টঙ্গীতে বন্ধুকে অপহরণের পর হত্যা, ইজতেমা ময়দানে মিলল লাশ
১-ক্লিকে সম্পূর্ণ খবর শুনুন (অনলাইন অডিও)

গাজীপুরের টঙ্গীতে বন্ধুকে অপহরণের পর হত্যা করে ইজতেমা ময়দানের ড্রেনে লাশ লুকিয়ে রাখার ঘটনা ঘটেছে। পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে এবং ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।
- গাজীপুরের টঙ্গীতে বন্ধুকে অপহরণ করে হত্যার পর লাশ গুমের চেষ্টা করা হয়।
- বিশ্ব ইজতেমা ময়দানের ভেতরের একটি ড্রেন থেকে নিহতের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
- এই হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত সন্দেহে নিহতের এক বন্ধুকে আটক করা হয়েছে।
আধুনিক ফুল-স্ট্যাক ও এআই ডেভেলপমেন্ট বুটক্যাম্প
ঘরে বসেই ক্যারিয়ার গড়ুন বিশ্বমানের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে। সীমিত আসন!
গাজীপুরের টঙ্গীতে এক যুবককে অপহরণের পর নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে। হত্যার পর তার লাশ বিশ্ব ইজতেমা ময়দানের ভেতরের একটি ড্রেনে ফেলে রাখা হয়। পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে লাশটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠিয়েছে। এই ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কয়েক দিন আগে ওই যুবক নিখোঁজ হন। তার পরিবার বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজি করেও কোনো সন্ধান পায়নি। পরে অপহরণকারীরা পরিবারের কাছে মুক্তিপণ দাবি করে বলে অভিযোগ ওঠে। পুলিশ প্রযুক্তির সহায়তায় তদন্ত শুরু করে এবং নিখোঁজ যুবকের এক বন্ধুর ওপর সন্দেহ তৈরি হয়।
পুলিশ জানায়, সন্দেহভাজন ওই বন্ধুকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে সে হত্যার কথা স্বীকার করে। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই ইজতেমা ময়দানের ড্রেন থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়। পুলিশ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, পূর্ব শত্রুতা বা টাকা-পয়সার লেনদেন নিয়ে বিরোধের জেরে এই হত্যাকাণ্ড ঘটে থাকতে পারে।
এই ঘটনায় নিহতের পরিবার থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করার প্রস্তুতি নিচ্ছে। পুলিশ পুরো ঘটনার পেছনে আর কেউ জড়িত আছে কি না তা খতিয়ে দেখছে। লাশটি ময়নাতদন্তের জন্য গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে এবং দ্রুত সময়ের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়া হবে বলে পুলিশ জানিয়েছে।
“এই হত্যাকাণ্ডটি আমাদের সামাজিক অবক্ষয় ও তরুণদের মধ্যে অপরাধপ্রবণতা বৃদ্ধির একটি ভয়ংকর চিত্র তুলে ধরে। সামান্য টাকা বা ব্যক্তিগত বিরোধের জেরে বন্ধুকে অপহরণ ও হত্যার মতো ঘটনা আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির ওপর সাধারণ মানুষের আস্থা কমিয়ে দেয়। অপরাধীদের দ্রুত ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা না গেলে এ ধরনের অপরাধ প্রতিরোধ করা কঠিন হবে।”
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ স্টার্টআপ ও এআই কনফারেন্স
রেজিস্ট্রেশন চলছে। এখনই আপনার আসন নিশ্চিত করুন।



