তরের ক্ষেত্রে মোংলা বন্দর ও প্রস্তাবিত এলএনজি টার্মিনাল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প। প্রধানমন্ত্রীর এই সরাসরি মাঠ পর্যায়ের তদারকি প্রকল্পগুলোর বাস্তবায়নে গতি আনবে এবং আঞ্চলিক বাণিজ্যে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।”
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ স্টার্টআপ ও এআই কনফারেন্স
রেজিস্ট্রেশন চলছে। এখনই আপনার আসন নিশ্চিত করুন।



