Read in English
পাঠক সুবিধা:
আন্তর্জাতিকঢাকা

হামাস ও ইসলামিক জিহাদের দুই কমান্ডারকে মারার দাবি ইসরায়েলের

চলতি ডেস্কআজ
১০ বার পঠিতপড়ার সময়: মিনিট
এআই নিউরাল অডিও সংবাদ

১-ক্লিকে সম্পূর্ণ খবর শুনুন (অনলাইন অডিও)

০০:০০গুগল নিউরাল অডিও ভয়েস০০:০০
হামাস ও ইসলামিক জিহাদের দুই কমান্ডারকে মারার দাবি ইসরায়েলের
পূর্ণাঙ্গ ভিউ
ছবি: সংগৃহীত • চলতি নিউজ স্পেশাল কাভারেজ
একনজরে মূল বিষয় ও সারসংক্ষেপ

ইসরায়েলি সেনাবাহিনী গাজা উপত্যকায় বিমান হামলা চালিয়ে হামাস ও ফিলিস্তিনি ইসলামিক জিহাদের দুই গুরুত্বপূর্ণ কমান্ডারকে হত্যার দাবি করেছে। ইসরায়েলের দাবি, নিহত ব্যক্তিরা গত বছরের ৭ অক্টোবরের হামলায় জড়িত ছিলেন। তবে ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ গোষ্ঠীগুলোর পক্ষ থেকে এ বিষয়ে এখনও কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

গুরুত্বপূর্ণ ৩টি তথ্য
  • গাজায় ইসরায়েলি বিমান হামলায় হামাস ও ইসলামিক জিহাদের দুই সামরিক কমান্ডার নিহত হয়েছেন বলে দাবি করা হয়েছে।
  • ইসরায়েলি বাহিনীর দাবি অনুযায়ী, নিহত দুই কমান্ডার গত বছরের ৭ অক্টোবরের হামলার পরিকল্পনার সাথে যুক্ত ছিলেন।
  • এই হামলার পর গাজা ও মধ্যপ্রাচ্য জুড়ে উত্তেজনা আরও বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
বিজ্ঞাপনটেক একাডেমি বাংলাদেশ

আধুনিক ফুল-স্ট্যাক ও এআই ডেভেলপমেন্ট বুটক্যাম্প

ঘরে বসেই ক্যারিয়ার গড়ুন বিশ্বমানের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে। সীমিত আসন!

ভর্তি হতে ক্লিক করুন

গাজা উপত্যকায় বিমান হামলা চালিয়ে ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস এবং ইসলামিক জিহাদের দুই শীর্ষ কমান্ডারকে হত্যা করার দাবি করেছে ইসরায়েল। ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে নিখুঁত হামলা চালিয়ে এই দুই সামরিক নেতাকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়। নিহত ব্যক্তিরা নিজ নিজ সংগঠনের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে ছিলেন বলে দাবি করা হয়েছে।

ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর দাবি অনুযায়ী, নিহত দুই কমান্ডারের একজন হামাসের সামরিক শাখার এবং অন্যজন ইসলামিক জিহাদের বিশেষ ইউনিটের নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন। তারা গত বছরের ৭ অক্টোবর ইসরায়েলের ভেতরে হওয়া বড় হামলার সাথে সরাসরি যুক্ত ছিলেন। দীর্ঘদিন ধরে ইসরায়েলি গোয়েন্দারা তাদের খুঁজছিল এবং অবশেষে গাজার একটি গোপন আস্তানায় তাদের অবস্থান শনাক্ত করার পর এই হামলা চালানো হয়।

এই হামলার বিষয়ে হামাস বা ফিলিস্তিনি ইসলামিক জিহাদের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি। তবে স্থানীয় সূত্রগুলো জানিয়েছে, গাজার বিভিন্ন এলাকায় ইসরায়েলি বিমান হামলা অব্যাহত রয়েছে, যার ফলে সাধারণ মানুষের হতাহতের সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলো গাজায় অবিলম্বে যুদ্ধবিরতি কার্যকরের দাবি জানিয়ে আসছে।

বিশ্লেষকেরা মনে করছেন, দুই কমান্ডারের মৃত্যুর দাবি সত্য হলে তা ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ গোষ্ঠীগুলোর জন্য একটি বড় ধাক্কা হতে পারে। তবে এর ফলে ইসরায়েলের ওপর পাল্টা হামলার তীব্রতা আরও বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ফিরিয়ে আনার জন্য আন্তর্জাতিক মহলের চেষ্টা চললেও এই ধরনের হামলার কারণে যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হওয়ার পথ তৈরি হচ্ছে।

চলতি নিউজ দৃষ্টিভঙ্গি ও বিশ্লেষণ • নিরপেক্ষ এআই মতামত

ইসরায়েলের এই দাবি গাজা যুদ্ধের চলমান উত্তেজনাকে আরও বাড়িয়ে দেবে। দুই কমান্ডারের মৃত্যুর খবর যদি নিশ্চিত হয়, তবে তা হামাস ও ইসলামিক জিহাদের সামরিক সক্ষমতায় সাময়িক প্রভাব ফেলতে পারে। তবে ইতিহাস বলে, শীর্ষ নেতাদের হত্যা করে ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ আন্দোলনকে পুরোপুরি স্তিমিত করা যায়নি, বরং এটি প্রায়শই আরও বড় ধরনের সংঘাতের জন্ম দেয়।

প্রতিবেদনটি বস্তুনিষ্ঠ সম্পাদকীয় নীতি ও মাঠপর্যায়ের তথ্য যাচাই করে প্রকাশিত।
চলতি ডিজিটাল নিউজরুম